Quantcast
ঢাকা, বৃহস্পতিবার 6 September 2012, ২২ ভাদ্র ১৪১৯, ১৮ শাওয়াল ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৮৬০ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

আপিলের মেয়াদ কমানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশব্যাপী জামায়াতের বিক্ষোভ

কথিত বিচারের নামে প্রহসন বন্ধ করে অবিলম্বে শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে -সেলিম উদ্দিন

তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময় কমানোর মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ও প্রহসনের বিচার বন্ধের দাবিতে গতকাল বুধবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন কমানোর জন্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ও অবৈধ ট্রাইব্যুনাল বন্ধের দাবিতে গতকাল বুধবার রাজধানীসহ দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। ঢাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন বলেছেন, সরকার যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে প্রহসন করছে তা তাদের অচরণেই পরিষ্কার। তারা ট্রাইব্যুনালের আইন বারবার সংশোধন করে বিবাদী পক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনে বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, সর্বশেষ সরকার পক্ষ বিবাদী পক্ষের আপিলের সময়সীমা সংকোচন করে ন্যায় বিচার ও সত্য প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। কথিত অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আসামী পক্ষের সাফাই সাক্ষীদের সংখ্যা ও সময় সীমিত করে দিয়েছেন। যা আইনের শাসন ও ন্যায় বিচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।। এতে কথিত বিচারের নামে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য পরিষ্কার। কিন্তু জনগণ সে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেবে না। তিনি কথিত বিচারের নামে প্রহসন বন্ধ করে অবিলম্বে আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটিয়ে নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করা হবে বলে তিনি সরকারকে সতর্ক করে দেন।


জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি একথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফাসহ বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ।


সেলিম উদ্দিন বলেন, সরকার পক্ষ বিবাদী পক্ষের সাফাই সাক্ষীদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা সাফাই সাক্ষীদের শায়েস্তা করার হুমকি দিচ্ছেন। সরকার সাফাই সাক্ষীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে তাদের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে। এমন কী তাদের আত্মীয়-স্বজনদেরকেও হয়রানি করা হচ্ছে। তাদেরকে এলাকায় বসবাসও করতে দেয়া হচ্ছে। ন্যায় বিচারের খাতিরে তাদেরকে সরকারি পক্ষকেই নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব ছিল। কিন্তু সরকার সে পথে না গিয়ে বিচারকে প্রভাবিত করার জন্যই সাফাই সাক্ষীদের প্রতি বৈরী আচরণ করছে। সরকারি দলের নেতারা কথিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ছাড়াই ঝুলিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন এবং নিজামী-মুজাহিদকে ফাঁসিতে ঝুলানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয়, সরকার কথিত বিচারের নামে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের অন্যায়ভাবে শাস্তি দিতে চায়। কিন্তু এদেশে একজন দেশপ্রেমী বেঁচে থাকতেও সরকারের সেই নীল নকশা কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেবে না। তিনি সময় থাকতে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে কথিত বিচারের নামে তামাশা বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।


তিনি আরও বলেন, সরকার ট্রাইব্যুনালের সব কিছুই দলীয়করণ করে ফেলেছে। কথিত ট্রাইব্যুনালের বিচারক থেকে শুরু করে ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী পর্যন্ত সরকার দলীয়। একজন বিজ্ঞ ও নিরপেক্ষ বিচারক ট্রাইব্যুনালে থাকলেও সরকার তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে। মূলত কথিত ট্রাইব্যুনালের বিচারক থেকে শুরু করে সবকিছুই সরকারি দলের বশংবদ দিয়ে সাজানো হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান তথাকথিত গণআদালতের সেক্রেটারিয়েট সদস্য ছিলেন। তাই দেশের মানুষ কথিত বিচারের নামে পাতানো খেলা কখনোই মেনে নেবে না। তিনি কথিত মানবতাবিরোধী ট্রাইব্যুনালের নামে আওয়ামী ট্রাইব্যুনাল বন্ধ করে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় সচেতন জনতা কথিত ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে।


