|
|
মাওলানা সাঈদীর অনুপস্থিতে আবারো শুরু হয়েছে জেরা
শহীদুল ইসলাম : মধুসুধন ঘরামীর স্ত্রী শেফালী বেগমের বর্তমান অবস্থান জানার জন্য তদন্ত কমকর্তা হেলাল উদ্দিন শেফালীর বাবার বাড়ি বা তার গ্রামেও খবর নেননি। ভারতে চলে গেছে বলে সাক্ষ্য প্রদানকালে উল্লেখ করা হলেও পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি সদর দফতর বা পুলিশ সদর দফতরেও কোন পত্র দেননি তদন্ত কর্মকর্তা। এমনকি মধুসুধন ঘরামীর ভাতিজীকে সাক্ষী করা হয়নি এবং আশপাশের বাড়ির কাউকেও সাক্ষী করা হয়নি। ঐ গ্রামের ষাটোর্ধ্ব কোন ব্যক্তিকেও সাক্ষী হিসেবে হাজির করা হয়নি। অথচ মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে এই শেফালী ঘরামীর ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। কাছের লোকদের সাক্ষী না করা এবং যথাযথ অনুসন্ধান না করাতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে বিশ্ব বরেণ্য এই মোফাসসিরে কুরআনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা কত জঘন্য মিথ্যা বানোয়াট ও সাজানো ঘটনা।
কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর মাওলানা সাঈদীর মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনের জেরা গতকাল রোববার পুনরায় শুরু হলে বেরিয়ে আসে এসব তথ্য। গতকাল সকাল সোয়া ১১টা থেকে শুরু করে বেলা ২টা পর্যন্ত হেলাল উদ্দিনকে জেরা করেন মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম ও মনসুর আহমেদ আনসারী। তাদেরকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার তানভীর আল আমিন, আবু বকর সিদ্দিক, শিশির মনির প্রমুখ। মারাত্মক হৃদ রোগে আক্রান্ত মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী বর্তমানে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই চলছে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার বিচার কার্যক্রম। আগামী বৃহস্পতিবার পুনরায় তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনের জেরার দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি আনোয়ারুল হক ও একে এম জহির আহমেদ।
তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে গতকাল রোববার যেসব জেরা করা হয় তার বিবরণ নিম্নরূপ :
প্রশ্ন : প্রদর্শনী-৩৭ এ উল্লেখিত এল এর অস্তিত্ব প্রদর্শনী ৩৬-এ নেই।
উত্তর : টাইপ মিসটেক হয়েছে। অক্ষরটি হবে জে।
প্রশ্ন : মধুসূধন ঘরামী বর্তমানে যে বাড়িতে থাকে সেটা কি তার নিজের বাড়ি?
উত্তর : জি, নিজের বাড়িতে থাকে। ঐ বাড়ির অংশবিশেষ তার মৃত ভাইয়ের বাড়ি। এখন পুরো বাড়িটাই মধু ঘরামীর বাড়ি বলে পরিচিত।
প্রশ্ন : মধু ঘরামীর সাথে আপনার সর্বপ্রথম কবে সাক্ষাৎ হয়।
উত্তর : ৩-১১-২০১০ তারিখে তার বাড়িতেই সাক্ষাৎ হয়।
প্রশ্ন : প্রদর্শনী ৩৬-এ উল্লেখিত ছবিটি কিসের?
উত্তর : মধু ঘরামীর বাড়ি।
প্রশ্ন : বাড়ির দক্ষিণ দিকে একটি এ্যারো দেয়া আছে। এটা দিয়ে কি বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর : বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা দেখানো হয়েছে।
প্রশ্ন : রাস্তার দক্ষিণে যে জায়গাটি দেখানো হয়েছে তা হোগলাবুনিয়া গ্রাম।
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : জে দিয়ে একটি রাস্তা বোঝানো হয়েছে।
উত্তর : জি, সরু রাস্তা।
প্রশ্ন : দু'টি সরু রাস্তার মধ্যে কি বসতবাড়ি আছে?
উত্তর : জি, আছে।
প্রশ্ন : অনুমান কতটি বসতবাড়ি আছে?
উত্তর : আমার রেকর্ডে নেই।
প্রশ্ন : সি.ডি,ই চিহ্নিত বাড়ি যথাক্রমে তরনী সিকদার, হরলাল কর্মকার এবং প্রকাশ সিকদারের বাড়ি। এই বাড়ির মধ্যে অন্যকোন বাড়ি আছে কি না?
উত্তর : না, অন্য কোন বাড়ি নেই।
প্রশ্ন : আশপাশে তো আরও বাড়িঘর আছে?
