|
|
অধ্যাপক গোলাম আযমের মামলা
স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের চতুর্থ সাক্ষী বাংলা একাডেমীর সহ-গ্রন্থাগারিক এজাব উদ্দিন মিয়া গতকাল মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মত সাক্ষ্য দিয়েছেন। গতকাল তিনি ১৯৭১ ও ১৯৭২ সালে প্রকাশিত দৈনিক সংগ্রাম, ইত্তেফাক, অবজার্ভারসহ বাংলাদেশ এবং দেশের বাইরের কয়েকটি পত্রিকার ১১২টি পেপার কাটিং প্রদর্শনী করেন। এ নিয়ে গত ৩ দিনে তিনি মোট ২৪৫টি পেপার কাটিং প্রদর্শনী করলেন। তবে এজাব উদ্দিন মিয়া হাতে করে সকাল-বিকেল দুই বেলা দাঁড়িয়েই কাটিয়ে দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ ও তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান ডকুমেন্ট দেখে দেখে প্রদর্শনীগুলো বলেন এবং ট্রাইব্যুনাল তা রেকর্ড করেন। আজ বুধবার আরও পত্রিকার কাটিং প্রদর্শনী করা হবে। বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, বিচাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান এই মামলায় গতকালও হাজির করা হয় অধ্যাপক গোলাম আযমকে। বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা তিনি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা একাডেমীর সহ-গ্রন্থাগারিক এজাব উদ্দিন মিয়ার গতকালের জবানবন্দি নিম্নরূপ :
তদন্তকারী কর্মকর্তা ২৪-০২-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ১৯-১২-১৯৭১ ইং তারিখ হইতে ১৬-১২-১৯৭২ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ২৫টি প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ১৩৮ এবং উহাতে আমার ৩টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৩৮/১, ১৩৮/২, ১৩৮/৩ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
১৯-১২-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ সাংবাদিক, সাহিত্যিক, অধ্যাপক, চিকিৎসক ও বুদ্ধিজীবীসহ শতাধিক সোনার দুলাল নিহত’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৩৯ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২০-১২-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ ইহারা এখনও নিখোঁজ’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪০ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই পত্রিকায় ‘‘পাক সামরিক জান্তার পক্ষপুষ্ট বদর বাহিনীর বধ্যভূমির কয়েকটি মর্মান্তিক দৃশ্য’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪০/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৮-১২-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘বর্বর পাক বাহিনীর গুলী হইতে রিকশা চালক ও আরোহীও রেহাই পায় নাই’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ৩০-১২-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘রক্ত রাঙ্গা বিধ্বস্ত বাংলা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪২ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৬-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘নরপিশাচদের দ্বারা অপহৃত আরও কতিপয় বুদ্ধিজীবীর গলিত লাশ উদ্ধার’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪৩ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১২-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘দুটি রহস্যময় কূপ’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪৪ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৪-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘মাঝকাটি ও রাজাপুরে ১০ হাজার লোক হত্যা করা হয়েছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪৫ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০১-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘বাঙ্গালী নিধনযজ্ঞের করুণতম ইতিহাসে আর একটি নতুন সংযোজন’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪৬ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৫-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘পাঁচদোনা ও খাটিরা ব্রীজের স্মৃতি আজো মানুষের মনে বিভীষিকা সৃষ্টি করে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪৭ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৭-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘পাবনার বধ্যভূমিতে তিন হাজার লোকের গণসমাধি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪৮ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই তারিখের পত্রিকায় ‘‘সে এক বিষাদময় অভিজ্ঞতা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪৮/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৩-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘রংপুরে জল্লাদ বাহিনী কর্তৃক ৬০ হাজার নর-নারী ও শিশু হত্যা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৪৯ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২০-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘জামালপুর মহকুমায় ১০ হাজার লোক হত্যা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫০ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৬-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘মৌলভীবাজারে পাক বর্বরতা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৬-০৩-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘ময়নামতি মহাশ্মশানে ৮ হাজার নর কঙ্কাল’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫২ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১০-০৩-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘নরপিচাশের ডায়রি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫৩ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৬-০৩-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তিন সহস্রাধিক আনসার শহীদ’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫৪ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই তারিখের একই পত্রিকায় ‘‘ড. দে আর কোন দিন ফিরিয়া আসিবেন না’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫৪/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০১-০৪-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘পাকবাহিনীর ধ্বংস লীলার আর এক নিদর্শন হরিরামপুর’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫৫ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২১-০৪-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘রায়ের বাজার শিয়ালবাড়ি নহে রোকেয়া হলের বধ্যভূমি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫৬ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৯-০৪-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘রংপুরে আরও দুটি বধ্যভূমি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫৭ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২০-১১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘আরেকটি গণসমাধি আবিষ্কৃত’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫৮ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৫-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘মৃত্যুর জানাযা মোরা কিছুতেই করিব না পাঠ, কবরেরও ঘুম ভাঙ্গে জীবনের দাবি আজ এতই বিরাট’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৫৯ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৪-০৯-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ২০-০৩-১৯১১ ইং তারিখে কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ১৬০ এবং উহাতে আমার ২ টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৬০/১ এবং ১৬০/২ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
২০-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ‘‘একজন পাকিস্তানী কমান্ডের সাক্ষাৎকার’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৬১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ১০-০১-১৯৭২, ১০-০২-১৯৭২ এবং ২৯-০২-১৯৭২ ইং তারিখে মোট ৩টি শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী ১৬২ এবং উহাতে আমার ১ টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৬২/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
