Quantcast
ঢাকা, মঙ্গলবার19 June 2012, ৫ আষাঢ় ১৪১৯, ২৮ রজব ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৪২২ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

অধ্যাপক গোলাম আযমের অভিযোগ পুনর্বিবেচনা ও মামলা স্থানান্তরের আবেদন দু'টিই খারিজ

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) এবং ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলা স্থানান্তরের আবেদন দু'টিই খারিজ করে দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক গতকাল বিকেলে এ সংক্রান্ত ২টি আদেশ প্রদান করেন। গত ৫ ও ৬ জুন এই দুইটি আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে পরে আদেশ দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল।

ট্রাইব্যুনাল স্থানান্তর আবেদন খারিজ করে দেয়া আদেশে বলা হয়, যে পটভূমিতে ট্রাইব্যুনাল স্থানান্তরের আবেদন করা হয়েছে সেটা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার এক আদেশে তার নিত্তি করা হয়েছে। স্থানান্তরের আবেদন মূলত ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যানকে বিচারিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখারই আবেদন। মাওলানা সাঈদীর ঐ আবেদন ইতোমধ্যে নিত্তি হয়েছে বিধায় সেই গ্রাউন্ড এক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আসামী গোলাম আযমের অবিচারের শিকার হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ ট্রাইব্যুনালের আরো ২ জন সদস্য আছেন। প্রত্যেকেই স্বাধীন এবং নিজস্ব মতামত দেয়ার অধিকারী।

রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়ে প্রদত্ত আদেশে বলা হয়, চার্জ গঠন করা হয়েছে ফর্মাল চার্জ, তদন্ত রিপোর্ট, অন্যান্য কাগজপত্র ও ডকুমেন্টের ভিত্তিতে। আসামী নির্দোষ না দোষী সেটা প্রমাণ হবে সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরার মাধ্যমে। এই পর্যায়ে অভিযোগগুলো বাদ দেয়ার কোনো কারণ নেই। আদেশে আরো বলা হয়, এটা সুপ্রতিষ্ঠিত যে অধ্যাপক গোলাম আযম জামায়াতে ইসলামীর পূর্ব পাকিস্তানের আমীর ছিলেন এবং এই দল ও তার ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। ৯ মাসের যুদ্ধকালে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর সহায়তায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। এসব বাহিনীর সদস্য ছিল জামায়াত এবং ছাত্রসংঘের সদস্যরা। আর তার নেতৃত্বে ছিলেন গোলাম আযম। এ ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি সুনির্দিষ্ট হত্যার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। সুতরাং এই পর্যায়ে এসে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

এই আদেশ দেয়ার সময় অধ্যাপক গোলাম আযম আদালতে ছিলেন না। তার আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।