|
|
স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের একটি প্রকল্পসহ মোট দুটি প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এই দু প্রকল্পে আর্থিক দুর্নীতির যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। এছাড়া দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না- জানতে চাওয়া হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা সচিব, অর্থ সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, এলজিইডির বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল হাসান ও এলজিইডি অধিদফতরের প্রকল্প পরিচালক তানজিদ সারোয়ারকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এই আদেশ দেন। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী ও এডভোকেট এখলাস উদ্দিন ভূঁইয়া গত সোমবার এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী রোডের রাস্তার নির্মাণ কাজ এবং বৃহত্তর ঢাকা জেলার ইউনিয়ন পরিষদের ভবন নির্মাণে দুর্নীতি হয়েছে বলে রিট আবেদনে দাবি করা হয়। এই দু'দুর্নীতির ঘটনা তদন্তে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি করতে সরকারের পরিকল্পনা সচিব, অর্থ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই কমিটি গঠন করতে হবে। আর কমিটিকে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে ২ মাসের মধ্যে। গত ২১ অক্টোবর দৈনিক ইনকিলাবে ‘বিশ্বব্যাংককে ফাঁকি দিয়ে ১৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ' শিরোনামে এবং গত বছরের ১৫ জুন দৈনিক সকালের খবরে ‘এলজিইডিতে পুকুরচুরি' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

