Quantcast
ঢাকা, বুধবার 11 July 2012, ২৭ আষাঢ় ১৪১৯, ২০ শাবান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ১১৭ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

সেরা মূসক দাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী

মূসক আইন পাসের আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে

স্টাফ রিপোর্টার : অথমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আইন-২০১০ মন্ত্রিসভায় পাস করার পরেও কিছু বিষয়ে ব্যবসায়ীরা একমত হতে পারেনি। তাই সকল মহলে নতুন মূসক বা ভ্যাট আইনটি গ্রহণযোগ্য করতে এটি চূড়ান্তভাবে পাসের আগে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় ভ্যাট দিবস উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এনবিআর সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহান আরা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, এফবিসিসিআই সভাপতি একে আজাদ। অনুষ্ঠানে এনবিআর সদস্য মো. ফরিদ উদ্দিন ‘বাংলাদেশে মূসক ব্যবস্থার তাত্বিক ও প্রায়োগিক মানদন্ডে এর সীমাবদ্ধতা ও তা উত্তরণের উপায়' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

২০১০-১১ অর্থবছরে জাতীয় ও  জেলা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি ভ্যাট প্রদানের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ১৩৪ জন ব্যবসায়ীকে সম্মাননা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এনবিআর। অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে সেরা ৯টি প্রতিষ্ঠান এবং বৃহত্তর ঢাকা বিভাগের ২৭টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অর্থমন্ত্রী। বাকীদের জেলা পর্যায় থেকে সম্মাননা দেয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব আহরণকারী এবং দাতাদের মধ্যে মেলবন্ধন গড়ে তুলতে হবে। করদাতাদের একটি খাতায় আসতে হবে। প্রস্তাবিত মূসক আইনে যে প্রবিধান রাখা হয়েছে, তাতে ২০১৫ সালের মধ্যে এটি সম্ভব হবে।

তিনি এ সময় অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ দু'এক বছরের মধ্যে ২০ শতাংশে এবং জাতীয় আয় ১১ দশমিক ২ শতাংশে গিয়ে পৌঁছাবে বলে জানান। জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাট সুবিধা নিশ্চিত করতে আমাদের মূসক একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এক সময় বহির্বাণিজ্য এবং আবগারি শুল্ক রাজস্ব আদায়ের প্রধান খাত ছিলো। কিন্তু তা এখন পাল্টে যাচ্ছে। এক সময় হয়তো এসব খাতে রাজস্ব থাকবে না।

মূসক আইন নিয়ে প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আরো আলোচনা করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিসভায় যখন মূসক আইন পাস হয় তখনই কিছু বিতর্কিত বিষয় নজরে এসেছে। এগুলো দূর করা হবে।

একে আজাদ বলেন, প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আরো আলোচনা করা দরকার। তিনি এ সময় সর্বোচ্চ মূসক দাতাদের সম্মানিত করার পাশাপাশি এনবিআরের সৎ কর্মকর্তাদের সম্মাননা দেয়ার প্রস্তাব করেন।

জাতীয় পর্যায়ে সেবার মূসক প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে অলিম্পিক বিস্কুট লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড, তিতাস গ্যাস ফিল্ড, কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড, ট্রান্সকম বেভারেজ, উত্তরা মোটরস, এএসপি বেভারেজ, ডিএইচএল এক্সপ্রেস, রশিদপুর কনডেন্স মিল্ক লিমিটেড। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অর্থমন্ত্রীর কাছ  থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ২ জুন মূসক অধ্যাদেশ জারি করা হয়। একই বছরের ১০ জুলাই এটি আইন হিসেবে জাতীয় সংসদে পাস হয়। এরপর ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় মূসক দিবস ও মূসক সপ্তাহ পালন করা হয়।