Quantcast
ঢাকা, সোমবার 22 October 2012, ৭ কার্তিক ১৪১৯, ৫ জিলহজ্জ ১৪৩৩ হিজরী
Online Edition
Twitter
Facebook
Sangram RSS
Our videos
Weather

প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর মেইলে পেতে চাইলে গ্রাহক হোন -

Delivered by
FeedBurner

| পড়া হয়েছে: ২৩২৭ বার | মন্তব্য টি

মূলপাতা » প্রথমপাতা

মাওলানা নিজামীর মামলায় সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরীকে জেরায় তুমুল বাগবিতন্ডা

স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরীকে জেরার সময় তুমুল বাগবিতন্ডা হয়েছে। সাক্ষীকে একটি প্রশ্ন করা হলে এর জের থেকে তর্ক-বিতর্ক এবং পরবর্তীতে তা বাগবিতন্ডায় পরিণত হয়। নিয়ম-রীতি ভেঙ্গে সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরীও তর্কে জড়ান। এডভোকেট তাজুল ইসলাম-এর প্রতিবাদ করে ট্রাইব্যুনালের কাছে প্রতিকার চান। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল কোন ব্যবস্থা নেননি। তর্কের সূত্রপাত হয় যখন ডিফেন্স পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম মিছবাহুর রহমান চৌধুরীকে প্রশ্ন করেন। গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হকের নেতৃত্বে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের ট্রাইব্যুনালে এই বাগবিতন্ডা হয়।

মিজানুল ইসলাম তাকে প্রশ্ন করেন আপনি আপনার গবেষণার সময় যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধী অপরাধীদের একটি তালিকা করেছেন?’’

সাক্ষী জবাব দেন ‘‘হ্যাঁ করেছি’’ এরপর মিজানুল ইসলাম প্রশ্ন করেন, ‘‘সেই তালিকায় কতজন পাকিস্তান সেনা অফিসারের নাম আছে?’’

জবাবে মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, এটি শুধু আলবদর বাহিনীর তালিকা।

আইনজীবী মিজানুল ইসলাম বলেন, আমি জানতে চেয়েছি সেই তালিকায়  কতজন পাকিস্তান সেনা  অফিসারের নাম আছে সেটি। আলবদর বাহিনী সংক্রান্ত কোন প্রশ্নতো আমি করিনি। আগে প্রশ্নের জবাব দিতে হবে তালিকায় পাকিস্তান আর্মি অফিসারের নাম আছে কি নাই।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের পক্ষ থেকে বলা হয় সাক্ষী যা উত্তর দিয়েছে তাই যাবে। মিজানুল ইসলাম তীব্র আপত্তি জানিয়ে বলেন, আমি আল বদর নিয়ে কোন প্রশ্ন করিনি। কাজেই কেন আল বদর বিষয়ে লেখা হবে এ প্রশ্নের জবাবে।

এসময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, মিজান সাহেব আপনি প্রথমে প্রশ্ন  করেছেন তিনি যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতা বিরোধীদের তালিকা করেছেন কি-না। তিনি বলেছেন ‘হ্যাঁ'। এরপর আপনি প্রশ্ন করেছেন সেই তালিকায় কয়জন পাকিস্তান সেনা অফিসারদের নাম আছে। তাহলে পরের প্রশ্নের জবাবে আলবদর বিষয় অন্তর্ভুক্ত  করতে সমস্যা কোথায়।

মিজানুল ইসলাম বলেন, আমি প্রথম প্রশ্নটি করিনি। আমি একটি প্রশ্ন করতে চেয়েছি। এসময় ট্রাইব্যুনাল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আপনি না বললে প্রশ্নটি লেখা হল কিভাবে। ট্রাইব্যুনাল এসময় বলেন, প্রয়োজনে ভিডিও দেখা হবে।

মিজানুল ইসলাম আবারো বলেন, আমি একটি প্রশ্ন করতে চেয়েছি। আলবদর বিষয়ে কোন প্রশ্ন আমি করিনি কাজেই সে উত্তর কেন লেখা হবে।  মিজানুল ইসলাম প্রস্তাব করেন তার এ প্রশ্নটি প্রয়োজনে বাদ দেয়া হোক। মিজানুল ইসলাম গতকাল এর আগেও আরেকটি প্রশ্ন নিয়ে সমস্যা হওয়ায় সেটি বাদ দিতে বলেন এবং ট্রাইব্যুনাল বাদ দেন।

এরপর ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ক্রমে সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, তার সেই তালিকায় পাকিস্তান সেনা অফিসারে নাম নেই। সেটি রেকর্ড করেন কোর্ট।

এরপর মিজানুল ইসলাম প্রশ্ন করেন, ‘‘পাকিস্তান আর্মীর পূর্বাঞ্চল বা পশ্চিমাঞ্চলের কোন অফিসার বা কমান্ডার আলবদর বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করত তার নাম আপনার গবেষণায় এসেছে?’’

