Quantcast
ঢাকা, বৃহস্পতিবার 13 September 2012, ২৯ ভাদ্র ১৪১৯, ২৫ শাওয়াল ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ১৩৭২ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

আইনজীবীর অভিযোগ- সুলতানা কামাল অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাক্ষী হয়েছেন

বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডে স্বাধীনতার পরে দায়েরকৃত ৫০টি মামলার একটিতেও গোলাম আযমের নাম ছিল না

0 বুদ্ধিজীবী হত্যার কাগজপত্র মিরপুর মুক্ত হওয়ায় পর একজন তৎকালীন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় o জেরাকালে দফায় দফায় রাষ্ট্রপক্ষের বাধা ও বিতর্ক0

শহীদুল ইসলাম : ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় লাভের পর বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের বিষয়ে ৫০টি মামলা হয়েছিল। তার একটিতেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযমের নাম আসামীর তালিকায় ছিল না। তিনি মাস্টার মাইন্ড হলে এসব মামলায় তাকে হুকুমের আসামী করা হতো। সাক্ষী সুলতানা কামাল গোলাম আযমের নাম আসামীর তালিকায় না থাকার কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেছেন, মামলাগুলো ছিল একেকটি আলাদা ঘটনা। আমার এই মামলায় সাক্ষ্য প্রদানের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। অধ্যাপক গোলাম আযমের আইনজীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন যে সুলতানা কামাল অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বুদ্ধিজীবী হত্যার কাগজপত্র মিরপুর মুক্ত হওয়ার পর একজন তৎকালীন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল বলেও গতকালের জেরায় স্বীকার করেছেন সুলতানা কামাল। তার নাম ট্রাইব্যুনালে না বললেও সাংবাদিকদের কাছে এডভোকেট মিজানুল ইসলাম খান এ সবুর বলে উল্লেখ করেন।

অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ১৯৭১ সালের কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ৩য় সাক্ষী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আইন ও শালিস কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামালকে গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনের মত জেরা করা হলে বেরিয়ে আসে এসব তথ্য। আজ বৃহস্পতিবারও তার জেরা অব্যাহত থাকবে। এডভোকেট মিজানুল ইসলামকে জেরায় সহায়তা করেন এডভোকেট মনজুর আহমেদ আনসারী, ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক, ব্যারিস্টার তানভীর আল আমিন প্রমুখ। গতকাল সকালে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এজলাসে বসলে বেলা পৌনে ১১টায় শুরু হয় সুলতানা কামালের জেরা এবং তা চলে বেলা ১টা পর্যন্ত। তবে জেরাকালে মুহুর্মুহু রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের বাধার মুখে পড়তে হয় এডভোকেট মিজানুল ইসলামকে। ফলে জেরা বিলম্বিত হয়। কয়েক দফা বিতর্কেও সময় নষ্ট হয়। তাছাড়াও সাক্ষী সোজাসুজি জবাব না দিয়ে প্রতিটি প্রশ্নে অপ্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যাসহ জবাব দেয়ার কারণে বিলম্ব হয়। প্রতিদিনের মত গতকালও সুলতানা কামালের স্বামী রনজু চক্রবর্তী এজলাস কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনে সুলতানা কামালকে যেসব জেরা করা হয় তার বিবরণ নিম্নরূপ :

প্রশ্ন : সামরিক বাহিনীর সাথে শান্তি কমিটির অপারেশনে যেসব ব্যক্তি বা পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তাদের নাম আপনি তদন্ত কর্মকর্তাকে দিয়েছেন?

উত্তর : না।

প্রশ্ন : যে অফিসারের নেতৃত্বে এসব অপারেশন পরিচালিত হয়েছে তার নামও আপনি তদন্ত কর্মকর্তাকে দেননি।

উত্তর : দেইনি।

প্রশ্ন : কোন কোন এলাকায় কত তারিখে এসব অভিযান পরিচালিত হয় সেসব এলাকার নামও আপনি তদন্ত কর্মকর্তাকে দেননি।

উত্তর : এ ধরনের কোন তথ্য আমি আইওকে দেইনি। কারণ এই ধরনের ঘটনা সর্বত্রই ঘটেছে। অন্যান্য ঘটনার ধারাবাহিকতায় এসব ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত কর্মকর্তা এটা তদন্ত করে বের করবেন বলেই আশা করেছি। এজন্য এ ধরনের তথ্য দেইনি।

প্রশ্ন : বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা কবে কোথায় নেয়া হয়েছিল?

