|
|
স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহানগর নাট্য মঞ্চে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া -সংগ্রাম
0আ'লীগ যে ভাষায় কথা বলবে, আমরা সেই ভাষায় জবাব দেব00 নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করবো
স্টাফ রিপোর্টার : বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এদেশে আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। যতই ষড়যন্ত্র হোক, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে তাদেরকে বাধ্য করা হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যে ভাষায় কথা বলবে, আমরা সেই ভাষায় জবাব দেব। সেভাবে প্রস্তুতি নিতে তিনি সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন। বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ভারতসহ সব দেশের সঙ্গে আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা নয়, নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে দাবি আদায়ের মাধ্যমে জনগণের ভোটে আমরা ক্ষমতায় যাব।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ১৮ দলীয় জোটনেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন এসব কথা বলেন। ১১ জুনের গণসমাবেশের আল্টিমেটামের পর দীর্ঘ আড়াই মাস পর তিনি মিডিয়ার সামনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বক্তৃতা করেন।
বক্তৃতায় নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবির পক্ষে যুক্তি, ঘোষিত কর্মসূচির ব্যাখ্যা, ভারতসহ আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বের আহবান, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের দুর্নীতি, দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতা, জনগণের ওপর নির্যাতন, জনবিরোধী নানা সিদ্ধান্ত, বিরোধী দলের ওপর নির্যাতন এবং আগামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার আহবান জানিয়ে বক্তৃতা করেন। শুরুতেই তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ও রাজপথের আন্দোলনে ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, জনগণের ভোটে ক্ষমতায় যেতে পারবে না বলেই সংবিধান সংশোধন করে দলীয় সরকারের অধীনে পার্লামেন্টে থেকেই পুনরায় নির্বাচন দিতে চায় আওয়ামী লীগ। এটা কিভাবে সম্ভব। সরকার এতো ভীত বলেই জনগণের কাছে আর যেতে সাহস নেই। আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। নির্বাচন দিলে তাতে বিএনপি অংশ নেবে না। প্রতিহত করা হবে। তিনি বলেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। আওয়ামী লীগ দিতে বাধ্য হবে। আমরা বাধ্য করবো। তিনি বলেন, বিএনপি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের দল। আমরা বাংলাদেশকে কারো আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হতে দেব না। দেশ রক্ষায় লড়াই চলবে।
খালেদা জিয়া বলেন, সাংবাদিক দম্পতির হত্যার পর প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, আমরা বেডরুম পাহারা দেব না। এরপরই বাসায় অসংখ্য মানুষ খুন হচ্ছে। এখন বাইরে গেলে গুম, ঘরে বসে খুন হচ্ছে। ‘দেশে এখন আইনশৃক্মখলা যে কোনো সময়ের চেয়ে ভাল' স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি চোখ বন্ধ করে রাখেন, না-কি উট পাখির মতো চোখ বন্ধ করে ঘুমান।
তিনি বলেন, জনগণ এ সরকারের অত্যাচার থেকে মুক্তি চায়। দেশবাসী আমাদের আন্দোলন করতে আহবান জানায়। আমরা কর্মসূচি দিয়েছি। অনেকে বলছে, এ কেমন কর্মসূচি। আমি বলবো, আমরা আওয়ামী লীগের মতো লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ পিটিয়ে হত্যা করে ক্ষমতায় যেতে চাই না। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে জনগণের কাছে সরকারের দুঃশাসন তুলে ধরে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় যেতে চাই। জনগণের জন্য কাজ করতে চাই।