সাক্ষী জবাবে বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আল বদর বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করত জামায়াত।

সাথে সাথে মিজানুল ইসলাম আপত্তি জানিয়ে বলেন, আমি কি প্রশ্ন করলাম আর উনি কি উত্তর দিলেন। আমিতো এ প্রশ্ন করিনি। এসময় তাজুল ইসলাম বলেন, আইন অনুযায়ী সাক্ষী প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য।

সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, মাই লর্ড আমি এখানে একটি রাজনীতি করি। এর জবাব রাজনৈতিক হতে পারে। তারা একটি প্রশ্ন করেন। তার জবাব তাদের পছন্দ না হলে তারা সেটি বাদ দিতে বলেন। এসময় উত্তেজনা শুরু হয়ে যায়। মিছবাহুর রহমান চৌধুরী তাজুল ইসলামকে লক্ষ্য করে বলেন, মিঃ লয়ার, আপনি কোর্টের আইন না মানতে পারেন। আমিও পলিটিক্স করি। .... এরপর সাক্ষী এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীর মধ্যে তীব্র হট্টগোলে কারো কথা কিছু বোঝা যায়নি। সাক্ষী মিছবাহুর রহমান এবং তাজুল ইসলাম উভয়ে দাঁড়িয়ে পররকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে যাচ্ছিলেন। উভয় পক্ষের সব আইনজীবীরা দাঁড়িয়ে যান তখন। সাক্ষী মিছবাহুর রহমান অনবরত বলে যাচ্ছিলেন। তাজুল ইসলাম কোর্টের কাছে সাক্ষী থেকে আত্মরক্ষা কামনা করেন। কোর্ট সবাইকে থামার জন্য বারবার নির্দেশ দেন। কিন্তু সে নির্দেশ তখন কারো কানে পৌঁছানোর মত পরিস্থিতি ছিল না। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে চলার পর কোর্ট সাক্ষী মিছবাহুর রহমান এবং  তাজুল ইসলামকে উচ্চস্বরে কঠোরভাবে  নির্দেশ দেন থামার জন্য। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

কোর্ট শেষে সামনের বেঞ্চে বসা আসামী পক্ষের আইনজীবীদের কাছে জানতে চাওয়া হয় হট্টগোলের সময় মিছবাহুর রহমানকে কি বলেছিলেন। তারা জানান, সাক্ষী তাজুল  ইসলামকে বলেছেন, সে শিবিরের ক্যাডার। আইনজীবীর বেশে কোর্টে এসেছে।

সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরী পরে কোর্টের কাছে অভিযোগ করেছেন তাজুল ইসলাম তাকে বেয়াদব বলেছেন।

পরিস্থিতি শান্ত হলে কোর্ট মিজানুল ইসলামকে বলেন, জেরা শুরু করেন। মিজানুল ইসলাম বলেন, এখন সাড়ে চারটা বাজে।   আমার মনের এখন যা অবস্থা তাতে আজ আর আমার পক্ষে জেরা করা  সম্ভব নয়। দয়া করে আজ মুলতবি করেন।

কোর্ট বলেন, আজই জেরা শেষ করতে হবে। আজ ওনাকে আমরা বিদায় দেব। তাকে আর আনা হবেনা।  (মিছবাহুর রহমান গত ২৬ আগস্ট জবানবন্দী দেন। তাকে এর আগে মোট পাঁচ দফা জেরা করা হয়েছে। সর্বশেষ জেরার দিন কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন  পরবর্তীতে যেকোন দিন আর এক ঘণ্টার মধ্যে জেরা শেষ করতে হবে।)

গতকাল রোববারই সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরীর জেরা শেষ করার পক্ষে দীর্ঘ সময় অনড় থাকেন ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আপনার এক ঘণ্টা জেরা করার কথা ছিল। আজ দেড় ঘণ্টার মত জেরা হয়েছে। আজ অনেক জেরা হয়েছে। আজ জেরা শেষ করতে হবে। তা না হলে তার জেরা আজ বন্ধ করে দেয়া হবে।