তিনি বলেন, সরকার জনসমর্থন হারিয়ে ইতোমধ্যই দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তারা উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, জনগণের ভোটে তাদের পক্ষে আর কখনোই ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয়। তাই তারা আদালতের রায়ের অপব্যাখ্যা করে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছে। তারা পাতানো ও ষড়যন্ত্রের নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চায়। কিন্তু সরকারের সে স্বপ্নবিলাস কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেয়া হবে না। তিনি টালবাহানা পরিহার করে অবিলম্বে কেয়াটেকার সরকারের গণদাবি মেনে নিয়ে অবিলম্বে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহবান জানান। অন্যথায় সরকারকে গণদাবি মানতে বাধ্য করা হবে।


চট্টগ্রাম : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, তথাকথিত যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় কমানোর বিধান রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (দ্বিতীয় সংশোধনী) আইনের খসড়া মন্ত্রী সভায় পাশ করা ন্যায়বিচার পরিপন্থী। সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে ১৯৭৩ সালের কালো আইন ব্যবহার করে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে শাস্তি প্রদান করতে চায়। আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন দমানোর জন্য এবং প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য এ অমানবিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের এমন কর্মকান্ড মানবাধিকার লংঘন ও ন্যায় বিচার বহির্ভূত। সরকারের মন্ত্রী, এমপি এবং নেতারা বার বার বিচারকে প্রভাবিত ও তাদের নির্দেশিত রায় এর পক্ষে করার লক্ষ্যে বক্তব্য রাখছেন। তাদের এ বক্তব্য আপত্তিকর ও বেআইনী। তিনি অবিলম্বে মন্ত্রী পরিষদের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার এবং আপিলের সময় কমিয়ে তাদের ষড়যন্ত্রমূলক রায় বাস্তবায়নের চক্রান্ত রুখে দাঁড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।


যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময় কমানোর প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী শাখার উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ সভাপতির বক্তব্যে নগর জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ কথা বলেন। নগরীর পুরাতন রেল স্টেশন সংলগ্ন বিআরটিসি বাস চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কদমতলী রেল ক্রসিং মোড়ে শেষ হয়। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর জামায়াতের এসিসটেন্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, নগর প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ, নগর দক্ষিণ শিবিরের সভাপতি মহিউদ্দিন ও উত্তর সেক্রেটারি মসরুর হোসাইন।


দিনাজপুর অফিস : যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমা কমানোর প্রতিবাদে এবং মজলুম জননেতা অধ্যাপক গোলাম আযম, আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদসহ সকল রাজবন্দীর অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গতকাল সোমবার দিনাজপুর শহর জামায়াতের উদ্যোগে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহর জামায়াতের আমীর মোঃ তৈয়ব আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান ভূট্টো, শ্রম বিভাগীয় সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল মাতিন, শহর ছাত্রশিবির সভাপতি মতিউর রহমান, সেক্রেটারি আব্দুল কাইয়্যুম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, সরকার যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার যে বিধান করা হল তার দ্বারা আর যাই হোক ন্যায়বিচার হতে পারে না। সরকারের এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ হঠকারীমূলক ও একপেশে। বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারসহ প্রহসনের এ যুদ্ধাপরাধ বিচারের নাটক বন্ধ করতে হবে। নচেৎ জনগণকে সাথে নিয়ে দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের বিদায় নিশ্চিত করাসহ সকল নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করা হবে ইনশাআল্লাহ।


লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা : কেন্দ্রীয় নেতাদের মিথ্যা মামলা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আপিলের সময় কমানোর প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বুধবার সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চকবাজারে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মফিজুল ইসলাম, ডা. ফয়েজ আহম্মদ, এ আর হাফিজ উল্লাহ, ফারুক হোসেন নূর নবী প্রমুখ।


