Quantcast
ঢাকা, সোমবার 6 August 2012, ২২ শ্রাবণ ১৪১৯, ১৭ রমযান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৪৬৬ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

ষষ্ঠ সাক্ষী শফিউদ্দিনের জেরা অব্যাহত

সাক্ষীর ছোট ভাই লিখিত গ্রন্থে কাদের মোল্লার অপরাধের কোন বর্ণনা নেই

শাহেদ মতিউর রহমান : কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ষষ্ঠ সাক্ষী শফিউদ্দিন মোল্লার জেরা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল রোববার তাকে জেরা করেন ডিফেন্স পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আবদুস সোবহান তরফদার। গতকাল জেরাতে সাক্ষী বলেন, সাক্ষীর ছোট ভাই কর্তৃক লিখিত মিরপুর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে বইটিতে কাদের মোল্লার কোন অপরাধের ঘটনাই সেখানে বর্ণনা করা হয়নি। এমনকি ঘটনার সময়কাল ১৯৭০ বা ৭১ সালে কাদের মোল্লা কোথায় ছিলেন বা কোন স্কুলে পড়ালেখা করেছেন তাও বলতে পারেননি সাক্ষী শফিউদ্দিন মোল্লা। আজ সোমবার সাক্ষীকে আবারো জেরা করবেন ডিফেন্স টীম।

গতকালের জেরা

প্রশ্ন : আপনি কী এখনো মিরপুরের ভোটার আছেন?

উত্তর : হ্যাঁ, আমি এখনো ভোটার।

প্রশ্ন : গত সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন?

উত্তর : হ্যাঁ, ভোট দিয়েছি।

প্রশ্ন : ভোটার লিস্টে কী আপনার নাম সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে?

উত্তর : ২২২০ নং ক্রমিকে ভোটার লিস্টে আমার নাম ও বাবার নাম সঠিক আছে।

প্রশ্ন : ভোটার লিস্টে জন্ম তারিখ ২৪/১২/৫৩ দেয়া আছে। এটা কী সঠিক?

উত্তর : না, জন্ম তারিখ ভুল আছে।

প্রশ্ন : সঠিক জন্ম তারিখ সংবলিত কোন কাগজ দাখিল করেছেন?

উত্তর : না, দাখিল করি নাই।

প্রশ্ন : ১৯৭০ সালে নির্বাচনে আপনার ভোট দেয়ার কথাটি সত্য নয়।

উত্তর : আমি ভোট দিয়েছি।

প্রশ্ন : আলুবদী গ্রামের উত্তর ধান ক্ষেত তার পরের গ্রামের নাম কী?

উত্তর : বলতে পারবো না।

প্রশ্ন : আলুবদী গ্রামের দক্ষিণে কোন গ্রাম?

উত্তর : দুয়ারীপাড়া গ্রাম এবং বুটানীক্যাল গার্ডেন।

প্রশ্ন : পূর্ব দিকে কত মাইল দূরে কোন গ্রাম?

উত্তর : ৫০০ গজ দূরে দ্বিগুন গ্রাম।

প্রশ্ন : পশ্চিমে কোন গ্রাম ছিল?

উত্তর : পশ্চিমে ধান ক্ষেত তার পরে সাভার থানা এলাকা।

প্রশ্ন : আলুবদী গ্রামের আকার কেমন ছিল?

উত্তর : উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ছিল। দৈর্ঘ্য পোয়া মাইল ছিল।

প্রশ্ন : আপনাদের বাড়ির অবস্থান কোথায় ছিল?

উত্তর : গ্রামের মাঝামাঝি পশ্চিম দিকে ছিল।

প্রশ্ন : ধান ক্ষেত কোথায় ছিল?

উত্তর : গ্রামের চতুর্দিকে ধান ক্ষেত ছিল।

প্রশ্ন : আপনারা ভাই-বোন কত জন?

উত্তর : আমরা ৪ ভাই, ৩ বোন ছিলাম।

প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে সবাই কি জীবিত ছিল?

উত্তর : তখনো সবাই জীবিত ছিল এখনো সবাই জীবিত আছে।

প্রশ্ন : সবার মধ্যে বড় কে?

