|
|
ক্যামেরা ট্রায়াল ও দ্বিতীয় সাক্ষীর জেরা প্রসঙ্গ
স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার পক্ষে তার আইনজীবীদের দু'টি রি-কল আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-২। গতকাল সোমবার কাদের মোল্লার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক এই দু'টি রি-কল আবেদন করেন। প্রথম আবেদনটি ছিল কাদের মোল্লার মামলার দ্বিতীয় সাক্ষী শহিদুল হক মামাকে পুনরায় জেরা করার আবেদন, আর দ্বিতীয় আবেদনটি ছিল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে দু'জন নারী সাক্ষীর ক্যামেরা ট্রায়ালে একজনের সাক্ষীর ক্যামেরা ট্রায়ালের সিদ্ধান্ত পুন: বিবেচনা করে তা বাতিল করে স্বাভাবিক ট্রায়ালের আওতায় নিয়ে আসা প্রসঙ্গে।
এদুটি আবেদন করে শুনানিতে ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যেহেতু কাদের মোল্লার দ্বিতীয় সাক্ষী শহিদুল হক মামাকে এই মামলারই কিছু ভিডিও ডকুমেন্টরী দেখানো দরকার এবং সে আলোকে তাকে পুনরায় জেরা করা প্রয়োজন। আর দ্বিতীয় আবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দু'জন নারী সাক্ষীর একজন সাক্ষী রুকসানা বেগম যেহেতু তিনি নিজে শ্লীলতাহানীর শিকার হননি বা তার পরিবারের কেউও হননি কাজেই তাকে ক্যামেরা ট্রায়ায়ের মধ্যে নিয়ে আসার কোন যুক্তি থাকতে পারে না। তাই রুকসানা বেগমকে ক্যামেরা ট্রায়ালের আওতায় রাখার কোন প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমরা মনে করি না।
কিন্তু ট্রাইব্যুনাল তার আদেশে বলেন, যেহেতু দ্বিতীয় সাক্ষী শহিদুল হক বর্তমানে সুইডেনে চলে গেছেন এবং তিনি শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ তাই তাকে দেশে পুনরায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। এছাড়া তাকে এর আগে প্রয়োজনীয় জেরাও করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় আবেদনের বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, সাক্ষী রুকসানা একজন নারী। তার প্রাইভেসী নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া তিনি নিজে একজন পর্দানশীল মহিলা । এর আগে ক্যামেরা ট্রায়ালের বিষয়ে এই ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলেও ডিফেন্স পক্ষ থেকে তখন কোন আপত্তিও জানানো হয়নি। কাজেই এক্ষেত্রে আগের আদেশই বহাল থাকবে। পরে ট্রাইব্যুনাল ডিফেন্স পক্ষের দু'টি রি-কল আবেদনই খারিজ করে দেয়।

