|
|
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটন লেডিস ক্লাবে সমমনা গণতান্ত্রিক ও সামাজিক সংগঠন আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বক্তব্য পেশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ -সংগ্রাম
স্টাফ রিপোর্টার : পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে অন্তর্বর্তী মন্ত্রিসভা গঠনের যে প্রস্তাব তুলেছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি। তিনি বলেন, আন্দোলনরত মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিতে ও জনমনে ধূম্রজাল সৃষ্টি করতেই প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি আগেও কয়েকবার এ ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু বিএনপি প্রতিবারই এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ইস্কাটনের লেডিস ক্লাবে বিএনপিপন্থী ও সমমনা গণতান্ত্রিক ও সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত ‘চলমান জাতীয় সংকট, সরকারের ভূমিকা ও দেশপ্রেমিকদের করণীয়' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাধীনতা ফোরাম সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মেহবুব রহমান, খালেদা ইয়াসমিন প্রমুখ।
মওদুদ বলেন, বিএনপি আন্দোলন করছে। ঈদের পর আন্দোলন আরও কঠোর হবে। সেই আন্দোলনে তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়কের দাবি এখন শুধু বিএনপির নয়, ভোট ও ভাতের অধিকার রক্ষার জন্য এ দাবি এখন সারা দেশের মানুষের। তিনি বলেন, এ সরকার দেশ পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তারা এখন বিরোধী দল দমনে হামলা-মামলাকেই মাধ্যম হিসেবে বেuঁচ নিয়েছে। তারা বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। তিনি বলেন, এ সরকার যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন ঈদের পর আন্দোলনের মাধ্যমেইে তাদের বিদায় করা হবে।
বিশ্ব ব্যাংককে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ‘নেতিবাচক' বক্তব্য পদ্মা সেতু প্রকল্পে সংস্থাটির ফিরে আসার সম্ভাবনা ভেস্তে দিতে পারে উল্লেখ করে মওদুদ বলেন, সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগের পর অর্থমন্ত্রী যখন ঋণচুক্তি পুনর্মূল্যায়নের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করছেন, তখন লন্ডনে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব ব্যাংক ‘কমিশন খায়' ও ‘দুর্নীতি করে' ইত্যাদি নানা ধরনের বক্তব্য রেখেছেন। এসব কর্মকান্ড থেকে মনে হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নিজেই অর্থমন্ত্রীর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিচ্ছেন।