মিজানুল ইসলাম বলেন, এটা কেমন করে হতে পারে। জেরা শেষ  করতে না দিয়ে বন্ধ করে দেবেন। এখনো অনেক প্রশ্ন বাকি আছে। কন্ট্রাডিকশন নেয়া হয়নি এখনো। তাছাড়া আজ সাড়ে চারটা পার হয়ে গেছে।

ট্রাইব্যুনাল বলেন, আজ জেরা শেষ করতে হবে। জেরা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোর্ট চলবে।

মিজানুল ইসলাম অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের সম্মানে আমি একটি প্রশ্ন করব। কিন্তু এরপর আর আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

তাজুল ইসলাম বলেন, সাক্ষী আমাকে শিবিরের ক্যাডার বলেছেন। আমাকে হুমকি দিয়েছেন। আগে এর বিচার করতে হবে। তা নাহলে আমাদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

বিষয়টি পরে দেখা হবে আশ্বাস দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর ট্রাইব্যুনাল মিজানুল ইসলামকে বলেন, আপনার আর কতক্ষণ লাগবে?

মিজানুল ইসলাম বলেন, ৪৫ মিনিট।

ট্রাইব্যুনাল সাক্ষীকে প্রশ্ন করেন আপনি কাল আসতে পারবেন?

সাক্ষী বলেন, আমি অসুস্থ। আমার পক্ষে আর আসা সম্ভব নয়।

এরপর ট্রাইব্যুনাল সাক্ষীকে আদেশ দিয়ে বলেন, আপনাকে কাল আসতে হবে। এটা ট্রাইব্যুনালের আদেশ। সাক্ষী বলেন ঠিক আছে।

এসময় ৪টা ৫০ বেজে যায়। মুলতবি করা হয় শুনানি।

বাগ বিতন্ডার আগের জেরা :

প্রশ্ন : বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড সম্পর্কে যেসব মামলা হয়েছিল তার কোনটি আপনি দেখেননি। আপনার গবেষণার প্রয়োজনে দেখেছেন?

উত্তর : দেখিনি।

প্রশ্ন : বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড সংক্রান্তে যেসব এজাহার হয়েছিল, কারা এজাহারকারী ছিল জানেন?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রত্যেক মামলা না বর্তমান মামলায় জবানবন্দী দিয়েছেন?

উত্তর : শুধু এ মামলায় দিয়েছি। অন্য কোন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দী দেইনি।

প্রশ্ন : অধ্যাপক গোলাম আযম সাহেবের ভাই-বোন ও ভাগ্নেদেরকে চেনেন?

উত্তর : দু'একজনকে চিনি। বোন ও ভাগ্নেদের চিনি না।

প্রশ্ন : অধ্যাপক গোলাম আযম সাহেবের আথে আপনার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ হয় কবে?

উত্তর : ১৯৭০ সালে সাক্ষাৎ হয়।

প্রশ্ন : পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের মার্চে দেখা হয়েছিল?

উত্তর : ১৯৭৫ সালের মার্চে নয়, ১৯৭৪ সালের আগস্টে দেখা হয়।

প্রশ্ন : এর পরে আর দেখা হয়েছে?

উত্তর : লন্ডনে দেখা হলেও কথা হয়নি।

প্রশ্ন : এটা কোন সময় হয়েছে?

উত্তর : ১৯৭৪ সালে দেখা হয়েছে।

প্রশ্ন : এরপর আর কোনোদিন দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে?

উত্তর : হয়নি।

প্রশ্ন : আপনি এ সরকার আসার পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য হয়েছিলেন?

উত্তর : হ্যাঁ, হয়েছি।

প্রশ্ন : ২০০৮ সালের আগে নির্বাচন কমিশন যেসকল রাজনৈতিক দলের নির্বাচন আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল সে তালিকার বিষয়টি আপনি জানেন?

উত্তর : আমি জানি।

প্রশ্ন : প্রত্যাখ্যান তালিকার ১ নম্বরে ফ্রিডম পার্টির নাম আছে?

উত্তর : প্রত্যাখ্যানের তালিকায় ফ্রিডম পার্টির নাম নাই। তবে যাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে তাদের মধ্যে ফ্রিডম পার্টি ১ নম্বরে আছে।

প্রশ্ন : নিবন্ধন আবেদন যাদের প্রত্যাখ্যান হয়েছে সেটা দেখেছেন?