উত্তর : আমার রেকর্ডে নেই।
প্রশ্ন : হরলাল মালাকার এবং হরলাল কর্মকার তো একই ব্যক্তি?
উত্তর : জি , না।
প্রশ্ন : মধুসূধন ঘরামীর বাড়ি থেকে সি চিহ্নিত বাড়ির দূরত্ব কত?
উত্তর : অনুমান কোর্টার কিলোমিটার।
প্রশ্ন : সি চিহ্নিত বাড়ি থেকে সরু রাস্তা ধরে কত দূরে গিয়ে হোগলাবুনিয়া গ্রাম শেষ হয়েছে।
উত্তর : দক্ষিণে অনুমান ২ কিঃ মিঃ।
প্রশ্ন : এই গ্রামের মধ্যে হরলাল মালাকারের বাড়ি নেই।
উত্তর : জি, নেই।
প্রশ্ন : এ সি ডি ই চিহ্নিত বড় রাস্তা পূর্ব দিকে চলে গেছে?
উত্তর : জি, বড় রাস্তা।
প্রশ্ন : এর পূর্ব দিকে পারেরহাট বাজার?
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : এফ চিহ্নিত দোকানের মালিক কে?
উত্তর : মোস্তফা হাওলাদারের দোকান।
প্রশ্ন : তিনি কি এই মামলায় সাক্ষী আছেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : এফ চিহ্নিত স্থানের দক্ষিণে জি চিহ্নিত যাত্রী ছাউনি?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : এফ এবং জি চিহ্নিত স্থানের মধ্যে দূরত্ব কত?
উত্তর : পাশাপাশি, দূরত্ব উল্লেখ নেই নোটে।
প্রশ্ন : এইচ চিহ্নিত বরফ কলের মালিক কে?
উত্তর : আবুল খান।
প্রশ্ন : তিনি কি এই মামলায় সাক্ষী আছেন? তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন?
উত্তর : সাক্ষী নাই, জিজ্ঞাসাবাদও করি নাই।
প্রশ্ন : হোগলাবুনিয়া গ্রামের দক্ষিণ দিকে কর্মকার পাড়া দিয়ে পারেরহাট বাজারের শুরু?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : সি চিহ্নিত স্থান (তরনী সিকদারের বাড়ি) থেকে এফ চিহ্নিত (মোস্তফা হাওলাদারের বাড়ি) স্থান উত্তর-পূর্ব দিকে কতটা দূরে?
উত্তর : কোয়ার্টার কিলোমিটার।
প্রশ্ন : সি ডি ই এফ বাড়িগুলো যাদের তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন?
উত্তর : ৩ জনই মারা গেছেন।
প্রশ্ন : এই ৩ পরিবারের বা তাদের বাড়ির আশপাশের বাড়ির সদস্যদের কাউকে আপনি জিজ্ঞাসাবাদ করেননি?
উত্তর : তরনী সিকদারের বড় ছেলে কেষ্ট সিকদারকে (৪৭) জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। সাক্ষী করি নাই। প্রকাশ সিকদারের এক ছেলে আছে। তার বয়স আরো কম বিধায় তাকে সাক্ষী করি নাই।
প্রশ্ন : আপনি যখন তদন্ত করেন তখন ঐ ৩ জনের স্ত্রী জীবিত ছিলেন কি না?
উত্তর : তরনীর স্ত্রী মারা গেছে। হরলাল কর্মকারের স্ত্রী ও প্রকাশ সিকদারের স্ত্রী আমার সামনে আসেনি বিধায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করি নাই।
প্রশ্ন : আপনার নোটে আছে যে উনারা আপনার সামনে আসে নাই?
উত্তর : সামনে আসে নাই কথাটি নোটে নেই।
প্রশ্ন : কেষ্ট সিকদারের বয়স ১৯৭১ সালে কত ছিল? তার সাথে কত তারিখে কথা বলেছেন?
উত্তর : ৩/১১/২০১০ তারিখে।
প্রশ্ন : গণেশ চন্দ্র সাহা নামে এক ব্যক্তিকে আপনি সাক্ষী করেছেন যার বয়স ৪৭ এরও কম?
উত্তর : ৬/৪/১১ তারিখে জিজ্ঞাসাবাদ করি। তখন তার বয়স ছিল ৪০ বছর।
প্রশ্ন : গণেশের মায়ের নাম ভাগিরথী। ঐ বাড়ি থেকে যেখানে তাকে হত্যা করা হয় ঐ স্থানের দূরত্ব কত?
উত্তর : আমার রেকর্ডে নেই।
প্রশ্ন : হরলাল কর্মকার এবং প্রকাশ সিকদারের স্ত্রী ছাড়া সি ডি ই চিহ্নিত বাড়িগুলোর আশপাশে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যাদের বয়স ১০ বা তার বেশি ছিল আপনি তদন্তকালে এরূপ কতজনের নাম পেয়েছেন?