ফরিদপুর অফিস : গতকাল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফরিদপুর পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠকে যুদ্ধপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করার সময় ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনে নির্ধারণের প্রতিবাদে মিছিলটি ফরিদপুর জনতা ব্যাংকের মোড় থেকে শুরু করে শরীয়তুল্লাহ বাজারে গিয়ে শেষ হয়। পৌর সেক্রেটারি মোঃ ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে নেতৃত্ব শূন্য করার হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গঠিত এই ট্রাইব্যুনালের প্রহসনমূলক বিচার এদেশের জনগণ কোনদিনই মেনে নেবে না। আগামীতে জনগণ এই বিচারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।


পিরোজপুর সংবাদদাতা : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায়ের পর আপিলের সময়সীমা কমানো এবং জামায়াত নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পিরোজপুর পৌর জামায়াত। গতকাল বুধবার দুপুর আড়াইটায় পিরোজপুর শহরের কাপুড়িয়া পট্টি থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাঁচা বাজার রোডে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে এক সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব হোসেন জুয়েল, জমিয়াতুল মুফাচ্ছেরিনের জেলা সভাপতি গাজী রুহুল আমীন, শিবিরের বর্তমান সভাপতি শেখ আব্দুর রাজ্জাক, জেলা সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি জহিরুল হক জহির। এ সময় বক্তারা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।


টাঙ্গাইল সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময় সীমা ২ মাসের পরিবর্তে কমিয়ে এক মাস (৩০ দিন) করার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন পৌরসভা আমীর হায়াত আলী মোল্লা, সেক্রেটারি আহছান হাবিব মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। মিছিলটি জেলা সদরের পাঠাগারের সামনে থেকে শুরু হয়ে বটতলা মোড় এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে  বক্তব্য রাখেন পৌরসভা শাখার সেক্রেটারি আহছান হাবিব মাসুদ।


কেরানীগঞ্জ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেরানীগঞ্জ উপজেলা যুদ্ধাপরাধী মামলায় ৩০ দিনের আপিলের আইন প্রতিবাদে ও জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মু শাহীনুর ইসলাম। সমাবেশে ট্রাইবুনালে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সময় বেঁধে দেয়ার তীব্র নিন্দা জানান ও জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তাদের মুক্তি দাবি করেন। অত্যাচার, নির্যাতন, জেল-জুলুম আর মামলা করে ইসলামী আন্দোলনের কাজ বন্ধ করা যাবে না। জুলুম-নির্যাতন করে কেউ চিরদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। মিসর থেকে শিক্ষা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়। এছাড়া সমাবেশে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আমির কাজী বেলাল হোসাইন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আমির মাওলানা ইসমাঈল হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা জেলা দক্ষিণ শাখার সভাপতি মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি মোস্তাক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।


ফেনী জেলা সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামী ফেনী শহর শাখার উদ্যোগে গতকাল বুধবার বিকেলে এক বিরাট বিক্ষোভ মিছিল ফেনী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।


মিছিলে নেতৃত্ব দেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এ কে এম সামছুদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রচার সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, শহর আমীর মুফতী আবদুল হান্নান, সদর আমীর আবদুল ওহাব ভূঁইয়া, শহর ছাত্রশিবির সভাপতি জামাল উদ্দিন প্রমুখ।


সারাদেশে বিক্ষোভ


কুমিল্লা অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী শাখার উদ্যোগে যুদ্ধাপরাধে প্রহসনমূলক মামলায় আপিলের সুযোগ ৬০ দিন থেকে ৩০ দিন করার প্রতিবাদে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় থেকে শুরু হয়ে মনোহরপুর দিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাস্টার আমিনুল হক। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান জালিম সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের নামে আটক করে সরকার ইতিহাসে চরম মানবাধিকার লংঘন করেছে। তিনি অবিলম্বে তথাকথিত যুদ্ধাপরাধী মামলায় জামায়াতের আমীরসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধের প্রহসনমূলক মামলায় আপিলের সুযোগ ৬০ দিন থেকে ৩০ দিন করা গভীর ষড়যন্ত্রের ফল। মিছিল ও সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মুসলেহ উদ্দিন, মহানগর জামায়াতের রাজনৈতিক সচিব মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক, মহানগর জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি কাজী মোতাহের আলী দিলাল, কাউন্সিলার মোশারফ হোসাইন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি মজিবুর রহমান ভূইয়া, জামায়াত নেতা অধ্যাপক জাকির হোসেন, মাহাবুবুর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম মজুমদার প্রমুখ।