উত্তর : এটা বলা সম্ভব নয়। কারণ এ ধরনের গুপ্তহত্যা কোনদিনই আগে জনগণের জানা থাকে না। আলবদর বাহিনী প্রধান ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী। তিনি জামায়াতের শীর্ষ স্থানীয় নেতা ছিলেন। গোলাম আযম জামায়াতের প্রধান নেতা হওয়ায় তার অনুমতি ও অনুমোদন নিয়েই এসব হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে।

প্রশ্ন : জামায়াতে ইসলামীর কোন সভায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের অনুমোদন দেয়া হয়েছিল?

উত্তর : এটা বলা সম্ভব নয়।

প্রশ্ন : অধ্যাপক গোলাম আযম কবে বুদ্ধজীবী হত্যাকান্ডের অনুমোদন দিয়েছিলেন সে সম্পর্কে কোন প্রামাণ্য দলিল আপনার কাছে আছে?

উত্তর : এ ধরনের প্রামাণ্য দলিল বা তথ্য কোথায়ও নেই।

প্রশ্ন : তিনি আদৌ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের অনুমোদন দিয়েছিলেন এ ধরনের কোন প্রামাণ্য তথ্য আপনার কাছে আছে?

উত্তর : এ ধরনের প্রামাণ্য তথ্য নেই। তবে তার দলের কেউ এ ধরনের ঘটনা তার অনুমোদন ব্যতিত করবে এমনটি হওয়া সম্ভব নয়। তদুপরি দেখা যায় না যে এ ধরনের ঘটনার জন্য কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা তিনি গ্রহণ করেছেন। অতএব নিয়ম অনুযায়ী সংগঠনের প্রধানের উপরে এ ধরনের ঘটনার দায়-দায়িত্ব বর্তায়।

প্রশ্ন : রাজাকার, আল বদর, আল শামস ও শান্তি কমিটি কি জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ সংগঠন?

উত্তর : এসব বাহিনী ও কমিটি কাঠামোগতভাবে জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন বলে ধরে নেয়া যায় না। তবে এই সংগঠনসমূহ প্রতিষ্ঠা এবং কর্মপ্রক্রিয়ায় এই দলের ভূমিকাই মুখ্য ছিল।

প্রশ্ন : জামায়াতে ইসলামীর কোন সদস্য শান্তি কমিটির প্রধান বা সদস্য সচিব ছিলেন না।

উত্তর : এ সম্পর্কে আমার স্পষ্ট ধারনা নেই। তবে তাদের কর্মপদ্ধতি ও গঠন সম্পর্কে গোলাম আযমের মুখ থেকেই পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জেনেছি। তিনি শান্তি কমিটির মিছিলেও নেতৃত্ব দিয়ে অংশ গ্রহণ করেছেন।

প্রশ্ন : শান্তি কমিটি গঠনের আহবান জানিয়ে গোলাম আযম কোন বিবৃতি দিয়েছেন এমন কোন পত্রিকার কাটিং আপনি তদন্ত কর্মকর্তাকে দিয়েছেন?

উত্তর : পূর্বদেশ ও দৈনিক আজাদ পত্রিকার ৫ ও ৭ এপ্রিলের কাটিং জমা দেয়া আছে।

প্রশ্ন : যে মিছিলে গোলাম আযম সাহেব নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে আপনি উল্লেখ করেছেন সেই মিছিলে শান্তি কমিটির আহবায়ক বা সদস্য সচিব ছিলেন কি না?

উত্তর : বলতে পারি না, কারণ আমি তাদেরকে চিনি না।

প্রশ্ন : ঐ মিছিলের আপনি কি প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন না পত্রিকা পাঠ করে জেনেছিলেন?

উত্তর : পত্রিকায় জেনেছি।

প্রশ্ন : ঐ পত্রিকায় খবরটি কি ছবিসহ ছিল না শুধু খবর ছিল?

উত্তর : আমি শুধু খবর পড়েছি।

প্রশ্ন : খবর পড়ার সময় আপনি কি শুধু গোলাম আযমের নামই খুঁজে পড়েছেন না পুরো খবরটা পড়েছেন?

