|
|
মুজাহিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীকে জেরা
শাহেদ মতিউর রহমান : জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী জহির উদ্দিন জালালকে জেরা করেছেন ডিফেন্স পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট সৈয়দ মিজানুর রহমান। গতকাল জেরার প্রশ্নের জবাবে সাক্ষী স্বীকার করেছেন মোঃপুরে দুটি সরকারি বাড়ি সাক্ষী নিজে ও তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে বরাদ্দ নিয়ে বসবাস করছেন। ৬৯/সি নং হোল্ডিংয়ের বাসাটি সাক্ষীর বাবার চাকরিতে থাকাকালীন সময়ে বরাদ্দ নিয়েছেন। যদিও এই বাড়িটি ছেড়ে দেয়ার জন্য অনেক আগেই সাক্ষীর পরিবারকে উচ্ছেদের চিঠি দিয়েছিল সরকার। বিষয়টি নিয়ে এখনো মামলা চলছে। মোঃপুরের জাকির রোডের বি/৯ হোল্ডিংয়ের বাড়িটি সাক্ষীর ভাই ইসরাত উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বরাদ্দ নিয়ে দখলে আছেন। তবে যদিও সাক্ষীর এই ভাই কবে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তা জানেন না সাক্ষী। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান এটিএম ফজলে কবিরের অপর দুই সদস্য ওবায়দুল হাসান ও শাহিনুর ইসলাম সাক্ষীর জেরা রেকর্ড করেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করা হবে।
গতকালের জেরার উল্লেখযোগ্য অংশ
প্রশ্ন : আপনার জন্মস্থান কোথায়?
উত্তর : সিলেটে। আমার বাবা তখন সিলেটে থাকতেন।
প্রশ্ন : ঢাকায় কবে আসেন?
উত্তর : ১৯৬০ সালের আগে থেকেই ঢাকায় থাকি। পরবর্তী বাবা বিভিন্ন জেলায় চাকরি করেছেন।
প্রশ্ন : আপনার বাবা কবে ঢাকায় যোগদান করেন?
উত্তর : পুলিশের বিশেষ শাখায় ১৯৭০ সালে এসপি পদে ঢাকায় যোগদান করেন।
প্রশ্ন : ঢাকায় এসে কোথায় উঠলেন?
উত্তর : ইস্কাটন গার্ডেনে বাসায় সপরিবারে উঠি।
প্রশ্ন : আপনি কোথায় কোথায় লেখাপড়া করেছেন?
উত্তর : আমার বাবার কর্মস্থল সিলেট, খুলনা ও ঢাকার স্কুলে পড়ালেখা করেছি।
প্রশ্ন : ঢাকায় কোথায় কোন ক্লাসে পড়ালেখা করেছেন?
উত্তর : ঢাকায় ওয়েস্ট এন্ড হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হই।
প্রশ্ন : আপনার ভাই-বোনদের নাম বলুন।
উত্তর : আমার বড় ভাই ফারুক উদ্দিন আহমেদ, ফরিদ উদ্দিন, ইসরাত, আমি জহির উদ্দিন আহমেদ জালাল ও আকবর উদ্দিন আহমেদ।
প্রশ্ন : আপনার ভাইয়েরা কে কোন স্কুলে বা কলেজে পড়তো?
উত্তর : ১৯৭০-৭১ সালে আমার ভাই তেজগাঁও কলেজে, ফরিদ ভাই কায়েদে আযম কলেজে, ফারুক পড়তো না। তিনি ক্রীড়াবিদ ছিল। ছোট ভাই ইসরাত পড়তো ষষ্ঠ শ্রেণীতে বাওয়ানী স্কুলে।
প্রশ্ন : আপনাকে কে স্কুলে নিয়ে যেত?
উত্তর : আমি একাই স্কুলে যেতাম।
প্রশ্ন : আপনার বাবা কতদিন চাকরি করেছেন?
উত্তর : বাবা ৭১ সালের মার্চ মাসে এলপিআরে যান।
প্রশ্ন : এরপরে আপনারা কোথায় উঠলেন?