বরিশাল অফিস : ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশ্যমূলক আইনী সংশোধনের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল বরিশাল মহানগরীতে অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল দুপুর সোয়া ১ টায় নগরীর ফজলুল হক এ্যাভিন্যু রোডে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এ্যাড. মুয়াযয্ম হোসাইন হেলাল। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বজলুর রহমান বাচ্চু, অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মু. বাবর, ইসলামী ছাত্রশিবির বরিশাল মহানগর সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ান প্রমুখ।


মিছিল পরবর্তী সমাবেশে এ্যাড. হেলাল বলেন, বাকশালী সরকার দলীয়  লোকদের মাধ্যমে তথাকথিত ট্রাইব্যুনাল দিয়ে আমাদের নেতৃবৃন্দের বিচার করতে চায়। এজন্য সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে এর সংশোধন করছে। আপীলের মেয়াদ ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করার পিছনে সরকারের গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। এসময় তিনি আরো বলেন, দেশের সম্পদ চুরি করে দেশকে আবার আপনারা তলাবিহীন ঝুরিতে পরিণত করেছেন। ব্যাংকের টাকা চুরি করে সরকারের লোকেরা দেশের ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া করে ফেলেছে। গরীব মানুষের সম্পদ চুরি করে কেউ পার পায়নি শেখ হাসিনার সরকারও পাবে না। একদিন জনগণের কাছে এর জবাবদিহি করতে হবে সেদিন বেশী দূরে নয়। তাই আমি দুর্নীতিবাজ এ লুটেরা সরকারের পদত্যাগ দাবি করছি।


চাঁদপুর সংবাদদাতা: জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা শাখার কর্ম পরিষদ সদস্য ও চাঁদপুর সদর আমীর জাহাঙ্গীর আলম প্রধান বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের উদ্দেশ্যে দলীয় ট্রাইবুন্যালে বিচারের প্রহসন করছে। ইতিহাসের জঘন্যতম কালো আইন করে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে নির্যাতন করছে। এদেশ থেকে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনকে নিশ্চিহ্ন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র এদেশের জনগণ অবশ্যই রুখবে। গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দকে যেকোনভাবে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময় ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিনে আনা হয়েছে। এ ধরনের জঘন্য কালো আইন আর কি হতে পারে? তিনি গতকাল বিকেলে চাঁদপুর শহর জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে একথা বলেন। সংবিধান বিরোধী  কালো আইন গঠিত দলীয় ট্রাইব্যুনাল বাতিল ও জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিলের অংশ হিসেবে গতকাল বিকেলে চাঁদপুর শহর জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় বিপনীবাগ থেকে মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন শহর সেক্রেটারি মোঃ আরিফ উল্যাহ, সদর উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ শাহজাহান খান, জামায়াত নেতা কাজী মুরাদ, নাছির উদ্দিন, কাদের খান, আঃ আজিজ মোল্লা, ছাত্র নেতা-আরিফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, সবুজ খান প্রমুখ।


 


পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা : মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দন্ডপ্রাপ্তদের আপিলের সংশোধনী আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার পাথরঘাটা উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আঃ কাদের এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সেক্রেটারি শামীম আহসান, পৌর আমীর মাওলানা বজলুর রহমান, কাঁঠালতলী ইউনিয়ন আমীর জাফর সাদেক প্রমুখ।


 


