ঢাকা, সোমবার 23 September 2019, ৮ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ মহররম ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

আজ হুমায়ূন আহমেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ‘সব মৃত্যুই কষ্টের, সুখের মৃত্যু তো কিছু নেই’  কথাটি বলেছিলেন বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, খ্যাতিমান কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ। আজ তার  সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী।

দূরারোগ্য ক্যান্সার রোগে ভুগে ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে কিংবদন্তী এই কথাসাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন। নুহাশপল্লীতে তাকে সমাহিত করা হয়।

সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় প্রিয় সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদকে স্মরণ করছেন তার অগণিত ভক্ত।

দিবসটি উপলক্ষে কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের পক্ষ থেকে নূহাশ পল্লীতে তার  আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের  আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়াও বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলগুলিতে প্রচার করা হচ্ছে হুমায়ূনের নির্মিত বিভিন্ন নাটক ও চলচ্চিত্র।

১৯৪৮ সালে ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন হুমায়ূন আহমেদ। ১৯৭২ সালে প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশের পরপরই খ্যাতি লাভ করেন তিনি।

বাংলাদেশে পাঠকপ্রিয় এই লেখক দুই শতাধিক ফিকসন ও নন-ফিকসন বই লেখেন। হিমু, মিছির আলীর মতো চরিত্র দিয়ে লাখো-কোটি পাঠক-ভক্ত তৈরি করেছেন এই কথার জাদুকর। ১৯৯০ ও ২০০০ দশকে তার বইগুলো একুশে বইমেলায় সর্বাধিক বিক্রি হয়।

তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখকদের মধ্যে অন্যতম গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক।

বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ হুমায়ুন আহমেদকে একুশে পদক, বাংলা একাডেমী পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন পদক দেয়া হয়।

নব্বই দশকের শুরুতে চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আবির্ভাব ঘটে তার। নিজের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে হুমায়ূনের পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, চন্দ্রকথা, নয় নম্বর বিপদ সংকেত, ঘেটুপুত্র কমলা। আগুনের পরশমণি, দারুচিনি দ্বীপ ও ঘেটুপুত্র কমলা চলচ্চিত্রের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

- ইউএনবি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