|
|
শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত ১৮ দলীয় জোটের সুবিশাল গণ-মিছিল
গতকাল বুধবার বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে আয়োজিত ১৮ দলীয় ঐক্যজোটের গণমিছিল রাজধানীর কাকরাইল মোড় অতিক্রম করে। (ইনসেটে ১৮ দলীয় নেতৃবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ) -সংগ্রাম
স্টাফ রিপোর্টার : ‘এই মুহূর্তে দরকার- তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জামায়াত নেতাদের কিছু হলে-জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, অবিলম্বে অবৈধ ট্রাইব্যুনাল- বন্ধ কর করতে হবে, অধ্যাপক গোলাম আযম-মাওলানা নিজামী- সাঈদীসহ আটক নেতাদের কিছু হলে- জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, বিশ্ব এখন বলছে- আ'লীগ হলো বিশ্বচোর, ছি ছি হাসিনা- লজ্জায় বাঁচি না' এমন সব শ্লোগানে-শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল গতকাল বুধবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ১৮ দলীয় জোটের গণ-মিছিল। স্মরণকালের বৃহত্তর এ গণমিছিলে যোগ দেয় লক্ষাধিক নেতা-কর্মী। অবস্থা এমন ছিল যে, মিছিলের অগ্রভাগ যখন মগবাজারে তখনো শেষ ভাগ ছিল নয়াপল্টনে। রাস্তার দুই পাশের হাজার হাজার মানুষ করতালি দিয়ে সরকারবিরোধী এ গণ-মিছিলকে স্বাগত জানায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সরকারের পতন যে এখন সময়ের ব্যাপার তা এই মিছিল থেকেই বুঝা যাচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের এমন অনাস্থা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আর দেখা যায়নি বলেও তারা মন্তব্য করেন। অবিলম্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনঃস্থাপন, জোটের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, আটক নেতাদের মুক্তি, হামলা, গ্রেফতার, নির্যাতন, নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে পুলিশী হামলা এবং সারা দেশে ১৮ দলীয় জোটের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারা দেশে এই গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ মিছিল শুরু হয়। এটি শেষ হয় মগবাজার মোড়ে গিয়ে। বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া এ মিছিল কাকরাইল, শান্তিনগর, মালিবাগ, মৌচাক হয়ে মগবাজার চৌরাস্তায় এসে শেষ হয়েছে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে। ১৮ দলীয় জোটের এ গণমিছিলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি, মির্জা আববাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সাদেক হোসেন খোকা, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক তাসনীম আলম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী নায়েবে আমীর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, ঢাকা মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, ড. মু. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, রমনা থানা আমীর ও শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম। শিবির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসাইন, সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল জববার, সাহিত্য সম্পাদক নিজামুল হক নাঈম, দফতর সম্পাদক আতিকুর রহমান, প্রচার সেক্রেটারি আবু সালেহ ইয়াহইয়াহ, এইচ আর ডি সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক মিজানুর রহমান, তথ্য সম্পাদক জাকির হোসেন সেলিম, প্রকাশনা সম্পাদক আতাউর রহমান বাচ্চু ও আইটি সম্পাদক সিরাজুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। জোট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিজেপির মহাসচিব শামীম আল মামুন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মহাসচিব হামদুল্লাহ মেহেদী, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আবদুল মবিন, এনডিপির চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ারুল হক, বাংলাদেশ ন্যাপ-এর চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, এনপিপির মহাসচিব ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, কল্যাণ পার্টির আবদুল মালেক চৌধুরী, ডেমোক্রেটিক লীগের মহাসচিব সাইফুদ্দিন মনি, পিপলস লীগের মহাসচিব মাহবুব হোসেন প্রমুখ। এছাড়া বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি নেতা সামসুজ্জামান দুদু, ফজলুল হক মিলন, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, সেক্রেটারি হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মিছিল শুরুর আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মওদুদ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ সফর করা বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলটি যদি মনে করে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনিয়ম করেছে তাহলে ফের পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। মওদুদ বলেন, এ সরকার আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তারা কি গণতান্ত্রিক সরকার না স্বৈরাচারী সরকার? তাদের ব্যর্থতার হিসেব করলে শেষ হবে না। তিনি বলেন, সরকার সব দিকে ব্যর্থ। তাদের সৃষ্টি করা সিন্ডিকেটই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী। সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের কারণেই দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি বলেন, গত ৪ বছর তারা হাজার হাজার কোটি টাকা চুরি করেছে। এই কারণে শুধু বাংলাদেশে নয়, বিদেশের মাটিতেও আমাদের মাথা হেট হয়ে যাচ্ছে। পদ্মা সেতু দুর্নীতির কারণে আওয়ামী লীগ সরকারকে বিদেশীরা ‘চোর' বলছে। বিশ্বব্যাংক প্যানেল এসেও তাদের দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে। সে কারণে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন ডিসেম্বর পর্যন্ত বিলম্বিত হচ্ছে। মওদুদ বলেন, সরকার সব স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন সরকারের এজেন্টে পরিণত হয়েছে। এই সব প্রতিষ্ঠানের ওপর এখন আর জনগণের আস্থা নেই।