উত্তর : আমি শুধু তার নাম খোঁজার জন্য পত্রিকা পড়তাম না।

প্রশ্ন : ঐ খবরে গোলাম আযমের নাম ছাড়া অন্য কারো নাম ছিল?

উত্তর : এই মুহূর্তে স্মরণ নেই। অন্যদের নাম থাকতে পারে।

প্রশ্ন : শান্তি কমিটির কোন অধঃস্তন শাখার কার্যক্রম বাতিল বা স্থগিত করার একক ক্ষমতা গোলাম আযমের ছিল?

উত্তর : আমার জানা নেই।

প্রশ্ন : শান্তি কমিটির কোন সদস্যের দ্বারা বা অধঃস্তন কোন শান্তি কমিটি কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের বিচার চেয়ে বা অভিযোগ দিলে কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটি বা অধ্যাপক গোলাম আযমের কাছে অভিযোগ আনা হয়েছিল মর্মে কোন প্রামাণ্য তথ্য আপনার কাছে আছে?

উত্তর : নেই।

প্রশ্ন : কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটির কোন সদস্যকে অপসারণের ক্ষমতা অধ্যাপক গোলাম আযমের ছিল কি না?

উত্তর : আমার জানা নেই।

প্রশ্ন : রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর কোন সদস্যকে বরখাস্ত করা বা শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা অধ্যাপক গোলাম আযমের ছিল কি না?

উত্তর : আমার জানা নেই।

প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের বিষয়ে ৫০টি মামলা হয়েছিল।

উত্তর : অনেক মামলা হয়েছিল, তবে সংখ্যা বলতে পারব না।

প্রশ্ন : শহীদুল্লাহ কায়সার, মুনীর চৌধুরী ও ডাঃ আলীম চৌধুরীর হত্যাকান্ডের বিষয়ে পৃথক মামলা হয়েছিল।

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : শহীদুল্লাহ কায়সার হত্যা মামলায় জামায়াতের একজন নেতার নাম এসেছিল। তাকে আল বদর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

উত্তর : জি। তার নাম খালেক মজুমদার।

প্রশ্ন : ঐ মামলায় নিম্ন আদালতের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা হলে আদালত খালেক মজুমদারকে খালাস দেয় এবং তাকে আল বদর প্রমাণে সরকার পক্ষ ব্যর্থ হয়েছে একথাও ঐ রায়ে উল্লেখ আছে।

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের বিষয়ে এই ৩টি মামলাসহ যে ৫০টি মামলা হয়েছিল তার কোন মামলার সঙ্গে অধ্যাপক গোলাম আযম সাহেবকে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরকিল্পনাকারী বা অন্য কোনভাবে আসামী করা হয়নি।

উত্তর : ঐগুলো এককভাবে হত্যা মামলা হিসেবে দায়ের করা হয়েছিল। আজকের আমার সাক্ষ্যের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। সামগ্রিকভাবে এটা ১৯৭১ সালে গণহত্যার সময়ে গোলাম আযমের ভূমিকা নিয়ে এই সাক্ষ্য।

প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে সংঘটিত ঘটনার বিষয়ে ১৯৭২ সালে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ২টি মামলা হয়েছিল।

উত্তর : হয়েছিল এবং তাকে বাংলাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছিল।

প্রশ্ন : এই অবাঞ্ছিত ঘোষণা কি রাজনৈতিক ঘোষণা না কি সরকারি ঘোষণা ছিল?

উত্তর : একটি সামগ্রিক সেন্টিমেন্টের ভিত্তিতে হয়েছিল এবং তিনি পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

প্রশ্ন : এসব মামলায় অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ছিল না।

উত্তর : তার বিরুদ্ধে কমপ্রেসিভ (সম্পৃক্ততা) অভিযোগ ছিল।

প্রশ্ন : ঐ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছিল কি না?