উত্তর : ঐ ভাবে আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : এই ৩টি বাড়ির আশপাশে ৬০ বছর বয়সী কোন লোককেই খুঁজে পাননি?
উত্তর : মৃত শ্যামল কান্ত সিকদার তার স্ত্রী কালী, তিনি চলাফেরা করতে পারেন না।
প্রশ্ন : ৬০ বছর বয়সী কোন পুরুষ লোক পাননি?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : মধুসূদন ঘরামীর স্ত্রী শেফালী ঘরামীকে যখন ধর্ষণ করা হয় তার আগ মুহূর্তে নিকুঞ্জ ঘরামীর স্ত্রী ঐ বাড়িতে উপস্থিত ছিল?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : তিনি এখন পর্যন্ত ঐ বাড়িতেই বসবাস করেন?
উত্তর : জি, তবে তিনি অসুস্থ। ৪ বছর ধরে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত।
প্রশ্ন : ঐ বাড়িতে মধু ঘরামী এবং নিকুঞ্জ ঘরামীর স্ত্রী ছাড়া আর কেউ বসবাস করেন না।
উত্তর : মধু ঘরামীর ভাতিজী নিকুঞ্জর কন্যা আছে। সে বসবাস করে।
প্রশ্ন : মধু ঘরামী যে বাড়ি বিক্রি করেছে তার মধ্যে তার ভাই নিকুঞ্জ ঘরামীর সম্পত্তিও রয়েছে?
উত্তর : জমাজমি বিক্রি সংক্রান্ত কোন বিষয় আমি জানি না।
প্রশ্ন : বি'চিহ্নিত বাড়ির মালিক পান্না মেম্বারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন?
উত্তর : জি, না।
প্রশ্ন : তার বাড়িটি মধুসুদন ঘরামীর বাড়ির লাগোয়া পশ্চিমে?
উত্তর : একেবারে লাগোয়া না, মাঝখানে ছোট একটি খাল আছে।
প্রশ্ন : আপনার স্কেচ ম্যাপে কোন খালের চিহ্ন নেই?
উত্তর : জি, নেই।
প্রশ্ন : মধু ঘরামীর বাড়ির পূর্ব দিকে কে লাগোয়া বাড়ি তা হলো শহিদ উদ্দিনের পুত্র সুবহান ও সুলতানের বাড়ি?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : মধু ঘরামীর বাড়ির সাথে লাগোয়া পূর্বদিকে দু'টো বাড়ি আছে?
উত্তর : জি, আছে।
প্রশ্ন : তার বাড়ির সাথে লাগোয়া উত্তর দিকে দলিল লেখক মোহর আলীর বাড়ি আছে?
উত্তর : একটি বাগানবাড়ি আছে। তবে তা মোহর আলীর কি না তা আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : যে ৩টি বাড়ির কথা বললাম তার কাউকেই আপনি সাক্ষী করেননি?
উত্তর : জি, না করি নাই। তবে ঐ বাড়িগুলো নতুন। ১৯৭১ সালে বাড়িগুলো ছিল না।
প্রশ্ন : মঘুসুদন ঘরামীর বাড়িসহ নিজের জমি সুবহান ও সুলতানের কাছে ১৯৭১ সালের ২ বছর আগেই বিক্রি করে দিয়েছে এবং তার থেকেই তারা ঐ স্থানে ঘর তৈরি করে বসবাস করছে। এটা আপনি জানা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করছেন?
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : মধুসুধন ঘরামীর বাড়ি হোগলাবুনিয়া গ্রামের উত্তর দিকে ভিন্ন গ্রামে?
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : মধুসুধন ঘরামী বর্তমানে যে ঘরে বাস করে সেই ঘরের সাথে আর কোন ঘর নেই?
উত্তর : একটিই ঘর।
প্রশ্ন : মধুসুধন ঘরামী বর্তমানে যে ঘরে বসবাস করে ১৯৭১ সালে সেই ঘরেই তিনি বসবাস করতেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : মধু ঘরামীর স্ত্রী (নিকুঞ্জর স্ত্রী) কি ১৯৭১ সালে এই ঘরেই বসবাস করতেন না অন্য ঘরে বসবাস করতেন?
উত্তর : একই ঘরে বসবাস করতেন।
প্রশ্ন : নিকুঞ্জ ঘরামীর মেয়ের নাম কি যে ঐ বাড়িতে এখন বসবাস করে?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : মধু ঘরামীর সাথে এই ট্রাইব্যুনালে তার যে নাতনী এসেছিল তার নাম কি?
