|
|
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবীর প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কর্মকর্তা
শহীদুল ইসলাম : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর বিশ্ববরেণ্য মোফাসসিরে কুরআন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আনীত ১৯৭১ সালের কথিত মানবতাবিরোধী ২০টি অভিযোগের অন্যতম হলো ইব্রাহিম কুট্টি হত্যা। একটি হত্যা মামলার অভিযোগ সম্পর্কে রিপোর্ট দেয়ার জন্য প্রয়োজন ছিল পুক্মখানুপুক্মখ তদন্ত। কিন্তু আসামীপক্ষের আইনজীবীর জেরায় তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন সুস্পষ্টভাবে জানালেন যে ইব্রাহিম কুট্টির হত্যার বিষয়টি তদন্ত করার জন্য তিনি কুট্টির গ্রামের বাড়ি বাদুরায় যাননি।
তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে গতকাল সোমবার বেলা ১২টা থেকে ১টা এবং পৌনে ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মোট সোয়া ২ ঘণ্টা জেরা করেন এডভোকেট মিজানুল ইসলাম। তাকে সহায়তা করেন এডভোকেট মনজুর আহমেদ আনসারী, ব্যারিস্টার তানভীর আল আমিন, আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ। ইব্রাহিম কুট্টি হত্যা ছাড়াও গতকালের জেরায় বেরিয়ে এসেছে আরো অনেক অসঙ্গতি। গতকালও বিচার কার্যক্রম চলে মাওলানা সাঈদীর অনুপস্থিতিতে।
গতকালের জেরার উল্লেখযোগ্য বিবরণ নিম্নরূপ :
প্রশ্ন : প্রদর্শনী-৪০ এ ও-১ হেলাল উদ্দিন পসারীর দোকান ১৯৭১ সালে কিসের দোকান ছিল?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : বর্তমানে রাধিকা সাহার দোকানের মালিকানা কার?
উত্তর : রাধিকার ছেলে সমির সাহা, স্বপন ও স্বজল। দোকানটি হস্তান্তর হওয়ার কোন তথ্য আমি পাইনি।
প্রশ্ন : মাহবুব হাওলাদারকে এই দোকান সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কিনা?
উত্তর : এ সম্পর্কে কোন তথ্য পাইনি।
প্রশ্ন : সূচিতে পি-১ রমণী বালার দোকান স্কেচ ম্যাপে নেই?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : রমণী বালা পুরুষ না মহিলা?
উত্তর : পুরুষ, বর্তমানে মৃত।
প্রশ্ন : স্কেচ ম্যাপে ও-১ এবং পি-১ মাঝখানে কোন দোকান বা ঘরবাড়ি আছে কি না?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : আর চিহ্নিত ফকির দাসের দোকানকে আপনি শান্তি কমিটির ক্যাম্প হিসেবে উল্লেখ করেছেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : ফকির দাসের ছেলে ও অগ্রনী দাসের মাঝে কোন দোকান আছে?
উত্তর : নেই।
প্রশ্ন : ১৯৭১ সালের আগে ফকির দাসের দোকান কিসের দোকান ছিল?
উত্তর : জানা নেই।
প্রশ্ন : ফকির দাসের দোকানের দক্ষিণে মাখন সাহার দোকান?
উত্তর : মাঝখানে রাস্তা আছে। তারপর মাখন সাহার দোকান। এস চিহ্নিত দোকানটি মাখন সাহার নয়।
প্রশ্ন : মাখন সাহার দোকান এবং রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঝখানে কেস্ট সাহার দোকান ছাড়া আর কারো কোন স্থাপনা নাই?
উত্তর : আছে। তবে স্কেচ ম্যাপে দেখানো হয়নি।
প্রশ্ন : এ থেকে জেড পর্যন্ত স্কেচ ম্যাপে উত্তর দক্ষিণে কোন স্থাপনা নেই।
উত্তর : এ এর দক্ষিণে বাড়িঘর ও দোকানপাট আছে (কিন্তু তা স্কেচ ম্যাপে দেখানো হয়নি)।
প্রশ্ন : এই স্কেচ ম্যাপের মধ্যে সাক্ষী মোস্তফা হাওলাদারের দোকান নেই?
উত্তর : জি, দেখানো হয়নি।
প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে সুলতান তালুকদারের কোন দোকানের অস্তিত্ব ছিল কি না সেটা তদন্ত করেছেন?