১০-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ‘‘রিহেবিলিটেট উইম্যান ভিকটিমস উইথ ডিগনিটি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৬৩ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১০-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ‘‘৩০০০ উইম্যান ডাইওলোটেড’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৬৪ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৯-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ‘‘পাকিস্তান আর্মি ডেপরিডেশনস এ্যাক্ট পার্বতীপুর’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৬৫ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
১৮-০৯-১২ ইং ২টায় পুনরায় জবানবন্দি :
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় ১২-০৪-১৯৭১ ইং তারিখ হইতে ১৩-০৪-১৯৭১ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ৩টি প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ১৬৬ এবং উহাতে আমার ১ টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৬৬/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
১২-০৪-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় ‘‘খাজা খায়েরউদ্দিন আহবায়ক মনোনীত ঢাকায় নাগরিক শাস্তি কমিটি গঠিত’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৬৭ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৩-০৪-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় ‘‘পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে ভারতের নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৬৮ হিসেবে চিহ্নিত হইল।২২-০৫-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় ‘‘প্রদেশ সফর শেষে জামায়াত নেতৃবৃন্দের আহবান’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৬৯ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ০৭-০১-১৯৭২ ইং তারিখ হইতে ২৬-১১-১৯৭২ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ৫টি প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ১৭০ এবং উহাতে আমার ১টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৭০/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
০৭-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘২৫ মার্চের পর আমার ভাগ্যে যা ঘটিয়াছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৭১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৮-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘হতভাগিনী ১১৬টি মহিলা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৭২ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৪-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘ক্ষতিগ্রস্ত মহিলাদের পুনর্বাসনে দশ কোটি টাকার কর্মসূচি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৭৩ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৩-০৩-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘ধর্ষিতা নাগিনীদের আত্মহত্যা’’ শিরোনামে
প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৭৪ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৬-১১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘চৌদ্দ লাখ নারী নির্যাতিত নিঃস্ব ও অসহায়’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৭৫ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ১৮-০২-১৯৭২ ইং তারিখ হইতে ১২-০৬-১৯৭২ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ৬টি প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী-১৭৬ এবং উহাতে আমার ১টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৭৬/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
১৮-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘আরতী সতীত্ব হরণ করতে ওরা দশজনকে খুন করল’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৭৭ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৫-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘নারী নির্যাতনের রেকর্ড ভঙ্গ’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৭৮ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৩-০৩-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘পাকিস্তান সেনারা বাংলাদেশের হাজার হাজার নারীকে ধর্ষণ করেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৭৯ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৪-০৩-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘বীরঙ্গনা পুনর্বাসনের ব্যাপক পরিকল্পনা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৮০ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৪-০৬-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘আল-বদর বন্দী শিবিরে চৌদ্দ দিন’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৮১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১২-০৬-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘কুষ্টিয়ার রাজাকার চিকনখালী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৮২ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় ২৬-১২-১৯৭১ ইং তারিখের প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ১৮৩ এবং উহাতে আমার ১টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৮৩/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
২৬-১২-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় ‘‘মুজিব বাহিনীর বিরঙ্গনা বোন রেহানা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৮৪ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ১৩-১০-১৯৭১ ইং তারিখ হইতে ২৬-০৪-১৯৭২ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ৭টি প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ১৮৫ এবং উহাতে আমার ১টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৮৫/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
১৮-০৭-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘এ যাবৎ ৭৫ সহস্রাধিক উদ্বাস্তুর প্রত্যাবর্তন’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৮৬ হিসেবে চিহ্নিত হইল।০২-০৯-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘দেশ ত্যাগের সঠিক হিসাব’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৮৭ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৮-১০-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘ভারতীয় মন্ত্রী বলেন উদ্বাস্তুর সংখ্যা আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৮৮ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২০-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘নববই লাখ শরণার্থী দেশে ফিরে এসেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৮৯ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৬-০৪-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘পাক শিবিরে বাঙ্গালীরা মৃত্যুর প্রহর গুনিতেছেন’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯০ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৯-০৪-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘বিপর্যস্ত মানবতা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৬-০৪-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘নরসিংদিতে চুরাশি হাজার শরণার্থীর প্রত্যাবর্তন’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯২ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৩-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় ২৫-১২-১৯৭১ ইং তারিখ হইতে ৩০-১২-১৯৭১ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ৩টি প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ১৯৩ এবং উহাতে আমার ১টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৯৩/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
