|
|
স্টাফ রিপোর্টার : দেশী-বিদেশী একটি চক্র গার্মেন্টস সেক্টরকে অস্থির করে তুলছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের যেকোনো ন্যায্য দাবি মালিকপক্ষ মানতে রাজি রয়েছে। ত্রিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে গার্মেন্টস সেক্টরের সকল সমস্যার সমাধান করে দেশের অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ করা সম্ভব।
গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ টেক্সাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন আয়োজিত আসন্ন বাজেটে ‘গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিশেষ বরাদ্দ' শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইলের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ।
গার্মেন্টস শ্রমিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবুল হোসাইন, লামা ফেরদৌস, মাসুদ রানা, এম দেলোয়ার বাবুল আকতার, শামীমা নাসরিন, লাভলী ইয়াসমিন প্রমুখ।
এ কে আজাদ বলেন, বিভিন্ন সময় অকারণে ভাল গার্মেন্টসগুলোতে হামলা করা হচ্ছে। এসব হামলায় শ্রমিক নেতাদের দায়ী করে মামলা দেয়া হয়। ভিত্তিহীন এসব মামলার কারণে গার্মেন্টস সেক্টর আরো অস্থির হয়ে উঠছে। এসব মামলা শিল্পের স্বার্থে প্রত্যাহার করতে হবে। ভাংচুর অস্থিরতার সাথে প্রকৃত গার্মেন্টস শ্রমিক অথবা শ্রমিক নেতারা জড়িত নয়। দেশী-বিদেশী একটি চক্র নানা ষড়যন্ত করে গার্মেন্টস সেক্টরকে ধ্বংস করছে। তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। এদের চিহ্নিত করতে না পারলে এ সেক্টর আমাদের হাত ছাড়া হয়ে যাবে। দেশের বাজার নষ্ঠ করতে এই মহলটি নানা অপকর্ম করে চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গার্মেন্টস সেক্টরের বর্তমান সমস্যা সমাধান করতে ত্রিপাক্ষিক আলোচনার প্রয়োজন।
প্রবন্ধকার মাহবুবুর রহমান বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকরা দেশের উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে। অথচ তাদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকারের কোনো মাথা ব্যথা নেই। বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। স্বল্প আয়ের এসব শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা দরকার। একই সাথে তাদের জন্য ফ্রি আবাসনের ব্যবস্থা করতে দাবি জানান তিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি যদি মেনে না নেয়া হয় তাহলে গার্মেন্টস সেক্টরে ষড়যন্ত্রকারী সক্রিয় থাকবে। এ সেক্টরকে বাঁচিয়ে রাখতে শ্রমিকদের দাবিসমূহ মেনে নিতে হবে।

