|
|
স্টাফ রিপোর্টার : অনিয়মের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত ছিলেন বলে দুদককে জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।
বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কন্ট্রোল ও ভিজিল্যান্স বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক শ্যামল কান্তি নাথ সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘এ অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে ব্যাংকের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জড়িত। ঘটনাটি এমনভাবে ঘটেছে যে আমরা আগে আঁচ করতে পারিনি।’’
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক নিরীক্ষায় সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা সরিয়ে ফেলার ঘটনা ধরা পড়ে। এর মধ্যে হলমার্ক গ্রুপই তুলে নেয় আড়াই হাজার কোটি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অসতর্কতার সুযোগে এ ঘটনা ঘটেছে কি না জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘‘আমার মনে হয় না, তারা না বুঝে এটা করেছেন।’’
শ্যামল কান্তি নাথ জানান, গত মে মাসে পত্রিকার মাধ্যমে তারা অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনাটি জানতে পারেন। এরপর তিন সদস্যের একটি পরিদর্শক দল ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা পরিদর্শনে যায়। ওই দলে তিনি নিজেও ছিলেন। ‘‘ওখানে গিয়ে আমরা বুঝতে পারি, এতো বড় দুর্নীতির তদন্ত এক দিনে করা সম্ভব না। পরে বিষয়টি ব্যাংকের বৈদেশিক বিনিময় শাখাকে জানাই।’’
শ্যামল কান্তি নাথের সঙ্গে এদিন সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আরো চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। এরা হলেন ওই শাখার উপমহাব্যবস্থাপক মোঃ মোরশেদ আলম খন্দকার ও নেসার আহমেদ এবং সহকারী মহাব্যবস্থাপক আবুল মোমিন পাটোয়ারি ও শামীম আক্তার। এ ঘটনায় মঙ্গলবারও সোনালী ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