২৫-১২-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় ‘‘ব্রাহ্মণাবাড়িয়ায় ৪০ জন বুদ্ধিজীবীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হইয়াছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯৪ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ২৬-১২-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় ‘‘মানুষ এমন পশু হতে পারে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯৫ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ৩০-১২-১৯৭১ ইং তারিখে দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় ‘‘নরঘাতক পাকিস্তানী সেনাদের নারকীয় উল্লাস সম্পর্কে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯৬ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৩-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ০৪-০১-১৯৭২ ইং তারিখ হইতে ১৪-০২-১৯৭২ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ০৯টি প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ১৯৭ এবং উহাতে আমার ১টি দস্তখত প্রদর্শনী- ১৯৭/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
০৪-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ৫,০০০ ডিপিএস রিটার্ন ইন দিনাজপুর শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯৮ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৮-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ৮০০০০ রিটার্নিং পার ডে শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯৯ হিসেবে চিহ্নিত হইল। একই তারিখের একই পত্রিকায় ওয়ান মিলিয়ন রিকিউজিজ হ্যাব রিটার্নড হোমশিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ১৯৯/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৩-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ২৮০০০ ডিপিএস রিটার্ন টু খুলনা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০০ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৪-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ওভার ২০ লাখ রিফিউজিজ রিটার্ন সো ফার শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৬-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ৩০ লাখ ডিপিএস রিটার্ন সো ফার শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০২ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০৮-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় এ্যাবাউট ৭৩ লাখ ডিপিএস রিটার্ন সো ফার শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০৩ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১০-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ওভার ফোর লাখ ডিপিএস রিটার্ন টু সিলেট শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০৪ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৪-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক অবজারভার পত্রিকায় ওভার ফোর লাখ রিফিউজিজ রিটার্ন টু কুমিল্লা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০৫ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ২৪-১০-২০১১ তারিখে আমাদের বাংলা একাডেমীর লাইব্রেরী থেকে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ২৬-১২-১৯৭১ ইং তারিখ হইতে ১৫-০৩-১৯৭২ ইং তারিখ পর্যন্ত মোট ৫০টি এবং ০৫-০১-১৯৭২ ইং তারিখের দৈনিক ইত্তেফাক একটি মোট ৫১টি প্রকাশিত সংবাদের কাটিং জব্দনামা মূলে জব্দ করেন এবং মূল পত্রিকাগুলো জিম্মানামা মূলে আমাদের জিম্মায় প্রদান করেন। এই সেই জব্দনামা প্রদর্শনী- ২০৬ এবং উহাতে আমার ১টি দস্তখত প্রদর্শনী- ২০৬/১ হিসেবে চিহ্নিত হইল।
২৬-১২-১৯৭১ ইং তারিখের দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘এরা মুক্তির স্বাদ পায়নি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০৭ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০১-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘একটি কূপে ২৫টি নর কঙ্কাল’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০৮ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০২-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘কাটাসুরের বধ্যভূমি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২০৯ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ০২-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘যাদেরকে মাঠে ঘাটে আর দেখা যাবে না’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১০ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১০-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১১ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৩-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘নড়াইল : নরহত্যাযজ্ঞের আরেকটি বধ্যভূমি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১২ হিসেবে চিহ্নিত হইল। ১৪-০১-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘রংপুরে গণহত্যা ও নারী নির্যাতন’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১৩ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৫-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘রোকেয়া হলের নৃশংসতার একমাত্র সাক্ষী বৃদ্ধ দারোয়ান মনি ভাই’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১৪ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৬-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘জল্লাদের আরেক কসাইখানা আলী ভাই পাথরজিপা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১৫ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৭-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘গণদুশমনের দূর্গা মিরপুর আরেকটি বধ্যভূমির সন্ধান লাভ’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১৬ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৮-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘মীরপুর বধ্যভূমি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১৭ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ২২-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘নাজিদের গ্যাস চেম্বারের হত্যাকান্ডকে ছাড়িয়ে গেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১৮ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ২৫-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘পাক বাহিনীর হামলায় মানিকগঞ্জে প্রায় তিনশ লোক প্রাণ হারিয়েছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২১৯ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ২৯-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘নারকীয় হত্যাযজ্ঞের আরেক বধ্যভূমি ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট এক’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২০ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ৩০-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘নারকীয় হত্যাযজ্ঞের আরেক বধ্যভূমি ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট দুই’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ৩১-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘নারকীয় হত্যাযজ্ঞের আরেক বধ্যভূমি ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট তিন’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী-২২২ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ৩১-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘বাংলাদেশে পাক সেনাদের বর্বরতা সভ্যতার ইতিহাসে নজিরবিহীন’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৩ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৩-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘বর্বরতার রেকর্ড’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৪ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৪-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘খুলনায় এক লাখ বাঙ্গালী হত্যায় সবুর ছিল হানাদারের দোসর’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৫ হিসাবে চিহ্নিত হইল। একই পত্রিকায় একই তারিখের ‘‘চট্টগ্রামের বধ্যভূমি দামপাড়া’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৫/১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৫-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘কুমিল্লা ও মুক্তাগাছার ২ টি বধ্যভূমি’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৬ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৬-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘হানাদাররা কুমিল্লায় ২০ হাজার লোককে হত্যা করেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৭ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৮-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘বর্বর বাহিনী পাঁচ হাজার বৌদ্ধকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৮ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই তারিখের এই পত্রিকায় ‘‘নৃশংসতার আরেক স্বাক্ষর’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৮/১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১০-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘প্রাণহানির সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৯ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই তারিখের পত্রিকায় ‘‘.... মহকুমা ঠাকুরগাঁও’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২২৯/১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১১-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘খান সেনারা দিনাজপুরে পঁচাত্তর হাজার লোককে হত্যা করেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩০ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১২-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘পাকিস্তানী ধ্বংসযজ্ঞের অন্যতম লীলাভূমি রংপুর’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৩-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘আখাউড়া ও চাঁদপুর দখলদার বাহিনী অন্তত ১০ হাজার মানুষকে মেরে ফেলেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩২ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই পত্রিকায় একই তারিখে ‘‘বাংলার মাটিতে আর কত বধ্যভূমি অবস্থিত হবে?’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩২/১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই পত্রিকায় একই তারিখে ‘‘নির্মম নৃশংসতার স্বাক্ষর ঝালকাঠি বন্দর’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩২/২ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৫-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘দস্যুরা নড়াইলে ১০ হাজার মানুষ হত্যা করেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৩ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৭-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘জল্লাদের বর্বরতার কাহিনী’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৪ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই তারিখের একই পত্রিকায় ‘‘ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট ও রূপবান পাহাড়ে বারোটি পাইকেরী কবরে সাত হাজারেরও বেশি নরকঙ্কাল পাওয়া গেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৪/১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৯-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘বগুড়ায় খান সেনাদের নৃশংস বর্বরতা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৫ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই তারিখের একই পত্রিকায় ‘‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ জন শিক্ষক ২৬ জন কর্মচারী নিহত হয়েছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৫/১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ২৩-০২-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘জল্লাদ বাহিনী ৩৭ জন লোককে হত্যা করেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৬ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ২৪-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘ফেনীতে হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার কাহিনী’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৭ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই তারিখে একই পত্রিকায় ‘‘পাঁচ হাজার নর কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৭/১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ২৫-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘বহু নর কঙ্কাল আবিষ্কৃত হচ্ছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৮ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ২৬-০২-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘মৌলভীবাজার মনু ব্রীজে প্রকাশ্য গণহত্যা’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৩৯ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০১-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘খুনিরা দিনাজপুরে ৮০০০ লোক হত্যা করেছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪০ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০২-০৩-১৯৭২ ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘হানাদার দস্যুদের নিধনযজ্ঞ’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪১ হিসাবে চিহ্নিত হইল।০৫-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘পাকবাহিনীর পৈশাচিক গণহত্যায় আরও নজির উদঘাটিত’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪২ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৬-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘যশোরের বধ্যভূমি-১’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪৩ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৮-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘যশোরের বধ্যভূমি-২’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪৪ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ঐ একই তারিখের একই পত্রিকায় ‘‘ময়নামতিতে এ পর্যন্ত পনের হাজার নরকঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪৪/১ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৯-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘যশোরের বধ্যভূমি-৩’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪৫ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৩-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘হত্যা লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগও নারীত্বের চরম অপমানের মর্মবিদারী কাহিনী’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪৬ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৪-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘দখলী অবস্থার আমলে হানাদাররা ঝালকাটি অঞ্চলে দশ হাজার লোককে হত্যা করেছিল’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪৭ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ১৫-০৩-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ‘‘পায়ে পায়ে দেখা মৌলভীবাজারের মৃত লোকালয়’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪৮ হিসাবে চিহ্নিত হইল। ০৫-০১-১৯৭২ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘‘পাকবাহিনী ৩০ লক্ষাধিক লোককে হত্যা করিয়াছে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের কাটিং প্রদর্শনী- ২৪৯ হিসাবে চিহ্নিত হইল।