ময়মনসিংহ : জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ জেলা শাখার সেক্রেটারি আব্দুল করিম বলেন, সরকার ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর আপীলের সময় ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করে ন্যায় বিচার পরিপন্থী কাজ করেছে। তিনি বলেন, সরকার জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে ঘায়েল করার জন্যই যুদ্ধাপরাধ বিচারের নামে প্রহসন করছে। দেশের জনগণ সরকারের এই হীন উদ্দেশ্য কখনোই সফল হতে দিবে না। তিনি গতকার ময়মনসিংহ শহর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জামায়াতের আমীর এডভোকেট মোজাম্মেল হক আকন্দের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শহর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান পাঠান, সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুর রনি ফরাজী, কামরুল আহসান কামরুল, কর্মপরিষদ সদস্য কামরুল হাসান, এড. আমানউল্যাহ বাদল, মাহবুবুল হাসান শামীম প্রমুখ।


 


সাতক্ষীরা সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা শহর শাখা মিছিল ও সমাবেশ করেছে।  গতকাল বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের হাটের মোড় থেকে এ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহ-সেক্রেটারি এড.আজিজুল ইসলাম, শহর সেক্রেটারি অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, শহর শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন। প্রচন্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে কয়েকশ জামায়াত ও শিবির কর্মী এ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার জুলুমবাজ সরকার। তাদের নিজেদের দুর্নীতি ঢাকতে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচারের নামে প্রহসনের নাটক করছে। অবিলম্বে জামায়াতের সকল নেতার মুক্তি না দিলে জামায়াত কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।


 


নীলফামারী সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে গত বুধবার বিকালে শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


  নীলফামারী জেলা জামাযাতের আমীর অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলামের পরিচালনায় বিক্ষোভ মিছিলটি নীলফামারী আনন্দবাবুর পুল থেকে শুরু হয়ে নীলফামারী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পুলিশ বাধা দিলে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা সেক্রেটারী আব্দুর রশিদ, সদর থানা আমীর উপাধ্যক্ষ আবু হেলাল ও শহর আমীর প্রভাষক খায়রুল আনাম, জেলা শিবিরের সভাপতি নুর ইসলাম এবং জেলা ও থানা নেতৃবৃন্দ।


যশোর : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আপিলের মেয়াদ ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী যশোর শাখা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলটি দড়াটানা থেকে শুরু করে এইচ, এম. এম রোড এবং কাপুরি পট্টি হয়ে চৌরাস্তায় এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন যশোর জেলা সেক্রেটারি মাস্টার নূরুন্নবী, শহর আমীর অধ্যাপক গোলাম রসুল, নায়েবে আমির এন এ নুর মামুন, জামায়াত নেতা মাওলানা নজির হুসাইন, অধ্যাপক শামসুজ্জামান, মাওলানা রেজাউল করিম, অধ্যাপক আশরাফ আলী প্রমুখ।


আরও প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে মনিরামপুর উপজেলা আমীর অধ্যাপক ফজলুল হকের নেতৃত্বে মনিরামপুর কেশবপুর উপজেলা আমীর মাওলানা আব্দুস সামাদের নেতৃত্বে কেশবপুর বাজারে।


মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা : জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জ জেলা জামায়াত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। গতকাল দড়গ্রাম বাসস্ট্যান্ডে জেলা আমীর মাওলানা দেলওয়ার হোসাইনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলার প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল মজিদ, পৌর আমীর মাওলানা নুরুল ইসলাম, সদর উত্তরের আমীর হাফেজ কামরুল ইসলাম, সাটুরিয়া থানা আমীর আবু সাঈদ বিএসসি প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, আপীলের সময় সীমা ৬০ দিন থেকে ৩০ দিন করার মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সরকার প্রমাণ করছে তারা জামায়াতে ইসলামীকে ধবংস করার জন্য বিচারের নামে প্রহসন চালাচ্ছে। তারা বিচার বিভাগকেও নিজেদের করে নিয়েছে। যা জনগণ কোন দিন মেনে নিবেনা।


নরসিংদী সংবাদদাতা : গতকাল জামায়াতে ইসলামী নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুানালে বিচারের রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিলের সময় ৬০ দিনের স্থলে ৩০ দিন করার প্রতিবাদে নরসিংদী শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও নরসিংদীর জেলার নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুসলেহউদ্দীন, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক শেখ আব্দুল মালেক, জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান, নরসিংদী সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম তালুকদার, জেলা শূরার সদস্য সাইয়েদুজ্জামান, অধ্যাপক মকবুল হোসেন, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমানসহ জামায়াত ও শিবিরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মিছিলে নেতৃত্ব দেন।


মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অধ্যাপক শেখ আব্দুল মালেক বলেন, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচারের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার জন্য ইতিপূর্বে ট্রাইব্যুনাল বিধিতে আসামী পক্ষকে ৬০ দিন সময় দেয়া ছিল। আসামী পক্ষ যাতে এ রায়ের বিপক্ষে যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে আপিল করতে না পারে সে জন্য আওয়ামী সরকারের মন্ত্রিপরিষদ এর সময় কমিয়ে মাত্র ৩০ দিন নির্ধারণ করে আইনের সংশোধনী পাস করেছে।


খুলনা অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরী আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, তথাকথিত যুদ্ধাপরাধের বিচার রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি উদ্ধারের বিচার প্রক্রিয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। তড়িঘড়ি করে বিচার কাজ সম্পাদন করতে ট্রাইবুনালের রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের বিধান রেখে মন্ত্রী সভার বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর আগে আপিলের সুযোগ ছিল ৬০ দিনের মধ্যে।  তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের কালো আইন ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের শাস্তি দানের জন্যই এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এটি চরম মানবাধিকার লংঘনের শামিল। ইতোমধ্যে এ বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশে বিদেশে সমালোচিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার আবারও প্রমাণ করল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নে বিচারের এ নাটক চলছে। সরকার এ অন্যায় সিদ্ধান্তে অভিযুক্তরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবে। তিনি অবিলম্বে সরকারের এ নাটক বন্ধ করে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় দেশের সাধারণ জনগণকে সাথে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করা হবে।


ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমা ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন করার প্রতিবাদে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে গতকাল বুধবার নগরীতে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগরী নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবদুল মতিন, সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, সহকারি সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা মহানগরী সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, মহানগর ছাত্রশিবির সেক্রেটারি মো. আজিজুল ইসলাম ফারাজি, সদর থানা সেক্রেটারি মো. ওয়ালিউল্লাহ, সহকারি সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান টিংকু, সোনাডাঙ্গা থানা সহকারী সেক্রেটারি মনিরুল ইসলাম পান্না, ছাত্রশিবির বিএল কলেজ সভাপতি এ কে এম তানজিল প্রমুখ।


অপরদিকে পাইকগাছা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে স্থানীয় আল আমিন ট্রাস্টে প্রতিবাদ সাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আমীর মাওলানা কামাল হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা দক্ষিণ জেলা আমীর মাওলানা আ খ ম তমিজ উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমীর এডভোকেট লিয়াকত আলী, সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম সরোয়ার, কাজী তামজিদ আলম, এডভোকেট আব্দুল মজিদ, ডা. আসাদুল হক. মাওলানা আমিনুল ইসলাম, এডভোকেট আক্কাস আলী, মাওলানা আব্দুল মজিদ, খুলনা দক্ষিণ জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবু তালেব, সেক্রেটারি রুহুল আমীন প্রমুখ।


মাগুরা সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মাগুরা জেলা শাখার উদ্যোগে গত বুধবার  বিকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে মাগুরা শহরের কেশবের মোড়ে এক সমাবেশে মিলিত হয়। জেলা আমীর অধ্যাপক আলমগীর বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা লিয়াকত আলী খান, আরো বক্তব্য রাখেন জেলার রাজনৈতিক সেক্রেটারি অধ্যাপক আশরাফ হোসাইন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সাইদ আহমদ বাচ্চু। অধ্যাপক এম বি বাকের, অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।


 


রাজশাহী অফিস : যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে আপিলের মেয়াদ ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর উদ্যোগে গতকাল বুধবার সকালে রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দীন মন্ডল, মহানগরী শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মাহবুবুল আহসান, রাজপাড়া থানা সেক্রেটারি কামারুজ্জামান, জামায়াত নেতা মাওলানা মোখলেছুর রহমান, মাসুম প্রমুখ।