উত্তর : জানি না।
প্রশ্ন : মধু ঘরামীর ভাতিজীকে কি জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তার কাকীমা ভারতের কোন এলাকায় থাকে?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : মধু ঘরামীর শ্বশুর বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার কচুবুনিয়া গ্রামে তার শ্বশুর শ্রীনাথ সিকদার এবং তার ছেলে কার্তিক সিকদারকে বা ঐ গ্রামের অন্য কাউকে শেফালী ঘরামীর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন কি না?
উত্তর : না, আমি বাগেরহাট যাইনি।
প্রশ্ন : শেফালী ঘরামীর অস্তিত্ব জানার জন্য ভবানী ভবন কলকাতার সিআইডি অফিসে কোন চিঠি দিয়েছিলেন?
উত্তর : জি, না।
প্রশ্ন : পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সদর দফতর লালবাজারে কোন চিঠি দিয়েছিলেন শেফালী ঘরামীর অবস্থান জানান জন্য?
উত্তর : না।
প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে শেফালী ঘরামীর বয়স কত ছিল এই মর্মে কোন তথ্য নিয়েছেন?
উত্তর : আমার কাছে রেকর্ড নেই।
প্রশ্ন : মধুসুধন ঘরামীর বৌদি ছাড়া ঐ এলাকার ষাটোর্ধ কোন ব্যক্তিকে আপনি পেয়েছিলেন?
উত্তর : পেয়েছি এবং সাক্ষী করেছি।
প্রশ্ন : ২/১ জন মহিলার নাম বলুন?
উত্তর : ঊষা রানী মালাকারের নাম মনে আছে।
প্রশ্ন : তার বাড়ি কোথায়?
উত্তর : পারেরহাট।
প্রশ্ন : পারেরহাট হিন্দু পাড়া এবং কর্মকার পাড়া দু'টি আলাদা জায়গা?
উত্তর : দু'টি পাশাপাশি এলাকা।
প্রশ্ন : উমেদপুর হিন্দুপাড়া পারেরহাট বাজার থেকে পশ্চিম দিকে?
উত্তর : উত্তর-পশ্চিমে।
প্রশ্ন : টেংরাখালী ও উমেদপুর গ্রাম একেবারেই পাশাপাশি?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : প্রদর্শনী-৩৮ এ আই চিহ্নিত স্থানটি হলো পারেরহাট পুলিশ ক্যাম্প?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : জে চিহ্নিত স্থানটি হলো পারেরহাট রাজলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়?
উত্তর : জি। ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ছিল।
প্রশ্ন : আই চিহ্নিত বর্তমানের পুলিশ ক্যাম্পটি ১৯৭১ সালে কি ছিল?
উত্তর : বলতে পারবো না।
প্রশ্ন : পুলিশ ক্যাম্পটি রাজলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তর-পশ্চিমে?
উত্তর : জি, মাঝখানে একটি রাস্তা আছে।
প্রশ্ন : আপনার স্কেচ ম্যাপে ৩টা কে চিহ্ন দিয়ে পারেরহাট বাজার বুঝিয়েছেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : আপনি এ থেকে এইচ পর্যন্ত চিহ্নগুলো উমেদপুর হিন্দুপাড়ার বিভিন্ন বাড়ি দেখিয়েছেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : এ চিহ্নিত বাড়িটি অনিল মন্ডল, পিতা নকুল মন্ডলের বাড়ি?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : উনি বর্তমানে বেচে আছেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : অনিল মন্ডল ১৯৭১ সালে কি এই বাড়িতেই ছিলেন?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : অনিল মন্ডলের ছবি দিয়েছিলেন?
উত্তর : তার বাড়ির ছবি দিয়েছি।
প্রশ্ন : ১৯৭০ সালে বা ১৯৭৩ সালে অনিল মন্ডল ভোটার ছিলেন কি না?
উত্তর : যাচাই করি নাই। তবে তখন তার বয়স ছিল ৩৬ বছর।
প্রশ্ন : যখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তখন তার স্ত্রী ঘরে ছিল?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : বি চিহ্নিত স্থানটি হলো শেখর পিতা মোকেন ঠাকুরের বাড়ি। উনি বেচে আছেন কি না?
উত্তর : শেখর বর্তমানে বেচে আছে কি না তা আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : ঐ বাড়িতে আপনি কাকে কাকে পেয়েছেন?
উত্তর : মোকেম ঠাকুরের এক ছেলে মনি ঠাকুরকে (৩৫) পেয়েছি।
প্রশ্ন : তদন্তকালে মনি ঠাকুরের মা বেছে ছিলেন কি না?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : শেখরের বাড়ি থেকে অনিল মন্ডলের বাড়ি কোন দিকে কত দূরে?
উত্তর : পাশাপাশি।

