|
|
আজহারকে মুক্তিদানে গড়িমসি ও বাসায় পুলিশী উপস্থিতির প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশব্যাপী বিক্ষোভ
জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের ওপর রাজনৈতিক নিপীড়ন বন্ধের দাবীতে গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে -সংগ্রাম
স্টাফ রিপোর্টার : আদালত থেকে সকল মামলায় জামিন লাভের পরও জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মুক্তিদানে গড়িমসি এবং মুক্তির পর তার বাসভবনে পুলিশী উপস্থিতি ও গোয়েন্দা নজরদারীর প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। ঢাকায় অনুষ্ঠিত মিছিল পরবর্তী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর মজলিশে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন বলেছেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর চরম নিগ্রহের পথ বেছে নিয়েছে। ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম আদালত থেকে সকল মামলায় জামিন লাভের পরও সরকার দু'দিন পর্যন্ত তাকে অন্যায় ও বেআইনীভাবে আটক রেখে আদালত অবমাননা ও মানবাধিকারের চরম লংঘন করেছে। জনগণের চাপের মুখে সরকার তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হলেও তারা বাসায় পুলিশী পাহারা বসিয়ে ও গোয়েন্দা নজরদারীর আওতায় এনে তার নাগরিক, ব্যক্তিগত মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। যা দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধানের গুরুতর লংঘন। তিনি হীনমন্যতা পরিহার করে অবিলম্বে জনাব আজহারের বাসা থেকে পুলিশী বেস্টনী ও গোয়েন্দা নজরদারী প্রত্যাহার করতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ডাঃ রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, আব্দুস সবুর ফকির, লস্কর মোঃ তাসনীম, শ্যামপুর থানা আ জ ম রুহুল কুদ্দুস, মতিঝিল থানা আমীর কামাল হোসাইন, সূত্রাপুর থানা আমীর এ বি এম সাইফুল্লাহ, শিবির মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি শাহীন আহমদ খান, যাত্রাবাড়ী থানার কর্মপরিষদ সদস্য খন্দকার ইমদাদুল হক, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন ও হাফেজ তাজ উদ্দীন প্রমুখ।
সেলিম উদ্দীন বলেন, সরকার আজহারকে অন্যায়ভাবে প্রায় এক বছর আটক রেখেছিল। আমরা তাকে যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া ও আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে মুক্ত করে এনেছি। কিন্তু সরকার তাকে স্বাভাবিক চলাফেরায় বাধা প্রদান করে তার সাথে অমানবিক আচরণ করছে। তিনি তার কোনো নিকটাত্মীয় ও সহকর্মীদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারছেন না। আসন্ন ঈদের আনন্দ থেকে তাকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র করছে সরকার। তিনি দেশে প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ও মানবিক দিক বিবেচনায় যাতে ঈদের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগী করতে পারেন এজন্য তার চলাচলে সকল প্রকার প্রতিবন্ধকতা প্রত্যাহার করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় ঈদের পরে সরকারকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের কাছে পর্বত প্রমাণ প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে তারা এখন সবকিছু ভুলে গেছে। তারা দেশ পরিচালনায় ও জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা বিধানে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা দেশের মানুষের জন্য গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সুব্যবস্থা করতে পারেনি। দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। উপর্যুপরি সরকারি দলের হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও জুলুমবাজিতে দেশের মানুষ দিশেহারা। সরকার দেশের মানুষের স্বার্থের কথা চিন্তা না করে নিজেরা আখের গোছাতে ব্যস্ত। তারা ইতোমধ্যেই দেশকে দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে। তাই দেশের মানুষ এই জুলুমবাজ, ব্যর্থ ও দুর্নীতিবাজ সরকারকে আর এক মুহূর্তও ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তিনি অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ করে কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন দিয়ে জনমত যাচাইয়ের আহবান জানান।
তিনি আরো বলেন, কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে আটক করে নিজেরাই মানবতাবিরোধী অপরাধ ও মানবাধিকার লংঘন করছে। যে আইনে এখন জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে মূলত সে আইন প্রণীত হয়েছিল ১৯৫ জন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী পাক বাহিনীর সদস্যদের বিচারের জন্য। কিন্তু সরকার মূলত অভিযুক্তদের ছেড়ে দিয়ে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে আটক করে বিচারের নামে প্রহসন করছে। তিনি সময় থাকতে শুভবুদ্ধি পরিচয় দিয়ে অবিলম্বে প্রহসন ও তামাশার বিচার বন্ধ করে আমীরে জামায়াত মাওলানা নিজামীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের ঈদের আগেই মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় ঈদের পরে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলে নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করা হবে।
চট্টগ্রাম : জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক ধারাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশের বিচার বিভাগকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দলীয়করণ করে ও সরকারি চাপে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা ও কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগে মামলা দিয়ে কারাগারে আটক রেখেছে। জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম দীর্ঘদিন কারাভোগের পর মুক্তিলাভ করেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য মুক্তিলাভের পর থেকে পুলিশী পাহারায় রাখা, কাউকে দেখা করতে বাধা দেয়া অত্যন্ত অমানবিক ও মানবাধিকার লংঘন। এটা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। তার গাড়িতে ও বাড়িতে পুলিশ পাহারা এটা কোন গণতান্ত্রিক দেশের সভ্য আচরণ হতে পারে না। এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা সরকারের এহেন স্বৈরাচারী আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে তার বাসা থেকে পুলিশ প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি।
জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত সদ্য কারামুক্ত ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বাসায় পুলিশী পাহারা ও তাকে গৃহবন্দি করার প্রতিবাদে ও অবিলম্বে তার বাসা থেকে পুলিশ প্রত্যাহারের দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
দেওয়ান বাজারস্থ ইসলামিক একাডেমী মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে আমীর মুহাম্মদ জাফর সাদেক, উত্তর জেলা আমীর অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আমিরুজ্জামান, নগর জামায়াতে এসিসটেন্ট সেক্রেটারি আ.জ.ম. ওবায়েদুল্লাহ্ ও অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, নগর প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ্ প্রমুখ।
খুলনা অফিস : সদ্য কারামুক্ত জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে গৃহবন্দী করার প্রতিবাদে খুলনা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগরী আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন খুলনা বিভাগের সভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, জামায়াতের খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি খান গোলাম রসুল, এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, মহানগর শিবির সভাপতি মু. সাইদুর রহমান, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাফায়েত আলী মিয়া, খুলনা সদর থানা আমীর অধ্যাপক জিএম শফিকুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, খালিশপুর থানা আমীর মোঃ আজিজুর রহমান, দৌলতপুর থানা আমীর বিএম জসিম উদ্দিন, খানজাহান আলী থানা আমীর মোঃ আজিজুর রহমান স্বপন, নগর শিবির সেক্রেটারি মোঃ আজিজুর রহমান ফারাজি প্রমুখ।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকার প্রায় এক বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটি এম আজহারুল ইসলামকে আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে। কয়েকবার আদালত থেকে জামিন পেলেও জেল গেট থেকে তাকে আবারও অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে। সর্বশেষ উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। তার বাড়ির চারপাশে সাদা পোশাকধারী পুলিশ অবস্থান নিয়ে তাকে এক প্রকার গৃহবন্দি করে রেখেছেন। তাকে আবারও বিভিন্ন ছুতায় মামলা সাজিয়ে কারাগারে পাঠানোর পাঁয়তারা চালাচ্ছে সরকার। এভাবে গৃহবন্দি করে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন ঠেকানো যাবে না। তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন এর পরিণাম ভাল হবে না। এমন বিধ্বংসী কর্মকান্ড থেকে বিরত থেকে সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা করার আহবান জানান।
সিলেট ব্যুরো : এটিএম আজহারুল ইসলাম মিথ্যা মামলায় আদালত থেকে জামিনপ্রাপ্তির পর তার বাসায় পুলিশী ঘেরাও আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাংখীদের প্রবেশাধিকারে বিধি নিষেধের প্রতিবাদে সিলেট নগর জামায়াতের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগরী আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, এ সরকার আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী নয় বলেই জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে হয়রানি করছে। দীর্ঘ প্রায় এক বৎসর কারাভোগের পর আদালত থেকে জামিনপ্রাপ্ত হয়ে এটিএম আজহার নিজ বাসায় এসে পুলিশী হয়রানি থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, এরূপ একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার প্রতি সরকারের এ অত্যাচার-নির্যাতন ও হিংসাত্মক আচরণ আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের জন্য কলংক হয়ে থাকবে। আর এখন জামিনপ্রাপ্তির পরও এটিএম আজহারুল ইসলামকে হয়রানি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লংঘন। তিনি তার বাসা থেকে অবিলম্বে পুলিশ প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
নগর জামায়াতের সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম শাহীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মোঃ ফখরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা এডভোকেট জিয়া উদ্দিন নাদের, মুফতী আলী হায়দার, মাওলানা মুজিবুর রহমান, ছাত্রশিবির মহানগর সভাপতি আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু প্রমুখ।
রংপুর : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম সকল মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তাকে গৃহবন্দি করে রাখার প্রতিবাদে ও অবিলম্বে তার বাসা থেকে পুলিশ প্রত্যাহারের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগরীর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল শেষে স্থানীয় শাপলা চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগরীর আমীর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল। বক্তব্য রাখেন রংপুর জেলা আমীর মাওলানা এটিএম আজম খান, মহানগর সেক্রেটারি মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ও কোতয়ালী থানা আমীর নুরুল আমীন মন্ডল ও শিবিরের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক আলমগীর হোসাইন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন মহানগরী নায়েবে আমীর শাহ মুহাম্মদ নুর হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য ও হাজীরহাট থানা আমীর এডভোকেট কাওছার আলীসহ মহানগর ও থানা নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে বেলাল বলেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ ও ইসলাম নির্মূল করার জন্য জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা, সাজানো ও ভিত্তিহীন অসংখ্য মামলা প্রদান করেছে। শুধু তাই নয় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেলের বিরুদ্ধে ১২টি মিথ্যা এবং সাজানো মামলা দিয়ে প্রায় ১ বছর ধরে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছিল। তিনি গত বুধবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে সকল মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে বাসায় যান। বাসায় যাওয়ার পর থেকেই পুলিশ দিয়ে তার বাসভবনে তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে, যা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের চরম লংঘন। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং তার বাসভবন থেকে অবিলম্বে পুলিশ প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

