Quantcast
ঢাকা, শনিবার 13 October 2012, ২৮ আশ্বিন ১৪১৯, ২৬ জিলক্বদ ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ৯২ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

সবজির বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত

স্টাফ রিপোর্টার : নিত্যপণ্যের মূল্য সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে গেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোন উদ্যোগই কাজে আসছে না। এতে করে স্বল্প আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস ওঠেছে। প্রতি কেজি রসুনের দামও বেড়েছে। তাছাড়া সব ধরনের সবজির মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। একই সাথে বেড়েছে পেঁয়াজ ও ডালের দামও। তাই দ্রব্যমূল্যের এই জাঁতাকল থেকে মুক্তি পেতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে ভুক্তভোগী ক্রেতা সাধারণ।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর প্রধান প্রধান কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র ফুটে ওঠেছে। গত এক সপ্তাহে নতুন করে বেড়েছে পেয়াজ (দেশী) ডাল (দেশী-বিদেশী) পাম অয়েল ও রসুনের দাম। তাছাড়া সব ধরনের সবজির বৃদ্ধি পাওয়া মূল্য অব্যাহত রয়েছে। তার সাথে আবারো বেড়েছে ডিমের দাম। তবে কোন ধরনের চালের দাম বাড়েনি। গত সপ্তাহে যার বাজার মূল্য ছিল ১২০ টাকা। প্রতি কেজি রসুনের মূল্য বেড়েছে ৩০ টাকা। একই সাথে বেড়েছে ডিমের দামও। গতকাল প্রতি হালি ডিম বিক্রি হয়েছে ৪৪ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ টাকা। জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ আগে ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়ে ৪৪ টাকা হলে সরকার ভারত থেকে ডিম আমদানির অনুমতি দেয়। এতে করে ডিমের দাম কিছুটা কমে। কিন্তু গতকাল আবার তা বেড়ে যায়।

গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ডালে (মসুর) বিক্রি হয়েছে ১২৮ টাকায়। যা গতকাল ছিল ১৩২ টাকা। প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা। তবে লুজ পাম অয়েলের দাম কেজিতে কমেছে তিন টাকা। একই সাথে মুরগির (ব্রয়লার) দামও কিছুটা কমেছে।

চাল মিনিকেট বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৮ টাকায়। পাড়ি বিআর ২৮ বিক্রি হয়েছে ৪২-৪৬ টাকায়। নাজির সুপার বিক্রি হয়েছে ৪৫ টাকা থেকে ৫২ টাকায়। স্বর্ণা গুটি বিক্রি হয়েছে (মোটা) ২৮ টাকায়। পোলাও চাল প্রকারভেদে বিক্রি হয়েছে ১৮৪ টাকা থেকে ১৩০ টাকায়। আটার মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল লুজ আটা বিক্রি হয়েছে ৩৫-৩৭ টাকায়। কেজিতে প্যাকেট আটা বিক্রি মূল্য ছিল ১ কেজি ৪২ টাকা। দুই কেজির আটা বিক্রি হয়েছে ৭৮ টাকায়। কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমলেও শুকনা মরিচের দাম ছিল আগের মতই। হলুদ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজি দরে। ২০০ গ্রামের হলুদ প্যাকেটের দাম ৩৫ টাকা। আদা গত সপ্তাহের মত ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। ভোজ্য তেল প্রতি লিটার বিক্রয় মূল্য ১৪০ টাকা। পাঁচ লিটারের সয়াবিনের (বোতল) মূল্য ছিল ৬৬৫ টাকা। লুজ পাম অয়েলের দাম কেজিতে কমেছে ৩ টাকা।

সবজির বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৫ টাকায়। ঢেড়শ বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকায়। বেড়েছে সিম ও টমেটোর মূল্য। প্রতি কেজি সিম বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে। প্রতি কেজি টমেটোতে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ টাকা। আলু ২৫ টাকা, মুলা ৪০-৪৫ টাকা, কচুরমুখী ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কচুরলতি, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, পটল বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৫ টাকা দরে। কাকরল, বরবটি বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা কেজি দরে। প্রতি কেজি গরুর গোশত বিক্রি হয়েছে ২৮০-৩০০ টাকা দরে। খাসির গোশত বিক্রি হয়েছে ৪৫০ টাকা দরে। ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকা কেজিতে। রুই মাছ ছোট বিক্রি হয়েছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা দরে। রুই বড় বিক্রি হয়েছে ৪০০-৪৫০ টাকায়। কাতল মাছ বিক্রি হয়েছে ৩৫০ টাকা কেজিতে। তেলাপিয়া বিক্রয় মূল্য ছিল ১২০-১৫০ টাকা।