Quantcast
ঢাকা, শুক্রবার 17 August 2012, ২ ভাদ্র ১৪১৯, ২৮ রমযান ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ২১৭৭ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

পিরোজপুরের ৪টি গ্রামে লাইলাতুল ক্বদরের রাতে পুলিশি অভিযান

মাওলানা সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী ও ভক্তরা এলাকাছাড়া

পিরোজপুর সংবাদদাতা : জেলার জিয়ানগর উপজেলার নলবুনিয়া, টেংরাখালী, হোগলাবুনিয়া ও গদরহাওলা গ্রামে গত বুধবার দিবাগত গভীর রাতে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আতংক সৃষ্টি করেছে। মাওলানা সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী ও ভক্তরা এলাকাছাড়া।

জানা গেছে, বিশ্ব নন্দিত মুফাসসিরে কুরআন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষের স্থানীয় সাক্ষীসহ নিরীহ মুসল্লিদের ১৪/১৫ বাড়িতে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা গত বুধবার রাত ১১-০০টা থেকে ৩-৩০ পর্যন্ত অভিযান চালিয়েছে। পবিত্র লাইলাতুল ক্বদরের রাতে এসব গ্রামের পুরুষেরা পুলিশি আশংকায় সুস্থ মনে ইবাদত করতে পারেনি। এই ৪টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মাওলানা সাঈদীর ভক্ত ও অনুসারী। পুলিশ প্রথমে ২টি গাড়ি নিয়ে অভিযানে নামে। পরে নসিমন টাইপের গাড়ি নিয়ে ছোট রাস্তা দিয়ে গ্রামে ঢুকে বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালায়। গ্রামগুলোর বেশিরভাগ পুরুষ পবিত্র লাইলাতুল ক্বদরের রাতের ইবাদত-বন্দেগীর জন্য মসজিদে থাকায় পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার নলবুনিয়া, টেংরাখালী, হোগলাবুনিয়া ও গদরাহাওলা গ্রামে সরেজমিনে মাওলানা সাঈদীর পক্ষের কোন সাক্ষী বা ভক্তদের গ্রামে পাওয়া যায়নি। তবে মহিলারা জানান, ক্বদরের রাতে আব্দুর রশীদ, খায়রুল আলম, মোশাররফ হোসেন, হেমায়েত শরীফ, ছাবেল ফকির, ইসমাইল, আব্দুর রবসহ আরো অন্তত ১০টি বাড়িতে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা হানা দেয়। ফলে এসব বাড়ির পুরুষেরা গ্রেফতার ও সন্ত্রাসী হামলার আশংকায় গা ঢাকা দিয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ৪টি গ্রামের মাওলানা সাঈদীর ভক্তদের মধ্যে একদিকে পুলিশি হয়রানির আশংকা ও অন্যদিকে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করা হলেও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ১৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মাওলানা সাঈদীর পক্ষে প্রদত্ত ৪৮ জন সাক্ষীর তালিকা থেকে মাত্র ২০ জন সাক্ষীকে হাজির করানো যাবে বলে নির্দেশ দেয়া হয়। একই আদেশে ২৩ আগস্টের মধ্যে ২০ জনের তালিকা এবং ২৮ তারিখ থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করা হবে মর্মে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।