উত্তর : দেখি নাই, তবে তালিকা আছে এটা জানি।

প্রশ্ন : যেসব রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়েছে তাদের নাম জানেন?

উত্তর : সকল দলের নাম জানি না।

প্রশ্ন : বদর বাহিনীতে যোগদানের অনুরোধপত্র পাওয়ার পর আপনি জামায়াত বা ছাত্রসংঘের কারো সাথে যোগাযোগ না করে পিতার সঙ্গে পরামর্শ করে লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : মুন্নী বেগমের সঙ্গে কবে কাবিন হয়েছে?

উত্তর : ১৯৭৮ সালের নবেম্বরে।

প্রশ্ন : খোলা তালাক হয় কবে?

উত্তর : ওই বছর।

প্রশ্ন : বর্তমান স্ত্রী কোন সালে এসএসসি পাস করেছেন?

উত্তর : জানা নেই। আমার সঙ্গে যখন ১৯৮১ সালে বিয়ে হয় তখন বিকম পড়তেন।

প্রশ্ন : খালেদ চৌধুরী, পিতা ফজলুল চৌধুরী ও মাতা লুৎফন চৌধুরী এই নামে কাউকে চেনেন?

উত্তর : এই নামে কাউকে চিনি না। তবে আমার ছেলের নাম খালেদ চৌধুরী। বোনের নাম লুৎফন চৌধুরী। তারা কানাডা থাকেন।

প্রশ্ন : মাওলানা আব্দুস সোবহান এই ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার হয়েছে। তাকে চেনেন?

উত্তর : ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। তার নাম শুনেছি। বহু আগে থেকে চিনি।

প্রশ্ন : তিনি কি তখন নেজামী ইসলাম পার্টি করতেন?

উত্তর : জানিনা। যতদূর জানি, জামায়াতে ইসলামী করেন।

প্রশ্ন : অন্য দল করতেন?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : পূর্ব পাকিস্তানের শেষ গবর্নর আব্দুল মালেক সাহেব গবর্নর ছিলেন। তিনি কোন দল করতেন জানেন?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : তার মুখ্য সচিব কে ছিলেন জানেন?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ধানমন্ডি এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি পদে কে নির্বাচিত হয়েছিলেন?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : ওই এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর এমপি প্রার্থী কে ছিলেন?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কর্মরত ডিসি, এসপি ও ওসি এদের অনেকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন?

উত্তর : নিয়েছি।

প্রশ্ন : ঢাকার ডিসির সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। নাম জানেন?

উত্তর : সাক্ষাৎকার নেইনি। নাম জানা নেই।

প্রশ্ন : পাবনার ডিসি, এসপি, ওসি কে ছিলেন এবং সাঁথিয়া থানার ওসি কে ছিলেন তাকে সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন?

উত্তর : প্রয়োজন হয়নি বলে নেইনি।

প্রশ্ন : বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড তদন্তে যে ডিআইজি ছিলেন তার নাম আপনার তদন্তে এসেছে?

উত্তর : না আসেনি।

প্রশ্ন : ১৯৭৩-১৯৭৪ সালের ঢাকা জেলার এসপির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন?

উত্তর : নিয়েছি। তিনি ছিলেন এসপি মাহবুব।

প্রশ্ন : বুদ্ধিজীবীসহ গণহত্যার বিস্তারিত তথ্য তিনি আপনাকে দিয়েছেন?

উত্তর : অনেক তথ্য দিয়েছেন।

প্রশ্ন : পাকিস্তান আর্মির পূর্বাঞ্চলীয় বা পশ্চিমাঞ্চলীয় কোন কমান্ডার আলবদর বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করতো?

এই প্রশ্নকালে ডিফেন্স পক্ষের এডভোকেট তাজুল ইসলাম, সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরী, প্রসিকিউটর ও ট্রাইব্যুনাল বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

প্রায় ২০ মিনিট এই বাক-বিতন্ডা চলে। পরে ডিফেন্স পক্ষের কৌঁসুলি এডভোকেট মিজানুল ইসলাম মিছবাহুর রহমান চৌধুরীকে এই প্রশ্নটি করেন। আজ সোমবার আবার মিছবাহুর রহমান চৌধুরীকে জেরা করা হবে।

প্রশ্ন : আল বদর বাহিনী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগী বাহিনী ঘোষণা করে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল?

উত্তর : মনে নেই।