উত্তর : আমি সবার বড় আমার ছোট ভাইদের নাম যথাক্রমে আলতাফ উদ্দিন, নাসির উদ্দিন মোল্লা, শরীফ উদ্দিন মোল্লা।

প্রশ্ন : ৪ ভাই লেখাপড়া জানেন?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : আপনার ইমিডিয়েট ছোট ভাই কত বছরের ছোট হবে।

উত্তর : ১২/১৩ বছরের ছোট হবে তার নাম আলতাফ উদ্দিন মোল্লা।

প্রশ্ন : আলতাফ উদ্দিন কত দূর লেখাপড়া করেছে?

উত্তর : দশম শ্রেণী পর্যন্ত।

প্রশ্ন : আপনার এই ছোট ভাই আপনার চাচাকে হত্যা সম্পর্কে কোন বই লিখেছে কী?

উত্তর : জানা নাই।

প্রশ্ন : আপনি কোন স্কুলে পড়ালেখা করেছেন?

উত্তর : মিরপুর ১০ নম্বরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে।

প্রশ্ন : লেখাপড়া শেষ করেছেন কোন সালে?

উত্তর : ১৯৭২ সালে।

প্রশ্ন : কাদের মোল্লা কোন স্কুলে বা কলেজে পড়ালেখা করেছেন?

উত্তর : জানা নেই আমার।

প্রশ্ন : ঢাকা থেকে আপনার গ্রামে ঢুকতে হলে কোন দিকে যেতে হতো?

উত্তর : পূর্ব দিক দিয়ে ঢুকতে হতো আর পশ্চিম দিকে ছিল নদীপথ।

প্রশ্ন : পূর্ব দিকের যে রাস্তা ছিল সেটি কেমন রাস্তা?

উত্তর : কাঁচা রাস্তা পায়ে হাঁটার। গ্রামের ভেতর পর্যন্ত কোন গাড়ি চলতো না।

প্রশ্ন : ১৯৭০ সালে আপনি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : ঐ সময়ে আপনি মুদি দোকানদার ছিলেন।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : আপনার বাপ-চাচারা কয় ভাই ছিলেন?

উত্তর : তারা ৫ ভাই ছিলেন। হাবীবুল্লাহ মোল্লা, নবীউল্লাহ মোল্লা, আবদুস সোবহান মোল্লা, ফজল হক মোল্লা ও সিরাজুল হক মোল্লা।

প্রশ্ন : আপনার বাবা কি কাজ করতেন?

উত্তর : কৃষি কাজ করতেন। বাবা-চাচারা সকলেই কৃষি কাজ করতেন।

প্রশ্ন : আপনার বাড়ির উত্তর পাশের ধানের জমি কত দূরে?

উত্তর : ৩/৪শ' গজ দূর থেকে ধানের জমি শুরু হয়ে ৫ মাইল পর্যন্ত ছিল।

প্রশ্ন : আপনি যেখানে লুকিয়ে ছিলেন সেই ঝোপটি কোথায় ছিল?

উত্তর : বাড়ির উত্তর পাশে একটু দূরে ছিল।

প্রশ্ন : ঝোপের নিচ থেকে দক্ষিণের বাড়ির পরের কিছু দেখা যেত কি?

উত্তর : না। কিছু দেখা যেত না।

প্রশ্ন : ঝোপের নিচের গর্তটি কতটুকু গভীর ছিল?

উত্তর : মাটি লেভেল থেকে ৪ ফুট গভীর ছিল।

প্রশ্ন : '৭১ সালে আপনার উচ্চতা কত ছিল?

উত্তর : এখন যে উচ্চতা আছে সেই উচ্চতা ছিল তবে সামান্য কমবেশি হতে পারে।

প্রশ্ন : ঐ গর্তটি কী মানুষের তৈরি নাকি প্রকৃতিগত নিচু ছিল?

উত্তর : মানুষের তৈরি গর্ত ছিল।

প্রশ্ন : উত্তর দিকে কত জন ধান কাটার লোক ছিল?

উত্তর : ধান কাটার লোক ছিল কত জন জানি না। তবে ফজরের সময়ে মাঠে কোন লোক ছিল না।

প্রশ্ন : পূর্ব দিকে কী তখন ধানকাটার বাকি ছিল?

উত্তর : পূর্ব দিক শুধু না সবদিকের ধানকাটা বাকি ছিল।

প্রশ্ন : ধান গাছের উচ্চতা কতটুকু ছিল?

