|
|
গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ভিডিও গানের অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করেন ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক -সংগ্রাম
স্টাফ রিপোর্টার : বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রমাণ হয়েছে জাতি রাজনৈতিক ঐক্যের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এখন সংলাপ হলে রাজনৈতিক সংকট কাটবে। এজন্য সরকার এবং বিরোধী দলকে আরো এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিও রাখা যেতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক যে নামেই হউক না কেন এর প্রধান নির্দলীয় হওয়া উচিত। গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কনফারেন্স লাউঞ্জে ৭১ টেলিমিডিয়া আয়োজিত এভারেস্ট বিজয়ী একমাত্র বাঙ্গালী এম এ মুহিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং সাংস্কৃতিক দৈন্যতা ও রাজনৈতিক ঐক্য শীর্ষক একক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আমিরুল মোমিনিন মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত প্রমুখ।
ব্যারিস্টার রফিক উল হক বলেন, রাজনৈতিক সাংস্কৃতিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। আশা করা যায় রাজনৈতিক সংকট কেটে যাবে। এজন্য উভয় জোটকে এগিয়ে আসতে হবে। লন্ডনে বিবিসিকে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার তার বক্তব্য থেকে অনেক সরে এসেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে আমরা রাজনৈতিক ঐক্যে পৌঁছতে পারবো। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিরোধী দলকে এগিয়ে আসা উচিত। আর নির্বাচনের বাকি আছে মাত্র ১৫ মাস। তিনি আরো বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যে নামেই হউক না কেন তার প্রধান হতে হবে নির্দলীয়। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আরো স্পষ্ট হওয়া দরকার। এই সরকারের প্রধান কে হবে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তিনি আরো বলেন, দুই দলের বাইরেও সুশীল সমাজের সাথে সংলাপ হতে পারে।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, দেশে যে দুর্যোগ চলছে তার জন্য দায়ী অর্থমন্ত্রী। এজন্য তাকে পদত্যাগ করা উচিত। ৮০ বছর বয়সে তার মন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়া ঠিক হয়নি। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধ্বংস হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ড. ইউনূসের মত জ্ঞানীরা আজ অপমাণিত হচ্ছে। দুই নেত্রীকে একত্রে বসানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কঠিন কাজ। তবে জাতির জন্য খুব প্রয়োজন।

