Quantcast
ঢাকা, বুধবার 8 August 2012, ২৪ শ্রাবণ ১৪১৯, ১৯ রমযান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ১৫২১ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

জেরায় বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষীদের কাছে না গিয়েই তাদের হাজির করা সম্ভব নয় বলে প্রতিবেদন দেন

নাজমুল আহসান রাজু : মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ৪৬ জন সাক্ষীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা সম্ভব নয় বলে তাদের জবানবন্দিকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিলো। তদন্ত কর্মকর্তাকে ডিফেন্সপক্ষের করা জেরায় এই বিষয়ে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আসলে মামলার তদন্ত যশোর ও ঢাকায় অবস্থান করা সাক্ষীদের কাছে না গিয়েই জবানবন্দিকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের প্রতিবেদন দিয়েছিলেন। গত ২০ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে ৪৬ জন সাক্ষীকে হাজির না করতে একটি আবেদন করা হয়। তারা তদন্ত কর্মকর্তার কাছে যে জবানবন্দি দিয়েছেন তা যেন তাদের অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয় এটা উল্লেখ ছিলো।

গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে ডিফেন্সপক্ষ জেরা করলে তিনি স্বীকার করেন যে, মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে অনুপস্থিত যেসব সাক্ষী ঢাকায় এবং যশোরে রয়েছেন তাদেরকে হাজির করার জন্য তিনি তাদের কাছে যাননি। এমনকি তারপক্ষ থেকে কোন অফিসারকেও সমনসহ পাঠাননি। ঢাকায় অবস্থান করা ১১ সাক্ষী হলেন শাহরিয়ার কবির, জুয়েল আইচ, মেজর (অবঃ) জিয়াউদ্দিন, জাফর ইকবাল, আলী হায়দার খান, সুফিয়া হায়দার, আফরোজা পারভীন, এ কে এম জগলুল হায়দার আফরিক। যশোরে অবস্থানরত অনুপস্থিত তিনজন সাক্ষী হলেন- তোজাম্মেল হোসেন, সদরুদ্দিন এবং  খন্দকার শহীদুল্লাহ। ট্রাইব্যুনালে কোনোভাবেই হাজির করা সম্ভব নয় বলে যে ৪৬ জন সাক্ষীর তালিকা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জমা দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে ওই ১১ জন সাক্ষীও রয়েছেন।

বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, বিচারপতি আনোয়ারুল হক ও এ কে এম জহির আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গতকাল মঙ্গলবার সকাল ও দুপুরে তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে জেরা করেন ডিফেন্সপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম। তাকে সহায়তা করেন এডভোকেট মনজুর আহমেদ আনসারী, আবু বকর সিদ্দিক। আজ বুধবারও জেরা করবেন ডিফেন্সপক্ষ।

গতকাল মঙ্গলবারের জেরা :

কালিবাড়ি, পালপাড়া, শিকারপুর, রাজারহাট কুকারপাড়া, ডুমুরতলা, নবাবপুর, আলমকুটি, ঢুকিগাতি, চিংরাখালী এই এলাকাগুলোতে জনগোষ্ঠী আছে। আপনি কালিবাড়িসহ এসব এলাকায় গেছেন?

উত্তর- জি গেছি।

প্রশ্ন- তদন্তকালে কালিবাড়ি, পালপাড়া, শিকারপুরসহ এসব এলাকায় ৫৫ বছরের বেশি কোনো ব্যক্তির সন্ধান পান কিনা। এ গ্রামের কোনো ব্যক্তির জবাবনবন্দি রেকর্ড করেছেন কিনা?

উত্তর- এসব এলাকায় গিয়েছিলাম, কোনো ব্যক্তির জবানবন্দি নিয়েছিলাম কিনা আমার নোটে না থাকায় কারো জবানবন্দি রেকর্ড করি নাই।

প্রশ্ন- পাড়েরহাটের যে রাস্তা সেই রাস্তার দু'পাশে ১৯৭১ সালের ৫ মে পাকিস্তানী আর্মি আসেনি। মাছিমপুর হিন্দুপাড়া নির্দিষ্ট হিন্দুপাড়া আছে কিনা, হিন্দু পাড়া কোন দিকে?

উত্তর- হিন্দুপাড়া মাছিমপুরের মধ্য এলাকায়।

প্রশ্ন- '৭১ সালে মাছিমপুরের কোনো পাশে রাস্তা ছিল কি না?

উত্তর- জি, রাস্তা ছিল।

প্রশ্ন- কোন পাশে রাস্তা ছিল?

