Quantcast
ঢাকা, শনিবার 29 September 2012, ১৪ আশ্বিন ১৪১৯, ১২ জিলক্বদ ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ২৭২ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

জাতীয় সেমিনারে লে. জে. মাহবুবুর রহমান

বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকেই যাচ্ছে

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার উদ্যোগে সেমিনারের আয়োজন করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে বিএনপি চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেছেন, যে কোনো সময় এ আন্দোলন কঠিন থেকে কঠিনতর রুপ নিবে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ‘সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা আয়োজিত ‘গণমানুষের ক্ষমতায়ন : গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়' শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি লায়ন এইচএম ইব্রাহিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সংগঠনের মহাসচিব সাংবাদিক সুজন দে'র সঞ্চালনায়  সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ, আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক মাহবুব আলম, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়া, যুবদল নেতা এস এম নুরুজ্জামান প্রমুখ।

বিএনপি আন্দোলন থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে এমন অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে লে. জে. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিএনপি আন্দোলনে আছে এবং থাকবে। শুধু মাঝে মধ্যে একটু ড্রাইভেশন হচ্ছে। তার মানে এই নয় যে আমরা  আন্দোলন  থেকে বিচ্যুত। তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু এখন জনগণের দাবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি না চাইলেও জনগণ এই দাবিতে আন্দোলনে নামবে। গমানুষের ক্ষমাতায়ন মানেই হচ্ছে গণতন্ত্র। এজন্য সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে পারলে গণতন্ত্র সুসংহত করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এ নেতা বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায় করার জন্য যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল সেই গণতন্ত্র আজ একটি দলের দাবানলে ধ্বংস হতে চলছে। গণতন্ত্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠান সংসদকে ক্ষমতাসীন দল তাদের ক্লাবে পরিণত করেছে। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে।  জনগণের টাকা লুটপাট করার জন্য কুইক রেন্টালের নামে ক্ষমতাসীন সরকার একটি ভূয়া পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, মাত্র নয় মাসের অল্প সময়ের মধ্যে স্বাধীনতা অর্জন করার যে ঐতিহ্য আমদের আছে তা বিশ্বে দ্বিতীয়টি নেই। কিন্তু স্বাধীনতার পর আমরা দেখলাম মাত্র আড়াই তিন বছরে শাসক শ্রেণী দেশকে ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে নিয়ে গেল। সেখান থেকে আজ পর্যন্ত আমরা বের হতে পারিনি। চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন হরণ করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার পঞ্চাদশ সংশোধনী করে আবারো জনগণের ক্ষমতায়ন হরণ করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় আসেনি। তাই এ সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা। তিনি বলেন, এবার সাধারণ জনগণের শ্লোগান পাল্টে গেছে। এবারের শ্লোগান হচ্ছে টাকা দিলে টাকা নিবো, সৎ লোককে ভোট দিবো।