উত্তর : ১৯৭১ সালে সুলতান তালুকদারের কোন দোকান ছিল না। নগরবাসীর দোকান পরে সে ক্রয় করে।
প্রশ্ন : আপনি এই স্কেচ ম্যাপে পাল সম্প্রদায় মাটির হাড়ি পাতিল কোথায় বিক্রি করতো তা দেখাননি?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : স্বর্ণ পট্টিও আপনি স্কেচ ম্যাপে দেখাননি?
উত্তর : জি, নাই।
প্রশ্ন : দর্জি পট্টি, কাঁচা বাজার, লঞ্চ ঘাট, কাঠপট্টি, মাছের আড়ৎ এগুলো আপনি স্কেচ ম্যাপে দেখাননি?
উত্তর : জি, দেখাইনি।
প্রশ্ন : গৌরাঙ্গ পাল ১৯৭১ সালের কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ছিল কি না?
উত্তর : তার দোকান ও বাড়ি লুট হয়েছিল।
প্রশ্ন : গৌরাঙ্গ পাল জীবিত আছে?
উত্তর : মারা গেছে।
প্রশ্ন : তার স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে কোথায়?
উত্তর : স্ত্রী ভারত। ১ ছেলে ভারতে, ২ ছেলে ঢাকায়।
প্রশ্ন : দিলীপ ও তার মা ভারতে অবস্থানের তথ্য কোথায় পেয়েছেন?
উত্তর : গোপন তদন্তে পেয়েছি।
প্রশ্ন : স্থানীয় কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন যে দিলীপের ঢাকায় অবস্থানকারী ২ ভাইয়ের নাম কি?
উত্তর : আগেই উত্তর দিয়েছি।
প্রশ্ন : গৌরাঙ্গ পালের দোকানে এখন কে থাকে?
উত্তর : ঢাকায় যে ২ ভাই আছে মালিকানা তাদেরই আছে। দোকানটি এখন বন্ধ।
প্রশ্ন : এই দোকানের মালিকানা সম্পর্কে বাজার কমিটি বা ইউনিয়ন পরিষদের হোল্ডিং ট্যাক্স যারা আদায় করে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন?
উত্তর : না, জিজ্ঞাসাবাদ করি নাই। গোপন তদন্তে পেয়েছি।
প্রশ্ন : ঐ দোকানের হোল্ডিং ট্যাক্স চালু আছে কি না তা ইউনিয়ন পরিষদের কোন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন?
উত্তর : জিজ্ঞেস করি নাই।
প্রশ্ন : পারেরহাট বাজারে কম-বেশি ২শ দোকানপাট আছে?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : তদন্তকালে পারেরহাটে সত্তরোর্ধ্ব কোন ব্যক্তির সাক্ষাৎ আপনি পাননি?
উত্তর : জি, পেয়েছি। নাম অজিত কুমার সিং। একজনকেই পেয়েছি।
প্রশ্ন : ১৯৭০ সালে ভোটার ছিল এরূপ কোন লোককে আপনি পারেরহাটে এলাকায় পেয়েছেন?
উত্তর : অনেক লোক পেয়েছি। তার মধ্যে রুহুল আমিন নবীন, গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা, অজিত কুমার সিং এর জবানবন্দি রেকর্ড করেছি।
প্রশ্ন : স্কেচ ম্যাপ তৈরি ক'টায় শেষ করেছিলেন?
উত্তর : ১৩টা ১৫ মিনিটে।
প্রশ্ন : আপনি সঠিকভাবে স্কেচ ম্যাপ করেননি, সূচি প্রস্তুত করেননি। আপনার মনমতো যারা সাক্ষী দিতে রাজি হয়নি তাদেরকে আপনি এই মামলার সাক্ষী করেননি?
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : প্রদর্শনী-৪৪ স্কেচ ম্যাপ কোন এলাকার তা স্কেচ ম্যাপ যা সূচি কোনটাতেই নেই?
উত্তর : জি, ঐভাবে নেই।
প্রশ্ন : স্কেচ ম্যাপে উল্লেখিত পি থেকে এইচ পর্যন্ত স্থানের দূরত্ব কত হবে?
উত্তর : আধা কিলোমিটার।
প্রশ্ন : স্কেচ ম্যাপে উল্লেখিত পি-এ বর্ণিত দবিরের দোকানটি কিসের দোকান?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : দবিরের বয়স কত?