উত্তর- মাছিমপুরের পাশ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে এবং উত্তর-দক্ষিণে রাস্তা ছিল। এটা মাছিমপুর এলাকার ভেতরের রাস্তা।

প্রশ্ন- পূর্ব-পশ্চিমের রাস্তার পাশে কার কার বাড়ি ছিল?

উত্তর- রাস্তার দক্ষিণ পাশে বিজয় কৃষ্ণ মিস্ত্রি, মনিন্দ্র নাথ মিস্ত্রির বাড়ি ছিল।

প্রশ্ন- আগের দিন বলেছেন সুমতি রানী মন্ডলের বাড়িতে ওই দিন ছাড়া আর যাননি।

উত্তর- যাইনি।

প্রশ্ন- বিজয় কৃষ্ণ মিস্ত্রি ও মনিন্দ্র নাথ মিস্ত্রির বাড়িতে যাওয়ার বিষয়ে যেটা বলেছেন আপনার কোনো নোটে আছে কি না?

উত্তর- তবে এ ব্যাপারে আমার কোনো নোট নেই।

প্রশ্ন- আপনি স্মরণশক্তি থেকে বলছেন?

উত্তর- আমার স্মরণশক্তি থেকে বলছি।

প্রশ্ন- মাছিমপুরে উত্তর-দক্ষিণ পাশের রাস্তায় আর কার বাড়ি ছিল?

উত্তর- '৭১ সালে সাক্ষী এডভোকেট গোপাল কৃষ্ণ মন্ডলের পুরাতন বাড়ি ছিল। উল্লেখিত এই তিনটা বাড়ি ছাড়া আরো অনেক লোকের বাড়ি ছিল।

প্রশ্ন- মাছিমপুরের উত্তর-দক্ষিণ কোন এলাকা?

উত্তর- দক্ষিণ দিকে মুন্সিবাড়ি পাড়া। উত্তর দিকে রাস্তা এবং রাস্তা সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড।

প্রশ্ন- এই রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় কার কার বাড়ি ছিল?

উত্তর- ১৯৭১ সালে কার বাড়ি ছিল তা আমার নোটে না থাকায় বলতে পারছি না।

প্রশ্ন- পাড়েরহাট বাজারের উত্তর দিকে কোন এলাকা?

উত্তর- পাড়েরহাট বাজারের উত্তরে শংকরপাশা।

প্রশ্ন- পাড়েরহাট বাজারের এবং শংকরপাশা মাঝখানে রাস্তা আছে কি না?

উত্তর- একদম মাঝখানে সরাসরি রাস্তা নেই। রাস্তার কিছু অংশ শংকরপাশা গ্রামে ঢুকেছে কিছু অংশ পাড়েরহাট বাজারে ঢুকেছে।

প্রশ্ন- পাড়েরহাট বাজারের দক্ষিণে কী আছে?

উত্তর- নদী।

প্রশ্ন- পশ্চিমে

উত্তর- উমেদপুর গ্রাম।

প্রশ্ন- উমেদপুর বাজারে মধ্য সীমানায় রাস্তা আছে কী?

উত্তর- মধ্য সীমানায় কোনো সরাসরি রাস্তা নেই, রাস্তার কিছু অংশ উমেদপুরে ঢুকেছে এবং কিছু অংশ।

প্রশ্ন- পূর্বে?

উত্তর- খাল।

প্রশ্ন- পিরোজপুর জেলা সদর থেকে শিকারপুর কোন দিকে?

উত্তর- কোন দিকে কত দূরে আমার নোটে না থাকায় বলতে পারছি না।

প্রশ্ন- চিংরাখালী গিয়েছিলেন?

উত্তর- নোটে না থাকায় বলতে পারছি না।

প্রশ্ন- চিংরাখালী গ্রাম বাগেরহাটে?

উত্তর- এটা সত্য নয়।

প্রশ্ন- ১৯৭১ সালে পাড়েরহাটে সাঈদী সাহেব যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন, তদন্দকালে সে বাড়ির খোঁজ পেয়েছিলেন কী না?

উত্তর- ১৯৭১ সালে সাঈদী সাহেব পাড়েরহাটে ভাড়া থাকতেন কিনা তা আমার নোটে নাই। তবে তিনি খালের ওপারে বাদুরায় তার শ্বশুর ইউনুস মুন্সীর বাড়িতে থাকতেন।

প্রশ্ন- সাক্ষী গৌরাঙ্গ সাহার জবানবন্দি রেকর্ড করার দিন দোকানে গিয়েছিলে কখন?