খালেদা জিয়া বলেন, মাত্র ১১টি হরতালের মাধ্যমে আমরা জনগণের দাবির পক্ষে কথা বলেছি। এতেই সরকার ভীত হয়ে নানা ষড়যন্ত্র করেছে। গাড়িতে নিজেরা আগুন দিয়ে শীর্ষ নেতাদের কারারক্ষীণ করেছিল সরকার। কিন্তু, আন্দোলন দমানো যায়নি। কারাবন্দি করে স্বৈরাচারের আমলেও আন্দোলন বন্ধ হয়নি। এবারো হয়নি। লগি-বৈঠা বা ভাংচুর করতে চাই না।
‘আপানারা আন্দোলন করলে মামলা দেয়া হবে' স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের এ বক্তব্যের জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেন, তার মানে, মিথ্যা মামলা। আর সন্ত্রাসীদের রাস্তায় নামাবে। তাতে কোনো লাভ হবে না। বিএনপি এখন সেই স্বৈরাচারের আমলের মতো নেই। এখন আরো শক্তিশালী। প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বিএনপির সাংগঠিনক নেতাকর্মীরা আছেন। কোনো হুমকি দিয়ে লাভ হবে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যে ভাষায় কথা বলবে, আমরা সেই ভাষায় জবাব দেব। সেজন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। আওয়ামী লীগকে বুঝতে হবে, তারা যে ভাষায় কথা বলবে, সেই ভাষায় জবাব পাবে।
খালেদা জিয়া বলেন, সরকারের উচ্চমহল থেকে শুরু করে হাসিনা পরিবারও দুর্নীতিতে জড়িত। সে জন্য তাদের অবস্থান কোথাও হবে না। এ জন্য তারা ক্ষমতায় থেকে নিজেদের অধীনে নির্বাচন করতে চায়। সেটা সফল হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে বাধ্য করা হবে। আমরা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসবো। জনগণের কল্যাণ, বেকারত্ব দূর করবো, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধ, গ্যাস-পানি সংকট সমাধান করবো। আমরা সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। ভারতের সঙ্গেও ভাল সম্পর্ক চাই। যেসব ইস্যুতে সমস্যা আছে তার যৌক্তিক সমাধান করতে চাই। তিনি বলেন, ভারত স্বাধীনতার সময় আমাদের সহায়তা করেছিল। একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে তাদের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দরকার। আমরা বলবো, কোনো ব্যক্তি বা দল নয়, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক করুন।
সরকারের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, সরকার গণতন্ত্রের নামে দেশে স্বৈরশাসন কায়েম করেছে। সভা-সমাবেশ করার জায়গা রাখেনি। একটি মাত্র জায়গা পল্টন ময়দানও বন্ধ করে দিয়েছে। গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলার অধিকার তারা বন্ধ করে দিতে চায়। তারা একদলীয় শাসন চায়। শুধু তারা কথা বলবে। মিডিয়ায় কেবল তাদের কথা দেখানো হবে। অন্য কারো কথা দেখানো হবে না। তারা যেখানে ইচ্ছা সভা করতে পারে। বিরোধী দলকে কোনো খোলা জায়গা দিতে চায় না। এটা একদলীয় শাসন। একাত্তরে তারা বাকশাল করেছিল, এবার সে শাসনকেও ছাড়িয়ে গেছে।
তিনি বলেন, দেশের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করেছে। সবখানে দলীয়করণ। মেধার কোনো গুরুত্ব নেই। সরকারি দলের কর্মী-সমর্থকরাই কেবল চাকরি-ব্যবসার সুযোগ পাচ্ছে।
দেশ দুর্নীতিতে ভরে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হলো দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক দল। একাত্তরের পর তারা দেশে দুর্নীতির বীজ বপন করেছে। আওয়ামী লীগের লুটপাটে দেশ বিপর্যস্ত হয়েছিল। তাদের শাসনে দেশ কখনোই ভাল ছিল না। '৯৬ সালেও বাংলাদেশ দুর্নীতিতে এক নম্বর হয়েছিল। গুম-হত্যা করেছিল।
