Quantcast
ঢাকা, বুধবার 25 July 2012, ১০ শ্রাবণ ১৪১৯, ৫ রমযান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ২৬৩ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ভাল সাবেজেক্ট পাচ্ছে না

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা ১২ অক্টোবর\ আবেদন অনলাইন ও এসএমএসে

মোস্তফা মানিক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১২ অক্টোবর। গতকাল মঙ্গলবার ডিনস কমিটির এক সভায় এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে গতবছরের মতো এ বছরও ভর্তি পরীক্ষার সকল শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানা গেছে। সে হিসেবে এবারও মাদরাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা অল্প কয়েকটি বিভাগ ছাড়া ভর্তি হতে পারবে না। গত তিনবছর বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হওয়ার পরও মাদরাসা শিক্ষার্থীদেরকে তাদের পছন্দের সাবজেক্টে ভর্তি হতে দেয়নি প্রশাসন। বর্তমান ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক-এর সময়ই মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম সারির সাবজেক্টগুলো ইতোমধ্যে বাদ দেয়া হয়। তাই রেজাল্ট ভাল থাকা বা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মতো যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেবল মাদরাসায় পড়ার কারণে এসব শিক্ষার্থীদের ভাগ্যে ভাল কোন সাবজেক্টে পড়া সম্ভব হবে না।

নির্ধারিত তারিখ অনুসারে এ বছর ক ইউনিটের অধীনে বিজ্ঞান শাখার ভর্তি পরীক্ষা ১২ অক্টোবর, কলা অনুষদের অধীনে মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের খ ইউনিটের পরীক্ষা ১৯ অক্টোবর, ব্যবসায় অনুষদের অধীনে গ ইউনিটের পরীক্ষা ২ নবেম্বর, সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে সকল শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ঘ ইউনিটের পরীক্ষা ৯ নবেম্বর এবং চারুকলা অনুষদের চ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৬ নবেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। জানা যায়, ডিনস কমিটির সভায় প্রাথমিকভাবে ভর্তি পরীক্ষার তারিখগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। জেনারেল এডমিশন কমিটির সভায় এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এদিকে গতবছরের মতো এ বছরও ভর্তি প্রক্রিয়া অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। কলা অনুষদ ডীন অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন বলেন, ১২ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ বছর আসন সংখ্যা বাড়বে কিনা এ ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে ভর্তি ফরম বিক্রি থেকে শুরু করে প্রথম বর্ষে ভর্তি পর্যন্ত প্রায় সকল কাজ অনলাইনে করতে হবে।

জানা যায়, অবৈধ ভর্তি ঠেকাতে ও শিক্ষার্থীদের হয়রানি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ফরম বিক্রি না হলেও শিক্ষার্থীদের তিনশত টাকা ফি দিতে হবে। আর তা দিতে হবে মোবাইল ফোনে এসএমএস করে। তবে শিক্ষার্থীদের অনলাইন ভর্তি ফি ৩০ টাকা করে অতিরিক্ত দিতে হবে। এছাড়া প্রবেশপত্রসহ সকল তথ্য পাওয়া যাবে অনলাইনে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ভর্তি নির্দেশনাসহ সকল তথ্য দেয়া থাকবে। কোন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়েশ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এইচএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার রোল ও সন বসালেই চলবে।

এদিকে এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো রেজাল্টের হার বৃদ্ধি পেলেও অনার্সে ভর্তির আসন সংখ্যা তেমন বাড়ছে না। কর্তৃপক্ষ সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন আবাসিক হলসহ নানা সীমাবদ্ধতার কারণে আসন সংখ্যা চাহিদা অনুযায়ী বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে বিভিন্ন বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী অল্পসংখ্যক আসন বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

অনলাইনে ভর্তি ফরম বিক্রি থেকে সব কাজ হলে কোন শিক্ষার্থী অবৈধ উপায়ে ভর্তি হতে পারবে না এমনটাই আশা করছেন কর্তৃপক্ষ। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করলে একদিকে শিক্ষার্থী যেমন হয়রানি থেকে বাঁচবে অন্যদিকে আমাদেরও সময় বাঁচবে। তিনি জানান, গত বছরের মতো এ বছরও আবেদনপত্রের ফি ৩০০ টাকা রাখা হয়েছে। তবে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রমের জন্য শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৩০ টাকা দিতে হবে।