উত্তর : যুদ্ধকালীন সময়ের শেষদিকে সরকারি বাসভবন ছেড়ে আমরা চাচার বাসায় উঠি। এটি ছিল ১৫ ডিসি রায় রোড, আরমানিটোলা। ৭৩ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত ঐ বাসায় ছিলাম।
প্রশ্ন : এরপরে কোথায় গেলেন?
উত্তর : পরে আমরা বর্তমান ঠিকানায় মোঃপুরে চলে আসি।
প্রশ্ন : বাসাটি কি নিজেদের?
উত্তর : না। এটি পরিত্যক্ত সরকারি বাসা। বাবার নামে বরাদ্দ হয়েছে এই বাসার দোতলার অংশ। নিচে অগ্রণী ব্যাংকের শাখা আছে। তারা সরকারের ভাড়াটিয়া।
প্রশ্ন : আপনার বাবা কবে মারা গেছেন?
উত্তর : ৩ বছর আগে ১৬ মে মারা গেছেন।
প্রশ্ন : সরকারি এই বাড়িটি আপনার বাবার অনুকূলে পারসেস অফার পেয়েছিল কি?
উত্তর : না।
প্রশ্ন : বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার জন্য সরকার কোন নোটিশ দিয়েছিল কি?
উত্তর : হ্যাঁ। দিয়েছিল। জিয়াউর রহমানের আমলে দিয়েছিল।
প্রশ্ন : উচ্ছেদ নোটিশের বিরুদ্ধে কি আপনার বাব কোন মামলা করেছিল?
উত্তর : হ্যাঁ।
প্রশ্ন : আমমোক্তার হিসেবে ঐ মামলা আপনি পরিচালনা করছেন।
উত্তর : জি হ্যাঁ সঠিক।
প্রশ্ন : ঐ মামলার নম্বর হচ্ছে- ১১/১৯৯৯।
উত্তর : হ্যাঁ সঠিক।
প্রশ্ন : জিয়াউর রহমান সরকারের আমলে নোটিশ দেয়ার কথাটি আপনি অসত্য বলেছেন।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : সার্কিট হাউজটি কোথায়?
উত্তর : বর্তমানে নেভি চীফের বাসার বিপরীত দিকে সার্কিট হাউজ।
প্রশ্ন : আপনারা ৭১ সালে কোথায় থাকতেন?
উত্তর : আমরা সার্কিট হাউজের নিচতলায় ৩নং ফ্ল্যাটে পরে ২ এবং ১নং ফ্ল্যাটে থাকতাম।
প্রশ্ন : সার্কিট হাউজ বিল্ডিংয়ে কিছু অবাঙ্গালী সামরিক ও বেসামরিক অফিসাররা থাকতো।
উত্তর : হ্যাঁ সঠিক।
প্রশ্ন : ৭১ সালের ঐ সময়ে আপনাদের সাথে আর কারা থাকতেন?
উত্তর : ম্যাজিস্ট্রেড নিজাম উদ্দিন, জহির উদ্দিন, সৈয়দ মনির উদ্দিন, জেলা জজ আবুল হোসেন থাকতেন তাছাড়া অবাঙ্গালী মেজর কামাল, এসপি হাবিবুর রহমান প্রমুখ। জেলা জজ ও এসপি সাহেবরা সপরিবারে থাকতেন। মেজর কামাল পরিবার নিয়ে থাকতেন। অবাঙ্গালী ডিএস তার ছোট ভাইকে নিয়ে থাকতেন। বাকীরা অধিকাংশ সিঙ্গেল থাকতেন।
প্রশ্ন : এসব অফিসাররা সরকারি বাসা না পাওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে সার্কিট হাউজে থাকতেন।
উত্তর : হ্যাঁ সঠিক।
প্রশ্ন : সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এখানে থাকার কারণে নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরা থাকতো।
উত্তর : সত্য নয়। একজন দারোয়ান ছিল।
প্রশ্ন : সার্কিট হাউস সীমানা প্রাচীর দ্বারা ঘেরা ছিল কী?
উত্তর : হ্যা, সীমানা প্রাচীর ছিল আনুমানিক সাড়ে চার ফুট উঁচু। দু'টি গেট ছিল।
প্রশ্ন : সীমানা প্রাচীরের পশ্চিমে কী ছিল?