উত্তর : ধান ক্ষেতের ভেতরে একজন মানুষ দাঁড়িয়ে লুকিয়ে থাকতে পারতো।

প্রশ্ন : ঝোঁপের নিচে গর্ত থেকে আপনি চারপাশের কোনকিছুই দেখতে পাননি।

উত্তর : ইহা সত্য নয়।

প্রশ্ন : আপনার চাচাকে আর্মিরা হত্যা করে তার লাশ খড়ের পালায় রেখে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : আপনাদের ফ্যামিলির কয়জনকে পাক বাহিনীরা হত্যা করেছে?

উত্তর : শুধু আমার চাচাকেই হত্যা করেছে।

প্রশ্ন : আপনাদের বাড়ির উত্তর পাশে কার বাড়ি?

উত্তর : লাল মিয়া মোল্লার বাড়ি। দক্ষিণ পাশে রাজ্জাক মাস্টারের বাড়ি ছিল পূর্বদিকে জিন্নাত আলীর বাড়ি ছিল পশ্চিম পাশে বাড়ি ছিল না সেখানে চলাচলের রাস্তা ছিল।

প্রশ্ন : এডভোকেট জহিরউদ্দিনের বাড়ি কোথায় ছিল?

উত্তর : বলতে পারবো না। তিনি বাঙ্গালী নাকি অবাঙ্গালী তা বলতে পারবো না।

প্রশ্ন : এডভোকেট জহিরউদ্দিন ৭০ সালে নির্বাচনী প্রচারণায় আপনাদের গ্রামে গিয়েছিলেন?

উত্তর : আমাদের গ্রামে যায়নি তবে এলাকায় গেছেন।

প্রশ্ন : জহিরউদ্দিনের সাথে আপনার কোন কথা হয়েছিল কি?

উত্তর : আমরা ছোট ছিলাম তার কাছে যাইনি।

প্রশ্ন : এডভোকেট জহিরউদ্দিন সাহেব অবাঙ্গালী ছিলেন। আপনার উত্তর কি?

উত্তর : আমি বলতে পারবো না।

প্রশ্ন : মিরপুরের অবাঙ্গীরা জহিরউদ্দিনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছে।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : এডভোকেট জহিরউদ্দিন সাহেব ৭০ সালে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন।

উত্তর : হ্যাঁ, সত্য।

প্রশ্ন : বর্তমানের মতো মিরপুর শহর ৭০/৭১ সালে এত ঘনবসতিপূর্ণ ছিল না।

উত্তর : হ্যাঁ, সত্য।

প্রশ্ন : ঐ সময়ে মিরপুরে অনেক ঝোঁপঝাড় ছিল কি?

উত্তর : হ্যাঁ। ঝোঁপঝাড় ছিল। বাড়িঘর দূরে দূরে ছিল।

প্রশ্ন : শহর থেকে মিরপুরে লোকজন কম চলাচল করতো।

উত্তর : প্রয়োজন মতো চলাচল করতো। বাইরের লোকজনও প্রয়োজন হলে এখানে আসতো।

প্রশ্ন : গ্রাম থেকে আপনাদের আশপাশের ধানক্ষেত নিচু কতটুকু ছিল?

উত্তর : কতটুকু নিচু তা বলতে পারবো না।

প্রশ্ন : বর্ষায় আপনারা কিভাবে চলাফেরা করতেন?

উত্তর : বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া আমরা চলাফেরা করতে পারতাম না।

প্রশ্ন : এডভোকেট জহিরুউদ্দিনের নির্বাচনী প্রচারণায় তার কোন ভাষণ শুনেছেন?

উত্তর : না, তার কোন ভাষণ শুনিনি।

প্রশ্ন : আপনার এলাকায় বা আশপাশের গ্রামে জহিরউদ্দিন সাহেব কোন নির্বাচনী সভা করেছেন?

উত্তর : আমার মনে পড়ে না।

প্রশ্ন : '৭১ সালে ২৪ এপ্রিল আপনারা কি সবাই বাড়িতে ছিলেন?

উত্তর : আমরা বাপচাচারা সবাই বাড়িতে ছিলাম।

প্রশ্ন : আপনি কি বর্তমানে কোন রাজনীতি করেন?

উত্তর : না, রাজনীতি করি না। বাপচাচারা দুজন জীবিত তারা বয়স্ক। রাজনীতি করেন না। তবে আমার এক ভাই আলতাফ উদ্দিন মোল্লা সম্ভবত বিএনপি করেন।

প্রশ্ন : আপনার চাচা নবীউল্লাহ মোল্লার ছেলেমেয়ে কতজন?