উত্তর- দোকানে যাইনি।

প্রশ্ন- গৌরাঙ্গ সাহার বাড়ি পাকিস্তান আর্মি আসার আগে লুট হয়েছিল?

উত্তর- কোনো তথ্য পাইনি।

প্রশ্ন- গৌরাঙ্গ সাহার জন্মতারিখ ০৮-০৭-১৯৬৩?

উত্তর- এটা সত্য নয়।

প্রশ্ন- মামলার প্রয়োজনে তার বয়স বেশি দেখিয়েছিলেন?

উত্তর- সত্য নয়।

প্রশ্ন- সাক্ষী দেয়ার পর তাকে মিষ্টিও খাইয়েছিলেন।

উত্তর- এটা সত্য নয়।

প্রশ্ন- সাক্ষী মোস্তফা হাওলাদারের জন্মতারিখ ০৫-১২-৫৭ সালে। মামলার প্রয়োজনে তার বয়স বেশি দেখানো হয়েছে?

উত্তর- এটা সত্য নয়।

প্রশ্ন- সাক্ষী মিজানুর রহমান তালুকদার স্বাধীনতা উত্তরকালে যুদ্ধকালীন সময়ে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করে যাদের ফেরত দিয়েছিলেন, তাদের কারো জবানবন্দি রেকর্ড করেননি, সাক্ষীও নেননি।

উত্তর- তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করতে পারি নাই, কারণ তাদের কিছু ভারতে চলে গেছে বাকিরা মৃত।

প্রশ্ন- পাঁচ তহবিলের মালামাল ক্রয়কারীর নাম পেয়েছিলেন?

উত্তর- কোনো নাম আমি পাইনি।

প্রশ্ন- আবদুল হালিম হাওলাদার জন্মতারিখ ০৬-০৬-১৯৬০। মামলার প্রয়োজনে তার বয়স বেশি দেখিয়ে তাকে প্রভাবিত করে অত্র মামলায় অসত্য সাক্ষ্য প্রদান করেন।

উত্তর- এটা সত্য নয়।

প্রশ্ন- তদন্তকালীন ছাড়া আপনি ডাইরি লিখেছেন?

উত্তর- আমি ব্যক্তিগত ডাইরি (পিডি) মেইন্টেইন করি না।

প্রশ্ন- ট্রাইব্যুনাল থেকে যে সকল সাক্ষীদের সাক্ষ্য দেখার জন্য ট্রাইব্যুনালের প্রসেস পেয়েছিলেন সে প্রসেস সংরক্ষিত আছে?

উত্তর- সংরক্ষিত আছে।

প্রশ্ন- কতজন সাক্ষীর প্রসেস এবং কার কার প্রসেস অত্র ট্রাইব্যুনাল থেকে ইস্যু করা হয়েছিল?

উত্তর- তা আমার স্মরণ না থাকায় বলতে পারছি না।

প্রশ্ন- সর্বশেষ কবে বুঝতে পারলেন এ মামলায় আর কোনো সাক্ষী হাজির করতে পারবেন না?

উত্তর- তা বলতে পারছি না, তবে সাক্ষীদের আনার জন্য কয়েকবার গিয়ে এবং সাক্ষীদের সঙ্গে এবং আশপাশের লোকজনের সঙ্গে আলাপ করে এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে বুঝতে পারি যে, আর সাক্ষীদের আনা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রশ্ন- কতজন সাক্ষীর কাছে গিয়েছিলেন?

উত্তর- সংখ্যা বলতে পারবো না। আমি নিজে এবং অনেক অফিসার সাক্ষীর কাছে গিয়েছি।

প্রশ্ন- এদের মধ্যে যশোরে এবং ঢাকায় কতোজন সাক্ষীর কাছে আপনি নিজে বা অফিসারদের পাঠিয়েছিলেন?

উত্তর- অনুপস্থিত সাক্ষীদের মধ্যে যশোর, ঢাকায় যারা থাকেন তাদের কাছে আমি বা আমার পক্ষে কেউ যায়নি।

প্রশ্ন- সাক্ষীদের হাজির করতে না পারার বিষয়ে প্রধান প্রসিকিউটর বরাবরে কতো তারিখে প্রতিবেদন দিয়েছেন?

উত্তর- একটি নয় দু'টি দিয়েছি। সম্ভবত এ বছর ১৭ মার্চ এবং ১৯ মার্চ দিয়েছি।

প্রশ্ন- ১৭ মার্চ ও ১৯ মার্চের প্রতিবেদন বাদে আর কোনো প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন?

