|
|
ইসলামাবাদ থেকে রয়টার্স : পাকিস্তানের প্রভাবশালী জেনারেলদেরকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। গতকাল শুক্রবার এক মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ইফতিখার চৌধুরী সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে আদেশ দেন।
রায়ে তিনি বলেন, ‘‘রাজনৈতিক সরকার গঠন বা উৎখাতের জন্য এ ধরনের সংস্থা রাজনীতি বা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ভূমিকা রাখতে পারে না।’’ তারা কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো রাজনীতিবিদের সাফল্য লাভে সহযোগিতাও করতে পারে না।’’
‘‘কোনো রাজনৈতিক দল, কয়েকটি দলের রাজনৈতিক জোট বা ব্যক্তিগতভাবে কোনো রাজনীতিবিদকে সফলতা পাইয়ে দেয়ার জন্য তারা তার প্রতি কোনোভাবেই আনুকুল্য দেখাতে পারে না’’ বলা হয় রায়ে।
এ আদেশের ফলে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর বিপুল ক্ষমতা কমবে কি না তা স্পষ্ট নয়। তবে এ পদক্ষেপে সুপ্রিম কোর্ট এবং সামরিক বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে কিংবা পর্দার অন্তরালে থেকে দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান শাসন করেছে।
তালেবান জঙ্গি তৎপরতা, নড়বড়ে অর্থনীতি নিয়ে জর্জরিত পাকিস্তানে বিচার বিভাগ এবং সরকারের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছে।
১৯৮০'র দশকের শেষ দিকে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক সেল গঠনের অভিযোগ উঠেছিল।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ে শুক্রবার বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্সি কিংবা আইএসআই বা এমআইকা তাদের কাঠামোয় কোনো নির্বাচনী সেল/রাজনৈতিক সেল অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হবে। কারণ, তাদের কর্মকান্ড পাকিস্তান এবং সশস্ত্র বাহিনীসহ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দুর্নাম বয়ে এনেছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

