Quantcast
ঢাকা, শনিবার 16 June 2012, ০২ আষাঢ় ১৪১৯, ২৫ রজব ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৫৪২ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

বিদ্যুতের দাবিতে সিলেট নগরীতে সড়ক অবরোধ

পুলিশের গাড়িসহ ৩টি গাড়ি ভাংচুর || সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত ৪

শেখঘাট খুলিয়াটুলা এলাকায় বিদ্যুতের দাবিতে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে ক্ষুব্ধ জনতা (বামে), বিদ্যুতের দাবিতে সড়ক অবরোধকারী ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি ধাওয়া করে (ডানে)

সিলেট ব্যুরো : বিদ্যুতের দাবিতে নগরীর লামাবাজার পয়েন্ট থেকে তালতলা পয়েন্ট পর্যন্ত একটানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা ভিআইপি সড়ক অবরোধ করে রাখে স্থানীয়, ব্যবসায়ী ও ঐ এলাকার লোকজন। তারা সড়কের মাঝখানে টায়ার জ্বালিয়ে ও বেঞ্চ এবং বাঁশ ফেলে রাস্তা বন্ধ করে দেয়।

বিক্ষুব্ধ জনতা সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মিস বীণা দাসের একটি ডাবল কেবিন পিকআপ ভ্যানসহ দু'টি সিএনজি অটোরিকসা ভাংচুর করে। দীর্ঘক্ষণ সড়ক অবরোধের ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের দু'পয়েন্টে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতার হামলায় বীণা দাসের দেহরক্ষী জুয়েল আহমদ, সেলিম আহমদ ও গাড়ি চালক অনন্ত পাল এবং দৈনিক জালালাবাদের ফটো সাংবাদিক বেলায়েত হোসেন আহত হন।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা ঐ এলাকার বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার বিকল থাকায় লামাবাজার, কুয়ারপাড়, শেখঘাট,  তালতলা এলাকায় একটানা প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন ছিল। গত প্রায় ৩ দিন থেকে ঐ সব এলাকায় মাঝে মধ্যেই বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ায় এমন খেলা চলছিল। এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে আসেন এলাকার লোকজনসহ ব্যবসায়ীরা। তারা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান অবরোধ চলাকালে জোরপূর্বক যেতে চাইলে বিক্ষুব্ধ জনতা গাড়িটি ভাংচুর করে। ঐ সময় পিকআপটিতে কোনো পুলিশ ছিল না। চালক অনেকটা জোর করে যেতে চাইলে জনতা গাড়িটি ঘুরিয়ে অন্য সড়ক দিয়ে চলে যাওয়ার জন্য পুলিশের ঐ চালককে বার বার অনুরোধ করলে তিনি তা না মেনে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা গাড়িটি ভাংচুর করে। এছাড়া ঐ সময় আরো দু'টি সিএনজি অটোরিকশা ভাংচুর করে বলে জানা গেছে।

এদিকে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুনরায় সচল হলে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুব্ধ জনতা। সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন গতকাল শুক্রবার বিকেলে দৈনিক সংগ্রামকে জানান, পুলিশের গাড়ি ভাংচুর ও পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার প্রেক্ষিতে গাড়ির চালক অনন্ত পাল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩শ' জনকে আসামী করে এসএমপির কোতোয়ালী থানায় একটি এসল্ট মামলা দায়ের করেন।