উত্তর : ৪ ছেলে ২ মেয়ে। ছেলেরা হলো আন্দেশ আলী মোল্লা, ওবাইদুল্লাহ মোল্লা, আইনুল্লাহ মোল্লা ও আজিজুল্লাহ মোল্লা। তারা সবাই জীবিত এবং তারা কেউ রাজনীতির সাথে জড়িত নন।

প্রশ্ন : আপনাদের পরিবারের কে কে রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন এখন?

উত্তর : আমার ভাই আলতাফ উদ্দিন শুধু রাজনীতি করেন আর কেউ নন।

প্রশ্ন : ১৯৭০/৭১ সালে পরিবারের সদস্যরা কি রাজনীতি করতেন?

উত্তর : আমি একাই ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ছিলাম। আর কেউ রাজনীতি করতেন না। তবে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করতেন।

প্রশ্ন : বাড়িঘর কবে জ্বালিয়ে দিয়েছে আপনাদের।

উত্তর : ১৯৭১ সালে ২৪ এপ্রিল পাক বাহিনী ও তাদের দোসররা গ্রামের সব বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে।

প্রশ্ন : নিহত চাচা নবীউল্লাহকে তো আপনারা কবর দেননি।

উত্তর : হ্যাঁ, সত্য।

প্রশ্ন : ২৪ এপ্রিলের পরে আপনারা কোথায় থাকতেন?

উত্তর : স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত আমরা সাভারে থাকতাম। তবে বোনের বাসায় ছিলাম না।

প্রশ্ন : সাভারে কাদের বাসায় বা বাড়িতে আপনারা ছিলেন?

উত্তর : কারো বাড়িতে নয় ফাঁকা স্থানে ছাপড়াঘর তুলে থাকতাম।

প্রশ্ন : সাভারে আপনি কি কাজ করতেন?

উত্তর : কোন কাজ করার মতো সুযোগ ছিল না।

প্রশ্ন : আপনাদের আশপাশের বাড়ির লোক কোথায় অবস্থান গিয়েছিলেন?

উত্তর : তারাও সাভার এলাকায় ছিল।

প্রশ্ন : ৭০/৭১ সালে আপনি আব্দুল কাদের মোল্লাকে আপনি চিনতেন না।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : কাদের মোল্লা ৭০/৭১ সালে কোন সময়েই আপনাদের গ্রামে যায়নি।

উত্তর : ইহা সত্য নয়।

প্রশ্ন : '৭০ সালে জহিরউদ্দিন সাহেবের নির্বাচনী এলাকা কোন পর্যন্ত ছিল?

উত্তর : নির্বাচনী এলাকার বিস্তৃতি কতদূর ছিল বলতে পারবো না। এমনকি ভোটার সংখ্যা বা কেন্দ্র সংখ্যাও বলতে পারবো না।

প্রশ্ন : মিরপুরের আগের অবস্থা এখন আর নেই। মিরপুরে এখন শহর হয়েছে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির সুবিধা আছে।

উত্তর : হ্যাঁ, সত্য।

প্রশ্ন : ৭০' সালে আপনাদের গ্রাম কোন ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল?

উত্তর : হরিরামপুর ইউনিয়নে ছিল। তবে আমাদের গ্রাম থেকেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন। ৭০/৭১ সালে চেয়ারম্যান ছিলেন হারুন মোল্লা।

প্রশ্ন : ঐ সময়ে হ্যালিকপ্টার পাক আর্মিরা ব্যবহার করতেন?

উত্তর : হ্যাঁ, আর্মিরা ব্যবহার করতেন।

প্রশ্ন : '৭০ সালে আপনার বয়স ১৯ বছর ছিল না। আপনি নাবালক ছিলেন।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : ঘটনার সময় আপনার ঝোঁপের নিচে গর্তে লুকিয়ে থাকার কথা সত্য নয়।

উত্তর : সঠিক নয়।

প্রশ্ন : এই মামলার ঘটনার পূর্বে আপনি কখনো রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : তদন্ত কর্মকর্তার জিজ্ঞাসাবাদে কয়জন ছিলেন?

উত্তর : আমি একাই ছিলাম।

প্রশ্ন : আপনাকে পল্লবী থানায় কে ডেকে নিয়ে আসে?

উত্তর : থানার লোক আমাকে ডেকে আনে।

প্রশ্ন : আপনি আদালতে এসে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন তা অসত্য বলেছেন।

উত্তর : আমি যা বলেছি সত্য বলেছি।

প্রশ্ন : কাদের মোল্লাকে জড়িত করে আদালতে দেয়া বক্তব্য অসত্য বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : ইব্রাহিমকে আপনি চেনেন?

