Quantcast
ঢাকা, শুক্রবার 2 November 2012, ১৮ কার্তিক ১৪১৯, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৪৪৫ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

দাঙ্গাকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করার অজুহাত হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি

মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতা বন্ধের আহবান জাতিসংঘের

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করতে জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার তান্ডব চলছেই

0উদ্বাস্তুদের আশ্রয়দানে সীমান্ত উন্মুক্ত রাখার আহবান বাংলাদেশের প্রতি

0আন্তর্জাতিক সনদের আওতায় রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দিতে হবে

0 স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় সরকারের জ্ঞাতসারেই বৈষম্যমূলক আচরণ চলছে

জেনেভা থেকে রয়টার্স : মিয়ানমারে জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধের আহবান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

এই দাঙ্গাকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করার অজুহাত হিসেবে যেন ব্যবহার করা না হয় সে ব্যাপারে গত বুধবার কঠোর হুঁশিয়ারি জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক তদন্তকারী দল।

গত ১০ দিনে মিয়ানমারে রাখাইন বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গায় অন্তত ৮৯ জন নিহত হয়েছেন। যদিও স্থানীয়দের মতে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি।

জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত ও সংখ্যালঘু সমস্যা ও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত বিষয়ক বিশেষজ্ঞ টমাস ওজেয়া কুইনটানা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘‘এই পরিস্থিতিকে একটি সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে কিছুতেই ব্যবহার করা যাবে না।’’

এই পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশগুলোতে, বিশেষ করে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত রাখার আহবান জানিয়েছেন ইউএনএইচসিআর এর মুখপাত্র আদ্রিয়ান এডওয়ার্ডস।

মিয়ানমার সরকার ও অন্যান্যরা রোহিঙ্গাদের যেভাবে অবৈধ অভিবাসী ও বহিরাগত হিসাবে চিহ্নিত করে- সে বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তদন্তকারীরা।

ওজেয়া কুইনটানা বলেন, ‘‘যদি ওই রাষ্ট্রকে (মিয়ানমার) সফলভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উন্নীত হতে হয় তবে অবশ্যই মানবাধিকার বিষয়ক চ্যালেঞ্জগুলো দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’’

‘‘রাখাইন প্রদেশে দীর্ঘ সময় ধরে রোহিঙ্গাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ চলে আসছে। আর তা স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় সরকারের জ্ঞাতসারেই হচ্ছে’’, বলা হয় ওই বিবৃতিতে।

রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, রাখাইনরা তাদের বাড়িঘর আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে ছুরি-চাকুসহ বিভিন্ন অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে।

জাতিসংঘের হিসাবে, নতুন করে সহিংসতার কারণে মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ২৮ হাজারেরও বেশি মানুষ, যাদের ৯৭ শতাংশই মুসলমান। এদের অনেকেই এখন তাঁবুতে বসবাস করছেন।

এর আগে চলতি বছরের জুনে জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় দেশটিতে অন্তত ৮০ জন নিহত হয়। সে সময় বাস্তুচ্যুত হয় ৭৫ হাজার মানুষ। নতুন করে গৃহহারা ২৮ হাজার মানুষও তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে।

জাতিসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিশেষজ্ঞ রিতা ইসাক বলেন, রোহিঙ্গারা সাংবিধানিকভাবেই সংখ্যালঘু এবং তাদের আন্তর্জাতিক সংখ্যালঘু অধিকার সনদের আওতায় নিরাপত্তা দিতে হবে।