উত্তর : আমি জানি না।

প্রশ্ন : ১৯৭১ সালের বিজয়ের পরপরই বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের বিষয়ে সরকারি এবং বেসরকারি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল।

উত্তর : সেটা আমি বলতে না পারলেও আমার মনে আছে যে, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। পরে তা কতদূর এগিয়েছিল তা বলতে পারব না। তবে ১৯৭৩ সালে এই জনমতের চাপে বর্তমান আইনটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন প্রণীত হয়েছিল।

প্রশ্ন : এই আইনটি প্রণয়নের পূর্বে পাকিস্তান বাহিনীর সহযোগীদের বিচারের জন্য দালাল আইন নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল।

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : জহির রায়হান সাহেব বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনের বিষয়ে নাগরিক কমিটি গঠন করেছিলেন।

উত্তর : জি। কমিটি গঠন ছাড়াও তিনি অনেক উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

প্রশ্ন : এই কমিটির উল্লেখযোগ্য কোন সদস্যের নাম বলতে পারবেন?

উত্তর : একজন ছিলেন পান্না কায়সার (শহীদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী)। তিনি এ ব্যাপারে আমার মায়ের সাথে অনেক যোগাযোগ করেছিলেন।

প্রশ্ন : দেশ স্বাধীন হওয়া বা বিজয় অর্জনের পরে মালেক মন্ত্রিসভার পূর্ব পাকিস্তানের সর্বশেষ মন্ত্রিসভা) সদস্যদের আত্মসমর্পনের পর গভর্নর মালেকের দালাল আইনে বিচার হয়েছিল।

উত্তর : উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। তবে বিচার শেষ হয়েছিল কি না তা আমি জানি না।

প্রশ্ন : দালাল আইনে বিচার না করার জন্য জেনেভা কনভেনশন অনুসারে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের আবেদন করেছিলেন মালেক সাহেব।

উত্তর : এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

প্রশ্ন : মালেক সাহেবের বিচার দালাল আইনে করার বিরোধিতা করে কেউ কোন বিবৃতি দিয়েছিল?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : শহীদুল হক মামা নামে কাউকে আপনি চেনেন?

উত্তর : আমার জানা নেই, আমি চিনি না।

প্রশ্ন : বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘রণাঙ্গনের দিনগুলো' নামে একটি ধারাবাহিক অনুষ্ঠান প্রচারিত হচ্ছে। এ সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা আছে?

উত্তর : শুনেছি। তবে সময়ের অভাবে এই অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ আমার হয়নি।

প্রশ্ন : নাসির উদ্দিন ইউসুফের সাথে আপনার পরিচয় আছে?

উত্তর : জি, আছে, তিনি ঐ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক।

প্রশ্ন : ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হলেও মিরপুর মুক্ত হয়েছে ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে।

উত্তর : স্বাধীনতা অর্জনের পরও মিরপুরের কিছু অংশসহ দেশের বেশ কিছু অঞ্চল আরো বেশ কয়েক দিন অবরুদ্ধ ছিল। মিরপুর মুক্ত হওয়ার তারিখ আমার মনে নেই।

প্রশ্ন : মিরপুর মুক্ত হওয়ার পর একজন অবাঙ্গালির তথ্যমতে পাকিস্তানের একজন প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের কাগজপত্র পাওয়া গিয়েছিল।

উত্তর : এটা সত্য। তবে কার বাড়ি থেকে পাওয়া গিয়েছিল সেটা জানি না।

প্রশ্ন : আপনার কি জানা আছে যে অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী পাকিস্তানের অখন্ডতা ও সংহতির পক্ষে বিবৃতি দিয়েছিলেন?

উত্তর : অনেকের সাথে তিনিও বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। এটা আমার জানা আছে।

প্রশ্ন : ডিসেম্বরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড যখন ঘটে তখন অধ্যাপক গোলাম আযম এ দেশে ছিলেন না। ২২ নবেম্বরের পর থেকে তিনি এদেশে ছিলেন না।

উত্তর : আমি জানি ১ ডিসেম্বর তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে ইয়াহিয়া খানের সাথে দেখা করেছেন। এবং সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। ফলে হয়তো ঐ সময়ে এ দেশে ছিলেন না।

প্রশ্ন : ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের যে অঞ্চলে বৌদ্ধরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সেই অঞ্চল থেকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় এমএনএ নির্বাচিত হয়েছিলেন।

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : ঐ সময় বৌদ্ধ ধর্মগুরু ছিলেন বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরো।

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : এই দুইজন ব্যক্তি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের অখন্ডতার পক্ষে ছিলেন এবং অখন্ডতার পক্ষে কাজ করেছেন।

উত্তর : হ্যাঁ, করেছিলেন।