মিছিল-উত্তর সমাবেশে জামায়াত নেতারা বলেন, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে আপিলের মেয়াদ ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করে সরকার ন্যায় বিচারকে কবর দিচ্ছে। কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মিথ্যা অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করে জামায়াতের অগ্রযাত্রাকে রোধ করতে চায়।


জামায়াত নেতাবৃন্দ আরো বলেন, জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, নায়েবে আমীর ও বিশ্ববরেণ্য ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদসহ সকল জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তি দিতে হবে।


সিলেট ব্যুরো : তথাকথিত যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের বিধান রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশোধনী মন্ত্রী পরিষদের সভায় অনুমোদনের প্রতিবাদে সিলেট মহানগর জামায়াত নগরীতে এক প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে  নগর জামায়াতের সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম শাহীন বলেন-আপিলের বিধান ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন করে সরকার আইনের শাসন ও ন্যায় বিচারের পরিপন্থী কাজ করছে।  একের পর এক সংশোধনী এনে সরকার ন্যায় বিচার প্রাপ্তির পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। দেশের প্রচলিত আইন ও আন্তর্জাতিক আইন কোন কিছুকেই রক্ষা করা হচ্ছে না। তথাকথিত যু্দ্ধাপরাধ বিচারের নামে সরকার ১৯৭৩ সালের একটি কালো আইনকে ব্যবহার করছে। উদ্দেশ্য জামায়াতের নিরপরাধ জাতীয় শীর্ষ নেতাদের অন্যায়ভাবে শাস্তি প্রদান।


তিনি বলেন, বিতর্কিত ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বিচারের এ প্রহসন জনগণ মেনে নেবে না। তিনি আইন-আদালত, মানবাধিকার, সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার ও ন্যায় বিচার পরিপন্থী এ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। সরকারকে ফ্যাসিবাদী নীতি পরিহার করে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবার জন্য অনুরোধ জানান।


মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মোঃ ফখরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন-জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল মুনিম, হাফিজ মুশাহিদ আহমদ, চৌধুরী আব্দুল বাছিত নাহির প্রমুখ।


ভোলা সংবাদাদাত : মানবতা বিরোধী মামলায় আপিলের সময় সীমা ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল ভোলা শহরের কে জাহার মার্কেটের সামনে থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিণ শেষে খলিফা পট্টি গিয়ে শেষ হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, ভোলা পৌর আমীর মাওগতঠত মোঃ জাকির হোসাইন, ছাত্রশিবির শহর সভাপতি নাছির উদ্দিন, জামায়াতে ইসলামী নেতা ইসমাইল হোসেন। বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতা কর্মী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তরা বলেন, মানবতা বিরোধী মামলার সময়সীমা সরকার ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন বেধে দিয়ে প্রহসনের বিচার- প্রত্যারনায় রূপ দিয়েছে।


গাজীপুর সংবাদদাতা : যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালে আপিলের মেয়াদ ৬০ দিনের পরিবর্তে  ৩০ দিন করার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজীপুর সদর উপজেলা শাখাসহ বিভিন্ন উপজেলায়  বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । বুধবার বিকেলে গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ওই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গাজীপুর সদর উপজেলা আমীর মোঃ হোসাইন আলীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সামনে থেকে শুরু হয়ে কাশিমপুর সড়ক এলাকা ঘুরে পুনরায় কোনাবাড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে শেষ হয়। এসময় মিছিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর পৌর-জামায়াতের আমীর মোঃ খায়রুল হাসান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের গাজীপুর জেলা সভাপতি আবু নাঈম মোল্লা, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজহারুল ইসলাম,কোনাবাড়ি ইউনিয়ন জামাতের আমির মঞ্জুরুল ইসলাম, কাশিমপুর ইউনিয়ন জামাতের সভাপতি আবু সিনা নূরুল ইসলাম প্রমুখ। পরে কোনাবাড়ি জামে মসজিদের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত  প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় ।