খালেদা জিয়া বলেন, এবার ক্ষমতায় এসেও তারা একই অপরাধ করছে। মইন-ফখরুদ্দিনের সঙ্গে আতাতে ক্ষমতায় আসায় কে কার অপরাধ মাফ করে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা করছে। কোনো ওয়াদা পূরণ করেনি। পুনরায় ক্ষমতায় যেতে জনগণের জন্য কিছু করতে হবে, এটা তারা বিশ্বাস করে না। এ জন্য নানা ফন্দি এঁটে তারা নিজেদের অধীনে নির্বাচন দিতে সংবিধান সংশোধন করেছে। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ছিল তাদের। এ দাবিতে তারা দেশে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এ দাবি মেনে নিয়েছিলাম। পরে তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনে বিএনপি দুইবার ও আওয়ামী লীগ একবার ক্ষমতায় গিয়েছিল। মইন-ফখরুদ্দিনের অধীনে নির্বাচনকে আমরা তত্ত্বাবধায়ক বলি না। সেটা সাংবিধানিকভাবে অবৈধ সরকার ছিল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘গুপ্ত হত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে' অভিযোগ করেন। তিনি বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর শিশু কন্যা সাইয়ারা নাওয়ালকে দেখিয়ে বলেন, কী অপরাধ করেছে নাওয়াল। যে সে বাসায় গিয়ে প্রিয় বাবাকে দেখতে পাবে না। চৌধুরী আলমের স্ত্রী রাস্তার পানে তাকিয়ে আছে। এভাবে অসংখ্য পরিবার আজ প্রিয়জনকে হারিয়ে নির্বাক সময় কাটাচ্ছে।
এলডিপি সভাপতি কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, যমুনা সেতু আমরা করেছিলাম। কেউ কোনো অভিযোগ তুলতে পারেনি। দুর্নীতিকে যারা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে সেই আওয়ামী লীগ পদ্মা সেতু নির্মাণ শুরুর আগেই বিশাল দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে আন্তর্জাতিক মন্ডলে লজ্জিত করেছে। তিনি বলেন, ভারতের একটি পত্রিকা বিএনপির জনপ্রিয়তা দেখে বলেছে, দলটি আগামীতে ক্ষমতায় আসবে। তারা দেরীতে হলেও বুঝতে পেরেছে, খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশ নিয়ে এখন ভাবার সুযোগ নেই।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের দুর্নীতির তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সরকার। ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে এ সরকারের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। জনগণ তাদের হাত থেকে মুক্তি চায়। এজন্য তারা সাজানো নির্বাচনের চেষ্টা করছে। জনগণকে নিয়ে এ ষড়যন্ত্র রুখে দেয়া হবে।
জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর শিশু কন্যা সাইয়ারা নাওয়ালকে দেখিয়ে বলেন, নাওয়ালের চোখের জল আর দেখতে চাই না।
সভায় আরো বক্তৃতা করেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান আসাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক আলী রেজাউর রহমান রিপন, উত্তরের আহবায়ক ইয়াছিন আলী প্রমুখ।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গনি, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আববাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকা, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবদুল মান্নান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু, এনপিপির সভাপতি শেখ শওকত হোসেন নিলু, বিরোধী দলীয় চীফ হুইফ জয়নুল আবদিন ফারুক, বিরোধী দলীয় নেতার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, ধর্ম সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যনি, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফা ও সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, কেন্দ্রীয় নেতা কামরুজ্জামান রতন, আজিজুল বারী হেলাল, মাহবুবুল হক নান্নু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জেমস, আসিফ আকবর, রিজিয়া পারভিন, ফরিদা পারভিন, মেজবাহ, আবিদা সুলতানাসহ অনেক খ্যাতিমান শিল্পী সঙ্গীত পরিবেশন করেন। শুরুতেই ছিল দেশাত্ববোধক গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন। দর্শক সারিতে বসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন খালেদা জিয়া। সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির আহবায়ক আলমগীর মাহমুদ আলম, সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দীন আহমেদ ও সদস্য সারাউদ্দিন শাহীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও অপশাসনের চিত্র তুলে ধরে স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়।

