ঢাকা, রোববার 19 May 2019, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৩ রমযান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আবারো বন্যার কবলে ফেনীর দুই উপজেলা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দফায় দফায় ভাঙ্গনে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে ফেনীর মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। নতুন করে আরোও ৮ টি ছাড়াও গত তিন মাস আগে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধের ১১টি স্থানের বেশিরভাগই মেরামত হয়নি এখনও। ফলে আগের ৫ দফার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগে আবার  ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার শত শত হেক্টর জমির রোপা আমনসহ কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষতিতে দিশেহারা কৃষকেরা।  বাঁধের ভাঙ্গন মেরামতে উপজেলা প্রশাসনসহ স্থানীয়রা পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতিকে দায়ী করলেও তাদের দাবি চেষ্টার কোন ত্রুটি নেই তাদের ।

রোববার নতুন করে ৮টি এবং এর আগে গত ২০শে জুলাই মুহুরী -কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১১টি জায়গা ভেঙ্গে চলতি বছর এ পর্যন্ত ৬ দফায় বন্যার কবলে পড়তে হয়েছে স্থানীয়দের। তিন মাস আগের ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধের এখনও বেশির ভাগই মেরামত না হওয়ায় দফায় দফায় বন্যার কবলে পড়তে হয়েছে কয়েক লাখ মানুষকে। আগের সব বন্যার ক্ষতিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও এবারের বন্যায় দেয়ালে পিঠ ঠেকেছে তাদের। ভারি বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে শুধু বাড়ি ঘর,গ্রামীণ সড়ক ভাসিয়ে নেয়নি, সে সাথে বেসে গেছে শত শত পুকুরের মাছ। ভেঙ্গে গেছে ধার দেনা করে রোপা আমনের ফলন ঘরে তোলার  কৃষকের স্বপ্ন। কৃষিতে আগের সব ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হলেও এবারের বন্যায় তা কৃষকদের কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয় বলে মনে করেন  কৃষি কর্মকর্তা।

স্থানীয়দের পাশাপাশি কয়েক দফায় এ বন্যার জন্য এ বাঁধ মেরামতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতাকে  উপজেলা প্রশাসন দায়ী করলেও তা মানতে নারাজ  নির্বাহী প্রকৌশলী। বন্যার পানি উঠে যাওয়ায়  এলাকার ১৫ টি মাধ্যমিক ও ২৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাময়িক ভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্গত ২ হাজার পরিবারের জন্যে ১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।-সময় টিভি নিউজ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