Quantcast
ঢাকা, শনিবার 14 July 2012, ৩০ আষাঢ় ১৪১৯, ২৩ শাবান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৪৪৩ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

শ্রমিকদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন -নাজির আহমদ

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে ট্রেড ইউনিয়ন লিডার সম্মেলন-২০১২ অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক একেএম নাজির আহম্মদ-সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক একেএম নাজির আহমদ বলেছেন, শ্রমিকদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। পূর্ণাঙ্গ ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা না হলে কোন শ্রেণীর মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তনে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থার জন্য কাজ করতে তিনি শ্রমিকদের প্রতি আহবান জানান।

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ট্রেড ইউনিয়ন লিডারদের জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। আরও বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি গোলাম রববানী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খানসহ বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

নাজির আহমদ বলেন, ট্রেড ইউনিয়ন অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে এবং এটি কখনো কোন মতবাদের বাইরে ছিল না। এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী ট্রেড ইউনিয়ন। শ্রমিকদের আচার-আচরণে এবং কথা ও কাজে মিল থাকতে হবে। বিদ্যমান স্রোতের সাথে ভেসে গেলে হবে না, স্রোতের বিপরীতে ব্যতিক্রম হতে হবে। তাহলে আকর্ষণ সৃষ্টি করা যাবে।

তিনি বলেন, শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। পূর্ণাঙ্গ ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা না হলে কোন শ্রেণীর মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না। মানবাধিকারও প্রতিষ্ঠা হবে না। শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা চালু করতে হলে অবশ্যই ইসলামের বিধি-বিধান মানতে হবে। ইসলামের মাঝামাঝি পর্যায়ে চমৎকার বিধান রয়েছে। এ বিধান কায়েম না হওয়া পর্যন্ত শোষণ, অত্যাচার ও জুলুম-নির্যাতন দূরীভূত হবে না। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বন্ধু অধ্যাপক গোলাম আযম, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মুজাহিদসহ আটককৃত জামায়াত নেতৃবৃন্দ সবাই শ্রমিকদের বন্ধু। সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ এনে তাদের প্রতি জুলুম করা হচ্ছে। অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেয়ার জন্য তিনি দাবি জানান।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ফ্যাসিবাদী জুলুমের সমাজ ব্যবস্থা পরিবর্তন করে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করতে না পারলে শ্রমিক সমাজে শান্তি আসবে না। সবাইকে সাথে নিয়ে এ সমাজ ব্যবস্থা পরিবর্তন করার জন্য শ্রমিকদের মধ্যে কাজ করতে হবে। আর এ কাজে লিডারদেরকে শ্রমিকদের বন্ধু হয়ে তাদের নির্দেশনা দিতে হবে। তিনি ট্রেড ইউনিয়নের ইতিহাস তুলে ধরে এর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বর্ণনা করেন।

সম্মেলনে ট্রেড ইউনিয়ন রিপোর্ট পেশ করেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান, প্রস্তাবাবলী পেশ করেন বাংলাদেশ ব্যক্তিমালিকানাধীন স্টীল রি রোলিং মিলস শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হাসেম।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খান গোলাম রসুল, সভাপতি বাংলাদেশ চাতাল শ্রমিক কল্যাণ ইউনিয়ন, এডভোকেট এসএম আব্দুল হাই সহ-সভাপতি পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, মুঃ সেলিম পাটোয়ারী সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ লীগ, রফিকুল ইসলাম সভাপতি ইসলামী ব্যাংক শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ ইউনিয়ন, এসএম লুৎফর রহমান সভাপতি চট্টগ্রাম সদর অঞ্চল, নজরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক বিটিসিএল শ্রমিক কর্মচারী আদর্শ ফেডারেল ইউনিয়ন, আব্দুস সাত্তার সেক্রেটারি স্টীল রি-রোলিং মিলস এনগঞ্জ, মো. রুহুল আমীন সভাপতি ধর্মপাল রিকশা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন নীলফামারী, আলাউদ্দিন সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, আমিনুল ইসলাম হাসান সভাপতি হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন কক্সবাজার, কোমল সরকার সেক্রেটারি শেরপুর দর্জি শ্রমিক ইউনিয়ন প্রমুখ।