ঢাকা, শনিবার 20 April 2019, ৭ বৈশাখ ১৪২৬, ১৩ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

সংগ্রাম অনলাইন : ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান জানিয়েছেন, আগুন কিভাবে লেগেছে তা নিশ্চিত জানা যায়নি এখনো।

"এটি তদন্ত ছাড়া বলা যাবেনা, তার আগ পর্যন্ত বলা যায় না ঠিক কিভাবে আগুন লেগেছে।

এখন পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন রকম তথ্য পাচ্ছি, কেউ বলছে সিলিন্ডারের গ্যাসের আগুন কেউ বলছে সিএনজি গাড়ির সিলিন্ডার এক্সপ্লোড করেছে। ফলে তদন্ত না করে আমি বলতে পারবো না।"

"তবে আগুনটা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, কারণ আশেপাশে দাহ্য পদার্থ বা রাসায়নিক ছিল।

এখানে প্লাস্টিক ছিল, এবং অ্যারোসল বানাত। যে কারণে আগুন দ্রুত নিচ থেকে ওপরে, এবং এরপর আশেপাশে ছড়িয়ে পড়েছে।"

অনুমতি নেই রাসায়নিক রাখার

২০১০ সালের জুনে পুরানো ঢাকার নিমতলীতে রাসায়নিকের কারখানায় আগুন ধরে ১২৪ জন নিহত হয়েছিলেন। এরপর পুরানো ঢাকার আবাসিক এলাকায় রাসায়নিকের কারখানা বা সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

তাহলে কিভাবে চকবাজারে রাসায়নিকের গুদাম থাকতে পারে? বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে মিঃ খান বলেন, "নিষেধাজ্ঞার পরেও অনেকে হয়ত চোরাইভাবে রেখে ব্যবসাবাণিজ্য করে।

কর্তৃপক্ষের অগোচরে কাজ করে তারা। কিন্তু এর পরিণতি হচ্ছে এ ধরণের ঘটনা। "

সরু রাস্তা ও পানির সংকট

চকবাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়েছে, এর কারণ হিসেবে মিঃ খান সরু রাস্তা ও পানির সংকটকে প্রধান সমস্যা বলে চিহ্নিত করেছেন।

"অনেক দূর ঘুরিয়ে গাড়ি ভেতরে আনতে হয়েছে। সেই সঙ্গে এটা একটা জনবহুল এলাকা তাই আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লাগছে বেশি।"

এছাড়া এখানে পানির অভাবও রয়েছে। এখন পুকুর থেকে পানি এনে কাজ চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তবে তিনি জানিয়েছেন আগুন এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।

ফায়ার সার্ভিসের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১২ সালের পর থেকে বাংলাদেশে ৮৮ হাজার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।

এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ২৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রাণহানি হয়েছে ১৪০০ জন, আহত হয়েছে অন্তত ৫০০০ মানুষ। সুত্র: বিবিসি বাংলা। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