|
|
পুলিশী হামলার প্রতিবাদ
ইসলামী ও সমমনা ১২ দলের পূর্ব ঘোষিত শান্তিপূর্ণ গণমিছিলে পুলিশের বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে আগামী ১৫ অক্টোবর সোমবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী ও সমমনা ১২ দলের নেতৃবৃন্দ। ১৬-২৩ অক্টোবর পর্যন্ত সমমনা ১২ দলের নেতৃবৃন্দ সারা দেশে গণসংযোগ করারও ঘোষণা দেন। এর মধ্যে সরকার তাদের ঈমানী দাবিসমূহ মেনে না নিলে পবিত্র হজ্জ ও কুরবানীর ঈদের পর কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে ঈমানী অধিকার আদায় করবে বলেও সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ইসলামী ও সমমনা ১২ দল নেতৃবৃন্দ।
গতকাল বিকেলে পল্টনের কার্যালয়ে সমমনা ১২ দলের মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। বৈঠকে ইসলামী ও সমমনা ১২ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মহানবী (সঃ)র সম্মান হেফাজত ও ঈমান রক্ষার দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল বিভাগীয় শহরে গণমিছিলে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সমমনা ১২ দলের নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজধানী ঢাকায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম থেকে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ উপায়ে ইসলামী ও সমমনা ১২ দলের যুগ্ম-আহবায়ক শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফের নেতৃত্বে গণমিছিল বের হয়। মিছিল শুরুর দিকে প্রশাসন মিছিলটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকে। শান্তিপূর্ণ গণমিছিলটি সচিবালয় অতিক্রম করার পর প্রেস ক্লাবের সামনে পৌঁছানোর আগেই গণমিছিলের পিছন থেকে অতর্কিতভাবে পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ তৌহিদী জনতার ওপর টিয়ারশেল ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে ও বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। পুলিশের এ হামলায় শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয় এবং পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে দেড় শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই তোপখানা, জাতীয় ঈদগাহ, প্রেস ক্লাব, সচিবালয়, বিজয় নগর, পুরানা পল্টনের বিভিন্ন গলি ও দৈনিক বাংলার দিক থেকে মুহর্মুহ টিয়ারশেল, রাবারবুলেট ও কাঁদানে গ্যস, জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপ করে পুলিশ এক নারকীয় তান্ডব সৃষ্টি করে। নেতা-কর্মীরা ও শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম পুলিশের এ বর্বরোচিত হামলায় দিকবিদিক ছুটতে থাকে।
সমমনা ১২ দলের নেতৃবৃন্দ পুলিশের এই বর্বরোচিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন সরকারের কাছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