উত্তর : ইব্রাহিম আমার চাচাতো ভাই।

প্রশ্ন : ইব্রাহিম এবং আলতাফউদ্দিন স্বাধীনতার পতাকা বাড়িতে উড়ানোর কারণে '৭১ সালে পাক বাহিনী বাড়িতে আগুনে পুড়িয়েছে।

উত্তর : তারা ছোট ছিল। স্বাধীনতার পতাকা তারা উড়াতেই পারে। কিন্তু পতাকা উড়ানোর কারণে আগুন দেয়নি। আগুনতো সারা গ্রামেই দেয়া হয়েছে।

প্রশ্ন : মতি মাস্টারকে চিনতেন?

উত্তর : মতি মাস্টারকে চিনি। তিনি জীবিত আছেন। এখনো তাকে আমি চিনি। ঘটনার সময় তিনি গ্রামেই ছিলেন।

প্রশ্ন : আকতার গুন্ডাকে চিনতেন?

উত্তর : তাকে আমি শুধু নামেই চিনতাম।

প্রশ্ন : ‘মুক্তিযুদ্ধে মিরপুর' বইটির লেখক কে?

উত্তর : বইটির লেখক হিসেবে আমার ভাই আলতাফ উদ্দিন মোল্লা নাম লেখা আছে।

প্রশ্ন : এই বইটি পড়েছেন আপনি।

উত্তর : না পড়িনি। এই প্রথম বইটি দেখলাম।

প্রশ্ন : মতি মাস্টারকে আপনার ভাই চিনেন?

উত্তর : যেহেতু আমরা একই গ্রামের তাই সবাই সবাইকে আমরা চিনি।

প্রশ্ন : আপনার ভাই আলতাফউদ্দিন কর্তৃক এই বইটি লেখার সময় মতি মাস্টার সাহায্য করেছিল।

উত্তর : আমার জানা নাই।

প্রশ্ন : এই বইয়ে বর্ণিত ঘটনার সাথে আবদুল কাদের মোল্লা জড়িত ছিলেন না বলেই বইটি আপনি পড়েননি বলে বলছেন?

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : '৭০ সালে আপনি যে ভোটার ছিলেন তার স্বপক্ষে কোন কাগজপত্র ট্রাইব্যুনালে কিংবা তদন্তকর্মকর্তার কাছে দিয়েছেন?

উত্তর : না, দেইনি।

প্রশ্ন : ৭০/৭১ সালে আপনি কাদের মোল্লাকে কোনভাবেই চিনতেন না।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : ধানকাটার লোক ও গ্রামের লোকজনকে আপনি পাক আর্মি কর্তৃক একত্রে জড়ো করতে দেখেননি।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : লোকজনকে কোথায় জড়ো করেছিল?

উত্তর : গ্রামের উত্তরপাশে যেখানে ধান কেটে মাড়াই করে সেখানে লোকজনকে জড়ো করেছিল।

প্রশ্ন : সে সময়ে কাদের মোল্লার কোন বাহিনী ছিল না।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : কাদের মোল্লা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং রাইফেল নিয়ে উপস্থিত ছিলেন না বা আর্মিদের সাথে উর্দুতে কথা বলেননি বা গুলী করেনি।

উত্তর : সত্য নয়। কাদের মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশ্ন : আপনি এখন কি করেন।

উত্তর : ইস্টার্ন হাউজিংয়ের সাথে বিজ্ঞাপনের কাজ করি।

প্রশ্ন : আপনার জন্ম তারিখ কত?

উত্তর : ২৪/১১/১৯৫৩ (জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে)

প্রশ্ন : আপনি আদালতে শপথ গ্রহণ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : আপনার বিয়ের তারিখ মনে আছে?

উত্তর : মনে নেই।

প্রশ্ন : আপনার সন্তানদের জন্ম তারিখ বলতে পারবেন?

উত্তর : না, মনে নেই।

প্রশ্ন : আপনার ভাই আলতাফউদ্দিন কি করেন?

উত্তর : রাজনীতি করেন তবে এর বাইরে আর কি কি করেন বলতে পারবো না।

প্রশ্ন : আলতাফউদ্দিন মোল্লা আর আপনি কি একই বাড়িতে থাকেন?

উত্তর : না। এক বাড়িতে থাকি না।