Quantcast
ঢাকা, বুধবার 31 October 2012, ১৬ কার্তিক ১৪১৯, ১৪ জিলহজ্জ ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ১১১ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

বেশিরভাগই পাচার হয়ে গেছে

বাইরে থেকে এখন ঢাকায় চামড়া আসছে না

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের পাইকারী চামড়ার মার্কেট পোস্তা এবং লালবাগে এখন বাইরে থেকে চামড়া আসছে না। পাইকারী চামড়ার আড়ৎদাররা বলছেন ঢাকার মার্কেটে আসার আগেই চামড়া উধাও হয়ে গেছে। কুরবানির চামড়া বিপুল পরিমাণে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে গেছে। এ অবস্থায় একদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চামড়া ব্যবসায়ীরা অন্যদিকে দেশের অর্থনীতিতে পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। সূত্র মতে, প্রতিবছর ঈদের আগেই কুরবানির চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় ট্যানারি মালিক এসোসিয়েশন। এতে করে চামড়ার ন্যায্য মূল্য পায় পশুর মালিকরা। কিন্তু এ বছর আন্তর্জাতিক বাজারের অজুহাত দেখিয়ে দাম নির্ধারণ করেনি মালিকরা। উল্টো তারা অলিখিতভাবে কম দামে চামড়া কেনার নির্দেশ দেয় খুচরা ব্যবসায়ীদের। ফলে চামড়ার বাজারে নেমে আসে ধস। প্রতিটি চামড়া বিক্রি হয়েছে মাত্র ৮০০ থেকে দেড় হাজার টাকায়। সূত্র আরো নিশ্চিত করে কেন্দ্রীয়ভাবে চামড়ার দাম নির্ধারণ করে না দেয়াতে দাম যেমন কমেছে, তেমনি ব্যবসায়ীরা ব্যাংক ঋণ কম পাওয়াতে খুচরা ব্যবসায়ীদের চামড়া ক্রয়ে আগাম টাকা দিতে পারেনি। এ সুযোগে পাচারকারী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাদের এজেন্টদের দিয়ে মোটা অংকের টাকা খুচরা ব্যবসায়ীদের দেয়া হয়। সেই টাকায় চামড়া কিনে পাইকারী মার্কেটে চামড়া না পাঠিয়ে বিভিন্ন চোরাই রুটে ভারতে পাচার করা হয়। এতে করে চামড়ার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পোস্তা এবং লালবাগে অন্যান্যবারের মতো চামড়া বোঝাই ট্রাকের আনাগোনা নেই। অথচ প্রতিবছর কুরবানির ঈদের পর থেকে ১০/১২ দিন পর্যন্ত অসংখ্য চামড়া বোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ট্যানারি পাড়ায়। কিন্তু সেই চিত্র গতকালও চোখে পড়েনি। ট্যানারি মালিক এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন আহমেদ বলেন, চাহিদানুযায়ী ব্যাংক ঋণ না পাওয়াতে চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয়া সম্ভব হয়নি। এতে চামড়ার দাম পড়ে যায়। সিন্ডিকেটের কারণে এমন অবস্থা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে কোন সিন্ডিকেট নেই। তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবছর চামড়া ভারতে পাচার হয়ে যায়। এ ব্যাপারে সরকারকে আগেই বলা হয়েছে। কিন্তু পাচার রোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে পাচার আরো বেড়েছে। অবস্থা দেখে মনে হয়, ইতোমধ্যেই ৫০ ভাগ চামড়া ভারতে পাচার হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, এবার পাচার হয়েছে নতুন কৌশলে। সারা দেশের চামড়া ঢাকার পাইকারী মার্কেটে না এসে মাঝপথেই উধাও হয়ে যায়। তাই পোস্তা এবং লালবাগে চামড়া বোঝাই ট্রাকের তেমন ভিড় নেই। এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে আগামীতে প্রতিটি জেলায় একটি করে মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে।