Quantcast
ঢাকা, মঙ্গলবার 10 July 2012, ২৬ আষাঢ় ১৪১৯, ১৯ শাবান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৩৩৫ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

ঐতিহ্যবাহী ছাত্রাবাস ছাত্রলীগের আগুনে ভস্মীভূত \ উল্টো ১২ শিবির কর্মী আটক

সিলেট এমসি কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

কবির আহমদ, সিলেট : অপরিণামদর্শীদের উন্মত্ত আগুনে সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রাবাসে আগুন দেয়ার ঘটনার পর এবার এমসি কলেজের ৪টি ব্লকের ৫০টি কক্ষ পুড়িয়ে দিল সিলেটের সশস্ত্র ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। এমসি কলেজ হোস্টেলে আগুন না, এ আগুন যেন সিলেটবাসীর ঐতিহ্যে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর থেকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, সিলেট সরকারি কলেজের ছাত্রাবাস, সর্বশেষ গত রোববার এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রাবাসে ৪টি ব্লকে ৫০টি কক্ষ পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিল ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। শুধুমাত্র একটি ব্লক পোড়ানো হয়নি সে ব্লকটি হল হিন্দু ব্লক নামে খ্যাত শ্রীকান্ত ব্লক। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের তান্ডবে বিবেকবান সিলেটবাসী হতবাক। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় কলেজ অধ্যক্ষ ধীরেশ চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাডেমিক বৈঠকে এ ব্যাপারে কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে হোস্টেল সুপারের পক্ষ থেকে শাহ পরাণ থানায় সাধারণ ডায়েরী, কলেজে ভাইস প্রিন্সিপাল হেলাল ভূঁইয়াকে আহবায়ক করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন এবং ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ, আজ (গতকাল সোমবার) ৬ টার মধ্যে ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেলে সবাইকে হল ত্যাগ করার নির্দেশ। বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তবে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিবিরের সাথে সংঘর্ষ ও ছাত্রাবাসে আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর টিলাগড় পয়েন্টে এসে ছাত্রলীগ নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একটি ব্যানার ছেড়াকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ বাধে। সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি শফিকুর রহমান চৌধুরীর অনুসারীরা প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে গুলী ছুঁড়ে। হেরোইন সম্রাট নামে খ্যাত যুবলীগ ক্যাডার কবির আহমদের সন্ত্রাসীরা মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রহমান রোমেল মাসুমসহ ৫ ছাত্রলীগ নেতা গুলীতে আহত করে। এ নিয়ে কমপক্ষে ৩০ ছাত্রলীগ কর্মী আহত ও ৭ রাউন্ড গুলী বর্ষণের খবর পাওয়া যায়।

গতকাল সোমবার এমসি কলেজ হোস্টেল সুপারের পক্ষ থেকে শাহপরান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। অপরদিকে এমসি কলেজে অর্থনীতি ২য় বর্ষের ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী শওকত হোসেন শাহীন বাদী হয়ে শিবিরের ৩৯ জন নেতাকর্মীকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছে। শাহপরান থানা পুলিশ ১২ জন শিবির কর্মীকে আটক করেছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গত রোববার সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগ শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের দেয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ছাত্রাবাস। এতে ছাত্রাবাসের ৪টি ব্লকের প্রায় ৫০টি রুমের আসবাবপত্র, বই, কম্পিউটার, সার্টিফিকেটসহ অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করেছেন। এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় শিবিরের কমপক্ষে ১০/১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ছাত্রাবাসের ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ব্লকে গান পাউডার দিয়ে আগুন দেয়। অসহায় ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা তখন দিগ্বিদিক ছুটাছুটি করতে থাকেন। অনেক শিক্ষার্থীদের কাপড়-চোপড়সহ মূল্যবান সব জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কয়েকজন ছাত্রের রুমে থাকা পবিত্র কুরআন শরীফও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একটি সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে ছাত্রাবাস থেকে শিবিরকে সরিয়ে দিতেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রাবাসের যেসব ব্লকে শিবির নেতাকর্মীরা অবস্থান করে সেসব ব্লকেই আগুন দেয়া হয়। এছাড়া সংঘর্ষের পরপরই ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ছাত্রাবাস থেকে চলে গেলে তাদের রুমে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র ও টাকা পয়সা ছাত্রলীগ লুটপাট করে বলে দাবী করেন শিবিরের নেতাকর্মীরা।

সূত্র জানায় গত রোববার সন্ধ্যায় ছাত্রশিবিরের ইংরেজী বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র জাহাঙ্গীরের সাথে কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতার তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর সূত্র ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে তখন ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ছাত্রাবাস থেকে ধাওয়া খেয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে টিলাগড়ে সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশী সহযোগিতায় ছাত্রাবাসে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফিরে এসে এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটায় ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় সবকিছু। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

এ ঘটনা সম্পর্কে এমসি কলেজ ছাত্র শিবিরের সভাপতি মনোয়ার হোসেন জানান, কোন প্রকার উসকানী ছাড়াই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আমাদের এক কর্মীর উপর হামলা চালায় এবং পরবর্তীতে ছাত্রাবাসের শিবির নেতাকর্মীদের রুমে লুটপাট করে এবং এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের মাধ্যমে সবকিছু শেষ করে দেয়। এসময় ছাত্রলীগের হামলায় পাঁচ শিবির কর্মী আহত হন বলে তিনি দাবি করেন। আহতরা হলেন শিবলুর রহমান শিপু, আকতারুল ইসলাম, কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম, মনোয়ার হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম। তবে এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের কোন নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের হল সুপার শ্রীকান্ত দাস জানান, কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে কিছু নেতাকর্মীরা এই অগ্নিকান্ডের সূচনা করে বলে তিনি দাবি করেন।

খবর পেয়ে র‌্যাব পুলিশের সহস্রাধিক সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা কর্ডন করে ফেলে। দমকল বাহিনী হোস্টেলে পৌঁছে ৪/৫ ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গত রোববার ১২টা পর্যন্ত রাত ১২টায় আগুন নেভানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিলো। র‌্যাব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মেয়র, কাউন্সিলরসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও ছুটে যান। রাত দশটায় এমসি কলেজের প্রিন্সিপাল ধীরেশ চন্দ্র সরকার আগুনে পুড়ে যাওয়া হোস্টেল পরিদর্শন করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। তবে প্রথমে আগুন নেভানো আমাদের মূল কাজ। এদিকে, শাহপরান থানার ওসি মনোয়ার জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মামলা হবে। দোষীদের গ্রেফতারের জন্য সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে। ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অগ্নিকান্ডে হোস্টেলের শতাধিক কক্ষ ও ছাত্রদের ব্যবহৃত আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। সন্ধ্যা ৬ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সহস্রাধিক র‌্যাব পুলিশ ভস্মীভূত হোস্টেল ক্র্ডন করে রেখেছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬ টায় এসএমপি ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সাউথ) আমিনুল ইসলাম দৈনিক সংগ্রামকে জানান, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় কলেজের হোস্টেল সুপারের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরীও ছাত্রলীগ কর্মী শওকত হোসেন শাহীন বাদী হয়ে ৩৯ জন শিবির নেতাকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পর্যন্ত শাহপরান থানা পুলিশ ১২ জন শিবির নেতাকর্মীকে আটক করেছে এবং টিলাগড় এলাকায় ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মহানগর ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বিকেল ৪টায় নগরীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। নগরীর চৌহাট্টা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জিন্দাবাজার এলাকায় এসে শেষ হয়। নগর শিবিরের সভাপতি আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শিবির নেতা আব্দুর রাজ্জাক, হোসাইন আহমদ, মাসুক আহমদ প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অগ্নিসংযোগে দায়ী ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করার জন্য জোর দাবি জানান। অন্যথায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলে বক্তারা হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

সিলেট জামায়াতের নিন্দা ও দোষীদের শাস্তি দাবি

একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন কর্তৃক শত বৎসরের ঐতিহ্যের স্বারক এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রাবাসে অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ ও ভাংচুরের তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করে এক যৌথ বিবৃতি প্রদান করেন সিলেট জামায়াত নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন-এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শিক্ষা জগতে ঐতিহ্যের এক স্মৃতি স্তম্ভ। ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাসে আবাসিক ছাত্র হিসাবে লেখা পড়া করে অগণিত ব্যক্তিবর্গ দেশ-জাতি, এমনকি আন্তর্জাতিকভাবে অনন্য অবদান রেখেছেন। সেই ঐতিহ্যের স্মারক এখন প্রতিহিংসার আগুনে পুড়ে একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনের অস্ত্রধারী উগ্রপন্থী সন্ত্রাসীরা প্রশাসনের ছত্রছায়ায় এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রাবাসে আগুন জ্বালিয়ে ধ্বংস্তূপে পরিণত করেছে। যা প্রত্যক্ষ করেছে শত শত সাধারণ মানুষ। সিলেটের সাংবাদিক বন্ধুগণ। ভাংচুর লুটতরাজ ও অগ্নিসংযোগে কারা জড়িত ছিল তা ভিডিও ফুটেজ ও স্থির ক্যামেরায় ছবি দেখলেই সহজে সনাক্ত করা যাবে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন-অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় ঘটনা শুরুর সাথে সাথে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দকে করুণভাবে এ ধ্বংসযজ্ঞ থামাতে অনুরোধ করলেও কেহই তাতে  সাড়া দেননি। অবস্থাদৃষ্টে প্রতীয়মান হয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নিকট বিবেক যেন স্তব্ধ হয়ে যায়। ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীদের গায়ে পড়ে সংঘাত বাধিয়ে লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ছাত্রলীগের নেশায় পরিণত হয়েছে। ইতিপূর্বে সিলেট সরকারি কলেজ ইতিপূর্বে সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রাবাসে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। সরকারী কলেজ ছাত্রাবাসে এখন আর কোন ছাত্র নেই। আছে মাদক সেবী নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের আবাস। চলছে অবাধে অসামাজিক কার্যকলাপ। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হাজার হাজার ছাত্রের আবাসিক ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমানে আছে মাত্র কয়েক শত ছাত্র। এভাবে পরিকল্পিতভাবে সিলেটের শিক্ষাঙ্গনগুলিকে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেটের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধরে রাখতে হলে সন্ত্রাস নির্ভর প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে শিক্ষাবিধ, সামাজিক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ সুশীল সমাজকে। তারা শত বৎসরের ঐতিহ্যবাহী এমসি ছাত্রাবাসে হামলাকারী দায়ী ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করেন।

বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হলেন-জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মহানগরী নায়েবে আমীর ডা: সায়েফ আহমদ, সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম শাহীন, দক্ষিণ জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, উত্তর জেলা আমীর হাফিজ আনোয়ার হোসাইন খান, সেক্রেটারি মাওলানা ইসলাম উদ্দিন।