|
|
স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফ করার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে স্বল্প সুদে ৯০০ কোটি টাকার পুনঅর্থায়ন তহবিল চেয়েছে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। মঙ্গলবার হোটেল পূর্বাণীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএমবিএর পক্ষ থেকে এ দাবি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিএমবিএ সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজ বলেন, ‘‘সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য এবং পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ শতাংশ সুদে ৯০০ কোটি টাকা পুনঅর্থায়ন সুবিধা চেয়েছি আমরা।’’ পুঁজিবাজারে ধসের কারণে মার্জিন ঋণ নেয়া ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নিজস্ব ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের এক বছরের ৫০ শতাংশ সুদ মওকুফ করা হবে। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো নিজেদের খরচে এ সুদ মওকুফ করবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। বিএমবিএ সহ-সভাপতি তানজিল চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আমাদের নিজেদেরই যদি সুদ মওকুফ করতে হয়, তাহলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকেও সরকারকে সহায়তা করতে হবে। না হলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেষ হয়ে যাবে।’’ মার্চেন্ট ব্যাংক কসমোপলিটন ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরিব জাহিদ বলেন, বর্তমানে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা মার্জিন ঋণ রয়েছে। এর মধ্যে সরকার ঘোষিত সুদ মওকুফের আওতায় রয়েছে প্রায় ৪২ হাজার হিসাব। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে সুদ মওকুফ করতে হবে ৬৫ কোটি টাকা এবং আরো ৬৫ কোটি টাকার সুদ পুনঃতফসিলিকরণ করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে অমনিবাস হিসাব ও আইপিও -এর ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম নিয়েও কথা বলেন মার্চেন্ট ব্যাংকাররা। মোহাম্মদ এ হাফিজ বলেন, ‘‘অমনিবাস অবশ্যই উঠে যাবে। তবে এটা সারা পৃথিবীতে একটা স্বীকৃত ব্যবস্থা। না বুঝেই এটা নিয়ে অনেকে কথা বলছেন। অমনিবাসের বিষয়ে এসইসিকে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দেওয়া হয়েছে।’’ ‘‘প্রিমিয়াম ছাড়া ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী হয় না। তাই জাস্টিফায়েড প্রিমিয়াম না দিলে ভালো কোনো কোম্পানি বাজারে আসবে না’’, যোগ করেন তিনি।