উত্তর : ময়মনসিংহ রোড ছিল।
প্রশ্ন : উত্তরে কি ছিল?
উত্তর : পাকিস্তান নৌবাহিনীর ক্যাম্প ছিল। সেখানে পরে ঐ ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ছিল। সেখানে সার্বক্ষণিক সশস্ত্র পাহারাদার ছিল।
প্রশ্ন : সার্কিট হাউসের পূর্বে কী ছিল?
উত্তর : মসজিদ ও তার পরে ইস্কাটন গার্ডেন কলোনী ছিল।
প্রশ্ন : দক্ষিণে কি ছিল?
উত্তর : ডা. বাসেদের বাড়ি ও সরকারি কলোনী ছিল।
প্রশ্ন : রাস্তার পাশে এবং মাঝের ডিভাইডারের মধ্যে কী বড় বড় গাছ ছিল?
উত্তর : না, বড় গাছ ছিল না।
প্রশ্ন : মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করার জন্য আপনার বাবা সরকারের কাছ থেকে স্বীকৃতিস্বরূপ কোন পদক পেয়েছেন কী?
উত্তর : না। বাবা কিছু চাননি বা পাননি।
প্রশ্ন : আপনার অন্যান্য ভাই কিছু পেয়েছেন?
উত্তর : আমার বড় ভাই ইসরাত উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মোঃপুরে বি/৯ জাকির হোসেন রোডে সরকারি একটি বাড়ি বরাদ্দ পেয়েছেন?
প্রশ্ন : আপনার বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতা পেয়েছেন।
উত্তর : না, আগে পাননি তবে একবছর আগে ভাতার জন্য দরখাস্ত করেছেন।
প্রশ্ন : আপনার ভাই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হন?
উত্তর : আমার জানা নেই।
প্রশ্ন : আপনার পেশা কি?
উত্তর : আমরা '৭২ সালের পর থেকে পরিবহন ব্যবসায় নিয়োজিত। ট্রাক ভাড়া করে পণ্য পরিবহন করি। আমাদের পরিবহনের নাম বাবুল ট্রান্সপোর্ট এন্ড নেভিগেশন এজেন্সী। এটি আরমানিটোলায়।
প্রশ্ন : মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আপনার নাম কবে তালিকাভুক্ত হয়।
উত্তর : ২০০৫ সালে।
প্রশ্ন : ২০০৫ সালের আগে মুক্তিযোদ্ধাদের বেশ কয়েকটি তালিকা হয়েছিল সরকারিভাবে।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : পত্রিকায় নোটিশ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য চেয়ে আহবান করা হয়েছিল কী?
উত্তর : হ্যাঁ, এটা আমি জানি। তবে দরখাস্ত করি নাই।
প্রশ্ন : ২০০৫ সালের আগে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আপনার কাছে কোন প্রমাণ বা তথ্য ছিল না। তাই দরখাস্ত করেন নাই।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : আপনার নামের সাথে বিচ্ছু শব্দটি রাষ্ট্রীয়ভাবে দেয়া কোন টাইটেল নয়।
উত্তর : হ্যাঁ, সত্য। তবে যুদ্ধের সময় সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফ আমাকে বিচ্ছু বলে ডাকতেন। সেই থেকে এই বিচ্ছু নামে আমি পরিচিত।
প্রশ্ন : মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আপনার নাম কত নম্বর ক্রমিকে আছে?
উত্তর : সম্ভবত ঢাকা সিটির রমনা থানার অন্তর্গত ৪৬৩ নম্বরে আছে।
প্রশ্ন : তালিকাতে কী বিচ্ছু শব্দটি দেয়া আছে?
উত্তর : না। বিচ্ছু নাম নেই।
প্রশ্ন : মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি নিয়ে আপনার কোন লেখা আছে কী?
উত্তর : আমাকে নিয়ে অনেকে লিখেছে। আমি নিজে লেখিনি। একটি ম্যাগাজিনে আমি লিখেছি। আমার সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রথম আলো, দৈনিক খবর, ভোরের কাগজে লিখেছে।
প্রশ্ন : ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ বইটির সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদ ও মিল্লাত হোসেন। বইটি কী পড়েছেন?