তিনি বলেন, কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফ চট্টগ্রামের পটিয়ায় হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগই প্রথম মিছিল বের করেছিল। আইন-শৃক্মখলারক্ষাকারী বাহিনী কাছাকাছি থাকলেও কেন তারা ব্যবস্থা নেয়নি? সে ব্যাখ্যা এখনও সরকার দেয়নি। সংবাদপত্রের ওপর আবার আঘাত শুরু হয়েছে উল্লেখ করে মওদুদ বলেন, এই সরকারের সময়ে এ পর্যন্ত ১৭ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। ধীরে ধীরে তারা '৭৫ সালের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার সমর্থক পত্রিকাগুলোতেও তাদের সমালোচনা করা হচ্ছে, এজন্য তাদের গায়ে জ্বালা ধরেছে। সংবাদপত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ বরদাশত করা হবে না।
শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই এই সরকারের পতন হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সরকারের ব্যর্থতার কারণেই তাদের পতন হবে। বিএনপির কঠোর কর্মসূচি দেয়ার প্রয়োজন হবে না। আমরা সব সময় শান্ত থাকবো। সহিংসতার দিকে এগুবো না। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে অন্তর্বর্তী সরকার মেনে নেয়া হবে না। এখনো সময় আছে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় যে পরিস্থিতির উদ্ভব হবে তার দায়-দায়িত্ব আপনাদেরই বহন করতে হবে।
গণমিছিলপূর্ব এ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মহানগর বিএনপির আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকা বলেন, গত চল্লিশ বছরে বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন বেহায়া, দুর্বৃত্ত আর ডাকু সরকার আর আসেনি। হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে লোক দেখানোর জন্য তানভীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই টাকা লুটের পেছনে অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তাদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিলীন করে দেয়ার পথে এগুচ্ছে আওয়ামী লীগ। এজন্য নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। মিছিলপূর্ব সমাবেশে অন্যদের মধ্যে মির্জা আববাস, আবদুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বিকেল সোয়া ৪টায় গণমিছিল শুরু হলেও দুপুর ১টা থেকেই ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে আসতে শুরু করে। রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকা থেকে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দল খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হয়। এ সময় তাদের হাতে দলীয় প্রধানসহ অন্য নেতাদের ছবিসংবলিত ব্যানার, বিলবোর্ড দেখা গেছে। বিকেল ৩টার মধ্যেই ফকিরেরপুল থেকে কাকরাইল পর্যন্ত রাস্তা পরিপূর্ণ হয়ে যায়। প্রচুর লোক সমাগমের কারণে নয়াপল্টন ছাড়াও বিজয়নগর, ফকিরাপুল, কাকরাইল, শাহজাহানপুর, শান্তিনগর, পুরানা পল্টন এলাকায়ও মানুষ অবস্থান করে। ফলে এসব এলাকার বাইরেও দৈনিক বাংলা, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রেস ক্লাব, মালিবাগ, মৌচাক এলাকায় সৃষ্টি হয় প্রচন্ড যানজট।
১৮ দলীয় জোটের গণমিছিলে সবার নজর কাড়ে জামায়াত-শিবিরের সুশৃক্মখল উপস্থিতি এবং ব্যাপক শোডাউন। জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা নিজস্ব প্লাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করে। এ সময় দলটির নেতা-কর্মীদের হাতে আটক জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযম, আমীর ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমীর ও আন্তর্জাতিক মোফাফ্সিরে কুরআন, সাবেক এমপি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ আটক নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানার ও বিলবোর্ড শোভা পাচ্ছিল। গণ-মিছিলে শিবির ব্যাপক শোডাউন করে। সংগঠনটি তাদের ঢাকা মহানগর, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম শাখার ব্যানারে বিশাল মিছিল বের করে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজও পৃথক পৃথক মিছিল বের করে। এসব মিছিলে নের্তৃত্ব দেন সাবেক ও বর্তমান শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা।
এদিকে মিছিল শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তেই কে বা কারা গুজব ছড়িয়ে দেয়। এ সময় মিছিলের মধ্যভাগে হুড়োহুড়ি দেখা দেয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের আওয়াজে অনেকেই ভয় পেয়ে ছুটোছুটি করে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আবারো সবাই মিছিলে যোগ দেয়। বিকেল সোয়া ৪টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বক্তৃতা শেষ করে গণমিছিল শুরুর ঘোষণা দেয়ার পরই নাইটিঙ্গেল মোড় ও বিএনপি কার্যালয়ের মাঝামাঝি আনন্দ ভবনের সামনে থেকে ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণ শব্দ শোনা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এদিকে গণমিছিলকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন থেকে মগবাজার ও এর আশপাশের এলাকায় নেয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাস্তার দু'পাশে এবং বিভিন্ন মোড়ে পুলিশ অবস্থান নেয়। এছাড়া মিছিলের আগে ও সর্বশেষে পুলিশ অবস্থান করে।
পুলিশ জানায়, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতেই এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রাজধানীবাসীর মতে, এ সরকারের বিরুদ্ধে অতীতে অনুষ্ঠিত মিছিলগুলোর মধ্যে গতকালের মিছিলটি ছিল সবচেয়ে বড়। এ সরকারের পতন যে এখন সময়ের ব্যাপার তা এ গণমিছিল থেকেই স্পষ্ট হয়ে গেছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

