Quantcast
ঢাকা, রোববার 5 August 2012, ২১ শ্রাবণ ১৪১৯, ১৬ রমযান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৬৫৯ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

হিন্দু মৌলবাদী গোষ্ঠীর কারণে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক আইন হয়নি -সুলতানা কামাল

স্টাফ রিপোর্টার : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক এডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মের নামে সংবিধানেই অসাংবিধানিক শব্দ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জানি না এ কথাটি মিডিয়া আবার কিভাবে নেয়। তিনি বলেন, হিন্দু মৌলবাদী গোষ্ঠীর কারণে হিন্দু নারীর বিয়ে রেজিস্ট্রেশনে বাধ্যতামূলক আইন হয়নি। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার অনেক নীতি-আইন করেছে। কিন্তু সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে ভাবা হয় না।

গতকাল শনিবার সকালে মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত ‘ইউপিআর ও সিডও' বিষয়ক দিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। কমিশনের সদস্য কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘প্রতিবন্ধী অটিজম, ধর্মীয় ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘু, দলিত ও উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠীর অধিকার' শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক নাসিমা বেগম। নির্ধারিত আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল। স্বাগত বক্তব্য দেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

সুলতানা কামাল বলেন, আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলে বলতে পারতাম বাংলাদেশের হৃদয়টা অনেক বড়। যদিও তাদের কিছু কিছু আচরণ উদ্বেগের জন্ম দেয়। তিনি আরো বলেন, মৌলিক চরিত্রের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা সৃষ্টি না হলে মানবাধিকার রক্ষিত হবে না। মানবাধিকার আইন সময়ের দাবি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক নাসিমা বেগম বলেন, তারা ৪৭ ধরনের সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকে। জনবল সংকটের কারণে ঈw≈ত মাত্রায় কার্যক্রম পরিচালনা করা যাচ্ছে না।

অধ্যাপক মেসবাহ কামাল বলেন, অস্পৃশ্যতা বৈষম্য বিরোধী আইন হওয়া দরকার। এ ধরনের আইন ভারতে আছে। মানবাধিকার আইন হলে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার সংরক্ষিত হবে।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে মানবাধিকার পরিস্থিতি যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো। সাম্যতা, সামাজিক ন্যায় বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা হলে মানবাধিকার পরিস্থিতি আরো ভালো হবে।