উত্তর- এ দুটি প্রতিবেদন বাদে আর কোনো প্রতিবেদন নেই।

প্রশ্ন- ১৭ মার্চের প্রতিবেদন কার কার দেয়া তথ্যে জমা দিয়েছেন?

উত্তর- ১৭ মার্চের প্রতিবেদন আমি সুখ রঞ্জন বালীর স্ত্রী, তার মেয়ে মনিকা এবং ওই বাড়ির আশপাশের লোকালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে, উষা রানী মালাকারের বাড়িতে গিয়ে তার অবস্থা দেখে তার ছেলে এবং আশপাশের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করে, ইন্দুরকানি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অন্যান্য অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং এই মামলা সংক্রান্ত অন্য সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে এবং পাড়েরহাটের অনেকের সঙ্গে কথা বলে গোপন তদন্তের মাধ্যমে উল্লিখিত প্রতিবেদন দেই।

প্রশ্ন- ১৯ মার্চের প্রতিবেদন কার কার তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে?

উত্তর- ১৯ মার্চের প্রতিবেদনে যে সব সাক্ষীর নাম উল্লেখ আছে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং এই মামলার অন্যান্য সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ করে তথ্য সংগ্রহ এবং গোপন তদন্তের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এবং ইন্দুরকানি থানা ও পিরোজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অন্যান্য অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করে উল্লিখিত প্রতিবেদন দেই।

প্রশ্ন- প্রতিবেদন দেয়ার আগে কোন কোন সাক্ষীর সঙ্গে কথা বলেছেন?

উত্তর- মাহবুবুল আলম হাওলাদার, রুহুল আমীন নবীন এবং মানিক পসারী এবং সুলতানদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলাম।

প্রশ্ন- সাক্ষী গনেশ সাহার বাগমারার গ্রামে কোনো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে?

উত্তর- আছে কিনা আমি খোঁজ করিনি।

প্রশ্ন- ওই গ্রামের সবচেয়ে ধনী লোকের খোঁজ পেয়েছেন?

উত্তর- ওই গ্রামে সাধারণভাবে ধনী হিসেবে পরিচিত কোনো ব্যক্তির খোঁজ আমি নেইনি।

প্রশ্ন- ওই গ্রামের প্রভাবশালী কোনো ব্যক্তির সাথে দেখা করেছেন?

উত্তর- আমি দেখা করেছিলাম, তার নাম এখন মনে নেই, তার বাড়ি গিয়েছিলাম।

প্রশ্ন- উনার বাড়ি গনেশদের বাড়ি থেকে কোন দিকে এবং কত দূরে?

উত্তর- তার বাড়ির দিক বলতে পারবো না। গনেশ চন্দ্র সাহাদের বাড়ি থেকে কোয়ার্টার মাইল দূরে।

প্রশ্ন- তার পেশা কি?

উত্তর- জমিজমা দেখাশুনা করেন।

প্রশ্ন- গনেশচন্দ্র সাহার আশপাশে বাড়ি ঘর আছে?

উত্তর- আছে।

প্রশ্ন- এস আই বাদল কৃষ্ণ ভাগিরথীর ছেলে গনেশচন্দ্র সাহার নিখোঁজ সংক্রান্ত কোনো রিপোর্ট থানায় দিয়েছিলেন কী না?

উত্তর- জানা নেই।

প্রশ্ন- তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানা বা আদালতে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কী না?

উত্তর- সম্ভবত হয় নাই। কারণ সাক্ষী ডাকাতের ভয়ে আত্মগোপন করে আছে। মাঝেমধ্যে গোপনে এসে সে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

প্রশ্ন- যে ডাকাতের ভয়ে আছে সে ডাকাতের অনুসন্ধানের জন্য পিরোজপুরের থানাতে কোনো জিডি বা এজাহার হয়েছে কি না?

উত্তর- আমার জানা মতে এজাহারও হয়েছে জিডিও হয়েছে। ওই ডাকাতদলের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে বলে শুনেছি।

প্রশ্ন- এই ডাকাতের বাড়ি কি পিরোজপুরে না বাইরে?

উত্তর- পিরোজপুর জেলার ভিতরে।

প্রশ্ন- ওই ডাকাতের বিরুদ্ধে হুলিয়াও জারি হয়েছে?

উত্তর- ডাকাতদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি আছে এবং তারা শাস্তিপ্রাপ্ত ডাকাত।

প্রশ্ন- এই ডাকাত ও তার ভাই আশির দশকের শুরু থেকে ডাকাতি করে?

উত্তর- এই ডাকাতেরা দুই ভাই কি না বলতে পারবো না।