Quantcast
ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 August 2012, ২৫ শ্রাবণ ১৪১৯, ২০ রমযান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৬৩৩ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

রমনা থানার রুকন সম্মেলনে নাজির আহমদ

ফরমায়েশী বাদী আর সাক্ষী দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার হয় না

গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (ঢাকা মহানগরীর) রমনা থানার (রুকন) সদস্য সম্মেলনে বক্তব্য পেশ করেন দলের নায়েবে আমীর অধ্যাপক এ কে এম নাজির আহমদ -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক এ কে এম নাজির আহমদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা সব মিথ্যা। ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়াই হলো তাদের অপরাধ। ফরমায়েশী বাদী আর সাক্ষী দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার হয় না। তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে অচিরেই নেতৃবৃন্দ মুক্ত হয়ে আবার নেতৃত্ব দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স হলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী রমনা থানার উদ্যোগে ষান্মাসিক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। থানা আমীর ড. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল হালিম। পরিচালনা করেন থানা সেক্রেটারি মোঃ হাবিবুর রহমান।

নাজির আহমদ বলেন, ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়াই হলো জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের একমাত্র অপরাধ। বাংলাদেশকে একটি আধুনিক ও কল্যাণকর ইসলামী রাষ্ট্র বানানোর কাজ করার জন্যই বর্তমান সরকার জামায়াত নেতৃবৃন্দকে বন্দি করে রেখেছে। জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সারাবিশ্বে সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষ তাদের শ্রদ্ধা করলেও বর্তমান জালিম সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তাদেরকে আটক করে তাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালাচ্ছে। জামায়াত নেতৃবৃন্দ কখনো মানবতাবিরোধী অপরাধ হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের মত কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। ফরমায়েশী বাদী আর সাক্ষী দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার হয় না। সরকার জঘন্য মিথ্যাচার করে জামায়াত নেতৃবৃন্দের চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সরকারের এই জুলুম-নির্যাতন ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আইনী লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠে-ময়দানেও দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, রুকনরা হল সংগঠনের স্তম্ভ। রুকনদের ওপরই সংগঠন নির্ভরশীল। রুকনরা যত শক্তিশালী হবে সংগঠনও ঠিক তত শক্তিশালী হবে। রুকনদেরকে দেখে কর্মীরা অনুপ্রাণিত হয়। এজন্য রুকনদেরকে ভাবতে হবে কর্মীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারছি কিনা। রুকনদের ভূমিকা যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয় তাহলে কর্মীরা আর সামনে অগ্রসর হয় না।

তিনি আরো বলেন, ইসলামী আন্দোলনের পথে কখনো ফুল বিছানো থাকে না। ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের জন্য রাজপথ কখনো বাধাহীন খোলা থাকবে না। বাধা আসবে। জেল-জুলুমসহ অসহনীয় নির্যাতন আসবে। এসব বাধাকে উপেক্ষা করেই ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদেরকে সামনে অগ্রসর হতে হবে। কোন বাধাই মুমিনদেরকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরাতে পারে না। কারণ মুমিনদের একমাত্র পরম চাওয়া ও পাওয়া হল আল্লাহর সন্তুষ্টি। আখেরাতের জবাবদিহির অনুভূতি নিয়ে মাঠে-ময়দানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে তিনি রুকনদের প্রতি আহবান জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, একজন রুকন হিসেবে আমাদের মানকে আরো উন্নত করতে হবে। কুরআন-হাদীস অধ্যয়নের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে। কর্মী গঠনের ক্ষেত্রেও রুকনদেরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার জন্য তিনি আহবান জানান।