উত্তর : নোটে নেই।
প্রশ্ন : তদন্তকালে দবিরের সাথে আপনার সাক্ষাৎ হয়েছিল?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : দবিরের পিতা আশরাফের পারেরহাটে দোকান আছে কি না?
উত্তর : আলাদা কোন দোকান আছে কি না তা আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : আশরাফের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন?
উত্তর : না।
প্রশ্ন : এই আশরাফ হলো পারেরহাট রিকশা স্ট্যান্ডের প্রধান রিকশা চালক যার জবানবন্দি আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রহণ করেননি?
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : স্কেচ ম্যাপের পি এবং কিউ পারেরহাট বাজারের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : স্কেচ ম্যাপে উল্লেখিত কিউ এ বর্ণিত সাইফুল এবং প্রদর্শনী ৪০-এ এক্স-এ বর্ণিত সাইফুল কি একই ব্যক্তি?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : প্রদর্শনী-৪০ এর ডব্লিউ-এ বর্ণিত জলিল এবং ৪৪-এর পি-এ বর্ণিত দবির একই ব্যক্তি?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : সাইফুল এবং জলিলের দোকান দু'টি স্বাধীনতার পরে তৈরি হয়েছে?
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : সাইফুল ও জলিলের বয়স কত?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : স্কেচ ম্যাপ ৪৪ এর এ চিহ্নিত সেলিম খানের বাড়ি বি চিহ্নিত নাসির মল্লিকের লবণের মিলের দক্ষিণ দিকে সেলিম খানের বাড়ি?
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : সেলিম খানের বাড়ির আশপাশে বাড়িঘর আছে?
উত্তর : আছে তবে খুব কাছাকাছি নেই।
প্রশ্ন : স্বাধীনতা পরবর্তী ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির মল্লিক আর এই লবণ মিলের মালিক নাসির মল্লিক কি একই ব্যক্তি?
উত্তর : সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাসির মল্লিককে আমি চিনি না।
প্রশ্ন : হাসিনা একাডেমীর অবস্থান কি সেলিম খানের এলাকায়?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : সেলিম খানের বাড়ি থেকে হাসিনা একাডেমী কোন দিকে কত দূরে?
উত্তর : দক্ষিণ দিকে অনুমান ৫০/৬০ গজ।
প্রশ্ন : হাসিনা একাডেমীতে কারো সাক্ষ্য গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর : জি, না।
প্রশ্ন : মানিক পসারীর বাপ চাচারা ৩ ভাই। হেলাল উদ্দিন পসারী, শহীদ উদ্দিন পসারী ও রইচ উদ্দিন পসারী?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : এর মধ্যে হেলাল উদ্দিন পসারী সবার বড় এবং শহীদ উদ্দীন পসারী সবার ছোট?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : ৩ ভাইয়ের বাড়িই চিতলিয়া গ্রামে?
উত্তর : রইচ উদ্দিন ও শহীদ উদ্দিন পসারীর বাড়ি এক জায়গায়। হেলাল উদ্দিনের বাড়ি কোথায় বলতে পারবো না।
প্রশ্ন : হেলাল উদ্দিনের ছেলে সালাম পসারীর সাথে আপনার দেখা হয়েছিল?
উত্তর : আবুল কালাম পসারীর সাথে দেখা হয়েছিল।
প্রশ্ন : হেলাল উদ্দিনের কয় ছেলে?
উত্তর : ৩ ছেলে যথা আব্দুস সালাম, আবুল কালাম এবং আলম।
প্রশ্ন : সালামের সাথে দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন?
উত্তর : আমার দেখা হয়নি।
প্রশ্ন : রইজু উদ্দিন পসারীর ছেলে মেয়ে কত জন?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : তদন্তকালে রইজু উদ্দিন পসারীর বাড়িতে গিয়েছিলেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : তখন ঐ বাড়িতে কাদের পেয়েছেন?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : রইজু উদ্দিন পসারীর বাড়িতে কত তারিখ, ক'টায় গিয়েছিলেন?
উত্তর : ১৮/৮/২০১০ তারিখ ১২টা ৫৫ মিনিট থেকে ২২টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যেকোন সময় গিয়েছি।
প্রশ্ন : ১৮/৮/২০১০ তারিখে ১২টা ৫৫ মিনিটে আপনি প্রথম কোথায় গেলেন?
