|
|
ঢাকা মহানগরী পেশাজীবী নেতৃবৃন্দের সমাবেশ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারী নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, তথাকথিত আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে প্রহসনের বিচার বন্ধ করে অবিলম্বে তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে।
জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর পেশাজীবী নেতৃবৃন্দের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুন্নবী। এ ছাড়াও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার শেখ আল আমিন, ডা. মিজানুর রহমান, কৃষিবিদ গোলাম রববানী, অধ্যাপক আব্দুল করিম, এ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান, এ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন, আসাদ বিন হাফিজ ও ইঞ্জিনিয়ার ফজলে রাববী প্রমুখ।
বুলবুল বলেন, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত প্রেতিবেদনকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ, বিচারকে প্রভাবিত করতে বিচার চলাকালীন আইন পরিবর্তন, আসামী পক্ষের সাফাই সাক্ষীদের সংখ্যা কমাতে আইন সংশোধন, সরকার পক্ষের তালিকাভুক্ত সাক্ষীদের বিচারকের খাস কামরায় ডেকে একান্ত বৈঠকের মাধ্যমে বিচারক তার বিচারিক ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। সুতরাং এই বিচারকের অধীনে আসামী পক্ষ কখনো ন্যায় বিচার আশা করতে পারে না। পৃথিবীর কোথাও এমন কোন নজির নেই যে বিচারক তার খাস কামরায় তালিকা ভুক্ত সাক্ষীদের ডেকে নিয়ে একান্ত বৈঠক করেছে। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে কথিত যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে সরকার তার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিচারের নামে এ দেশের ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে জেলে পুরে দেশপ্রেমিক জনগণকে নেতৃত্ব শূন্য করার যে ষড়যন্ত্র সরকার করছে তা কোন দিনই বাস্তবায়ন হবে না। অচিরেই জাতির সামনে দিনের আলোর মতো সত্য উদ্ভাসিত হবে। তাই পেশাজীবী নেতৃবৃন্দকে শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তির আন্দোলনে সর্বাত্মক ভূমিকা রাখার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