উত্তর : না, বইটি পড়িনি। বইটিতে আমার নামে যে লেখাটি আছে সেটি আমি লেখিনি। বইটি আমি কখনো পড়ি নাই।
প্রশ্ন : পত্রিকায় আপনাকে নিয়ে কোন তারিখে লেখাগুলো প্রকাশ হয়েছে?
উত্তর : সন তারিখ বলতে পারবো না। তবে গত ৫/৬ বছরে বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছে।
প্রশ্ন : ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ বইটির ১৫২ পৃষ্ঠা থেকে ১৫৮ পৃষ্ঠা পর্যন্ত আপনর স্মৃতিচারণমূলক লেখাটি আদালতে দেয়া বক্তব্যের সাথে মিল না থাকায় আপনি বই পড়েননি এবং লেখাটি আপনার নয় বলে অস্বীকার করেছেন।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : সজীব গ্রুপ নামে একটি গ্রুপ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ছিল কী?
উত্তর : হ্যাঁ, ছিল। ঐ গ্রুপে শাহনেওয়াজ নামে আমার এক সহযোদ্ধা ছিলেন তিনি। আমেরিকাতে মারা গেছেন। তার উদ্দেশে একটি লেখা লিখেছিলাম। লেখাটি পত্রিকা বা ম্যাগাজিনে ছাপা হয়েছিল।
প্রশ্ন : এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে কবে জবানবন্দি দিয়েছেন?
উত্তর : গত ২০১১ সালের ১৮ আগস্ট। তার অফিসে জবানবন্দি দিয়েছি তিন দিনে মোট ৮ ঘণ্টা জবানবন্দি দিয়েছি।
প্রশ্ন : যুদ্ধের পরে লেখাপড়া আরও করেছেন?
উত্তর : হ্যাঁ, পরবর্তীতে সালেহা স্কুল থেকে '৭২ সালে মেট্রিক পাস করেছি এবং '৭৪ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করি।
প্রশ্ন : আপনার ক্লাসের অন্য কেউ কী যুদ্ধে অংশ নিয়ে শহীদ হয়েছিল?
উত্তর : না, আমার ক্লাসের কেউ ছিল না। আমার জানা মতে, ওয়েস্ট এন্ড স্কুলের কেউ শহীদ হয়েছিল কিনা জানা নেই।
প্রশ্ন : ২৫ মার্চের আগে স্কুলে নিয়মিত যেতেন?
উত্তর : ১ মার্চের পর থেকে ঢাকার অন্যান্য সব স্কুল বন্ধ ছিল। ১ মার্চের আগে নিয়মিত স্কুলে যেতাম।
প্রশ্ন : ঐ সময়ে ঘড়ি পড়তেন?
উত্তর : হ্যাঁ, তবে এখন পড়ি না।
প্রশ্ন : রাষ্ট্রীয়ভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কি কি উপাধি দেয়া হয়।
উত্তর : বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম, ও বীরপ্রতীক।
প্রশ্ন : সার্কিট হাউসের অন্য কোন ছেলে কী আপনার সাথে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল?
উত্তর : বেলাল নামে একজন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল।
প্রশ্ন : সার্কিট হাউস এলাকায় কেউ কী শহীদ হয়েছিল?
উত্তর : লুৎফর নামে একজন শহীদ হয়েছিলেন। এছাড়া আর কারো নাম বলতে পারবো না।
প্রশ্ন : সার্কিট হাউসে অবস্থানরত কর্মকর্তারা পাকিস্তান সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : আর কেউ কী শহীদ হয়েছিল?
উত্তর : ইকবাল নামে এক বালক ১৬ ডিসেম্বর জয়বাংলা বলে শ্লোগান দেয়ার সময় হত্যা করে পাকসেনারা। এই বালকের ছবি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে রক্ষিত আছে।
প্রশ্ন : ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনী কাউকে মারার মতো অবস্থানে ছিল না। তারাই তখন মার খাচ্ছিল।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : '৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খান কোন ভাষায় ভাষণ দিয়েছিলেন?
উত্তর : তিনি নিজে ভাষণ দেননি। তার পক্ষে অন্যজন ঘোষণাটি পাঠ করেন।

