Quantcast
ঢাকা, মঙ্গলবার 24 July 2012, ৯ শ্রাবণ ১৪১৯, ৪ রমযান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ২৫৩ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

বগুড়া মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের হামলায় ১০ ছাত্রদল কর্মী আহত

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের হামলায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতিসহ কমপক্ষে ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন

বগুড়া অফিস : বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের হামলায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতিসহ কমপক্ষে ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা হোস্টেল ও ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রদলের নেতার্মীদের তাড়িয়ে দিয়ে পুরো ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ডা. এমএম নাসিমুজ্জামান প্রায় ২০জন নেতাকর্মীকে নিয়ে কলেজ ক্যান্টিনে বৈঠক করছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের ক্যাডাররা সেখানে গিয়ে তাদের বেরিয়ে যেতে বলে। এ নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাক-বিতান্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষই বাইরে থেকে সন্ত্রাসীদের ডেকে নেয়। এরপর তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে একাংশ ছাত্র হোস্টেলে এবং অপর অংশ ক্যাম্পাসের বাইরে চলে যায়। এ সময় ছাত্রলীগের ক্যাডাররা হোস্টেলে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কলেজ ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক জাহিদ হাসান ও কর্মী রায়হান, মাহি হোসেন মারাত্মক আহত হন। হামলার সময় ছাত্রদলের নেতার্মীরা ভয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে চলে যায়।

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাবুল আলম পিপলু জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ছাত্রলীগের বহিরাগত ক্যাডাররা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে ঢুকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কুপিয়ে আহত করেছে। তাদের হামলায় কলেজ শাখার সভাপতিসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। তবে, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাশরাফী হিরো অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কলেজ চলাকালীন সময়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছিলো। সে সময় ছাত্রলীগ কলেজ কমিটির সভাপতি তাদের বৈঠকের বিষয়বস্তু জানতে চাইলে তারা মারমুখী হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তারা কলেজ সভাপতি রাসেলকে লাঞ্ছিতও করে। একারণে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ধাওয়া করলে তারা ক্যাম্পাস থেকে পালিয়ে যায়।

এদিকে, ইসলামী ছাত্রশিবির দাবি করেছে, সংঘর্ষের সময় ছাত্রলীগের ক্যাডাররা শিবিরকর্মীদের ওপরও চড়াও হয়। তারা নিরীহ শিবিরকর্মীদের জোর করে হোস্টেল থেকে বের করে দেয়।