উত্তর : বাদুরায় ছিলাম।
প্রশ্ন : বাদুরায় ক'টার সময় পৌঁছলেন?
উত্তর : ১১টা ৪৫ মিনিটে।
প্রশ্ন : ঐ তারিখে আপনি উল্লেখযোগ্য কি কাজ করেছেন?
উত্তর : সাক্ষীদের জবানবন্দী নিয়েছি, স্কেচ ম্যাপ তৈরি করেছি।
প্রশ্ন : কার কার জবানবন্দী ঐ দিন গ্রহণ করেন?
উত্তর : মোস্তফা হাওলাদার, মফিজ উদ্দিন পসারী, চান মিয়া পসারী, সুলতান আহমেদ, আব্দুল জলিল শেখ ও মকলেস পসারীর জবানবন্দী রেকর্ড করি এবং বাসুদেব মিস্ত্রীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করি।
প্রশ্ন : এদের জবানবন্দী রেকর্ড করার আগে তাদের সাথে কখনো আপনার দেখা হয়েছিল?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : ১৮/৮/২০১০ তারিখে সকাল বেলা আপনি পিরোজপুর সার্কিট হাউসে ছিলেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : সার্কিট হাউস থেকে প্রথমে আপনি রেজিস্ট্রি অফিসে যান, তারপর সদর থানা, এরপর পারেরহাট বাজার, তারপর বাদুরার সেলিম খানের বাড়ি যান তারপর মানিক পসারীর চিতলিয়া গ্রামে যান?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : মানিক পসারীরা হলো ১১ ভাই। যথা মানিক পসারী (৬৫), কাঞ্চন পসারী (৬২), চান মিয়া পসারী (৬০), বারেক পসারী (৫৮), মালেক পসারী (৪৫), জাহাঙ্গীর পসারী (৪৭), মান্নান পসারী (৪৭), নান্না পসারী (৪২), আলমগীর পসারী (৩৩), পান্না পসারী (৩৫), টুকু পসারী (২৫)।
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : ১১ ভাই সবাই পৃথক অন্নে বসবাস করে?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে শহীদ উদ্দিন পসারী তার ছেলে মেয়েদের নিয়ে একই পরিবারে বসবাস করতেন?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : প্রদর্শনী-৪৪ এ উল্লেখিত স্কেচ ম্যাপে উল্লেখিত ডি এবং এফ বাড়ি দুটি স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তৈরি হয়েছে?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : জি চিহ্নিত জলিল তালুকদারের বাড়িটি স্বাধীনতার পরে তৈরি করা?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : আইয়ুব আলী তালুকদারের বাড়িও স্বাধীনতার পরে তৈরি?
উত্তর : ১৯৭১ সালেও ওখানেই ছিল।
প্রশ্ন : মানিক পসারীর বাড়ির উত্তরে কারো বাড়ি আছে?
উত্তর : ৪/৫ টি বাড়ি আছে, তবে স্কেচ ম্যাপে দেখানো হয়নি।
প্রশ্ন : আলমগীর পসারী এবং মানিক পসারীর বাড়ির মাঝখানে কোন বাড়ি আছে?
উত্তর : নেই।
প্রশ্ন : মানিক পসারীর বাড়ির পূর্ব এবং পশ্চিমে কাদের বাড়ি?
উত্তর : পূর্ব দিকে কোন বাড়ি নেই। পশ্চিমে আবেদ খলিফার বাড়ি। আলতাফ হোসেনের বাড়ি আছে।
প্রশ্ন : এস চিহ্নিত খালটি কতটুকু চওড়া?
উত্তর : আমার নোটে নেই।
প্রশ্ন : সাক্ষী মফিজ উদ্দিনের বাড়ি চিতলিয়া গ্রামের কোন অংশে?
উত্তর : চিতলিয়া গ্রামে না বাদুরা গ্রামে।
প্রশ্ন : ইব্রাহিম কুট্টির বাড়ি বাদুরায়?
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : তদন্তকালে ইব্রাহিম কুট্টির বাড়ি গিয়েছিলেন?
উত্তর : না, যাইনি।
প্রশ্ন : বাবুর পিতা তোজাম্মেল, সাং- বাদুরাকে আপনি জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন?
উত্তর : জি, না।
প্রশ্ন : সেলিম খানের ভাই ডালিম খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন?
উত্তর : জিজ্ঞাসাবাদ করেছি, সাক্ষী করি নাই।