এছাড়া কাপাসিয়া থানা জামায়াতের আমীর শেফাউল হকের নেতৃত্বে ঘাঘটিয়া বাজার এলাকায়,  শ্রীপুর থানা আমীর অধ্যাপক মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে শ্রীপুর উপজেলা শহরের থানার মোড় এলাকায় এবং সদর  উপজেলা গাছা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মনসুর আহম্মেদের নেতৃত্বে বোর্ড বাজার এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


কক্সবাজার সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে কক্সবাজার শহর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে গতকাল বুধবার বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শহর আমীর আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সমাবেশে প্রধান ও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমীর মাওলান মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি এম রহিম উল্লাহ। বক্তব্য রাখেন শহর নায়েবে আমীর এডভোকেট জাফরুল্লাহ ইসলামাবাদী, মহেশখালী আমীর জাকের হোসাইন, আলহাজ্জ শাইদুল আলম, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, এডভোকেট ফিরুজ আহমদ, শ্রমিক নেতা এম. ইউবাহাদুর ও ছাত্রনেতা জাহেদুল ইসলাম নোমান। প্রমুখ।


জয়পুরহাট সংবাদদাতা : যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে রায়ের  বিরুদ্ধে  আপিল করার বিধান রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২য় সংশোধনী আইনের খসড়া  মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ  জয়পুরহাট  শহর ও সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল  শহর প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াত সেক্রেটারি প্রভাষক নজরুল ইসলাম,সদর আমীর এডভোকেট মামুনুর রশিদ, শহর সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটন, সদর সেক্রেটারি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তরা এ কালো আইন বাতিলের দাবি জানান।


পাবনা সংবাদদাতা : গতকাল পাবনা জেলা জামায়াত শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি মধ্য শহর হয়ে বড় বাজার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন পাবনা জেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রউফ, শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল করিম, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাজ্জাদুর রহমান উজ্জল, পৌর সেক্রেটারি মোঃ ফজলুর রহমান, শিবির শহর সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, প্রহসনের বিচার করতেই আপিলের মেয়াদ কমানো হয়েছে। উক্ত আইন বাতিল করার জন্য এবং সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দাবি করা হয় বিক্ষোভ মিছিলে।


চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা : গতকাল চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আপিলের সময়সীমা কমিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ অক্ট্রয় মোড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর ও সদর উপজেলা শখার উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌর আমীর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমানের নেতৃত্বে মিছিল পরবর্তী বিশ্বরোড মোড়ে পথসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও পৌর কাউন্সিলর হাফেজ রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা আমীর মাওলানা অধ্যাপক আবু বকর, পৌর সেক্রেটারি অধ্যাপক আমানুল্লাহ, পৌর প্যানেল মেয়র অধ্যাপক আবুল হাসান, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি শফিক এনায়েতউল্লাহ প্রমুখ। পথসভায় বক্তারা বলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে জেল জুলুম অত্যাচার করে আন্দোলন থামানো যাবে না।


শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদাতা: কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রীপুর উপজেলা জামায়াত গতকাল শ্রীপুর পৌর শহরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে এক বিক্ষোভ মিছিল করে। উপজেলা আমীর অধ্যাপক মোঃ মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে মিছিলটি রেলওয়ে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে মধ্যবাজার পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে।


বগুড়া অফিস : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দন্ডিতদের আপীলের মেয়াদ ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখা গতকাল বুধবার শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। বাদ আছর কানছগাড়ী থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি মফিজ পাগলার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আলমগীর হুসাইন, সহকারি সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান, শহর আমীর অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারী মাজেদুর রহমান জুয়েল, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাসেত প্রমুখ। বক্তারা তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে প্রহসন বন্ধের দাবি জানান।


কুমারখালী (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমারখালী উপজেলা শাখার উদ্যোগে কথিত যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালের আপিলের সময়সীমা ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আমীর সোহরাব উদ্দীন। আরও বক্তব্য রাখেন দেলওয়ার হুসাইন, সহকারী সেক্রেটারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুষ্টিয়া জেলা।