|
|
বার্তা২৪ ডটনেট : শুধু ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে নয় স্বাধীনতার চেতনার কেউ যেন বাংলাদেশকে আর নেতৃত্ব দিতে না পারে সেজন্যই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি। স্বাধীনতার চেতনাকে নিশ্চিহ্ন করতে আজো তৎপর তারা। বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছার জন্মদিন উপলক্ষে জাতীয় মহিলা পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক নেতা না হয়েও নেপথ্যে থেকে বড় মাপের সংগঠক ছিলেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা। বিভিন্ন সংকটের কারণে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তিনি।’’ একই সঙ্গে মা হিসেবে ফজিলাতুন্নেছার কর্মময় জীবনের বিভিন্ন অজানা দিক তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সপরিবারে প্রাণ দেয়া নিজের মায়ের স্মৃতি ও আদর্শকে সঙ্গে নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে আরো শক্তিশালী করতে সবার সহযোগিতা চান তিনি। এ সময় আলোচকরা স্মৃতিচারণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি, আন্দোলন সংগ্রাম এবং স্বাধীনতা অর্জনে নেপথ্যে থাকা সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছার বিভিন্ন ভূমিকার কথা আলোচনা করেন। আর ফজিলাতুন্নেছার শিক্ষণীয় দিকগুলো আজো অনেক রাজনীতিবিদের জন্য অনুসরণীয় বলে মনে করেন তারা।

