|
|
মার্কেট ম্যাকানিজমের পরিবর্তন ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ
কনজুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) জানিয়েছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য বেড়েই চলেছে। ইতোপূর্বেতো প্রায় প্রতিটি পণ্যের বাড়তি মুল্য চলছিলই। তাতে আবার এই পার্বণ সামনে রেখে ওই সব পণ্যসহ মশলাপাতি ও আনষাঙ্গিক পণ্যের বাড়তি দামে সাধারণ মানুষ একরকম দিশেহারা। মওকা বুঝে কোন কোন ব্যবসায়ী পাইকারি খুচরা নির্বিশেষে কেউ কাউকে দোষারোপ করতে কম যাচ্ছেন না। পাইকারি বিক্রেতারা দোষ দেন খুচরা ব্যবসায়ীদের আর খুচরা ব্যবসায়ীরা পাইকারি ব্যবসায়ীদের। মাঝে পড়ে সাধারণ মানুষের বিশেষ করে মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্তদের ও নিম্নবিত্তদের অবস্থা বড়ই নাকার, তারা দিশেহারা। ক্যাব বারবার বলছে, পণ্য মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থা আরো জোড়ালো হওয়া দরকার এবং মার্কেট ইন্টেলিজেন্স চালু করা সেই সঙ্গে সদ্য পাস হওয়া প্রতিযোগিতা আইন কার্যকর করা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে বাজারের বিশৃক্মখল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য। যদিও দ্রব্যমূল্য আর না বাড়ানোর জন্য সরকারি নির্দেশনা ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তারপরও কে শোনে কার কথা।
উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে কিছু সংখ্যক পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যাব লক্ষ্য করছে যে, গত একমাসের ব্যবধানে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০১২ গত একমাসের ব্যবধানে যেসব পণ্যের দাম বেড়েছে সেগুলো হলো, পেঁয়াজ (দেশী) ৪২ দশমিক ৮৫ ভাগ, পেঁয়াজ (আমদানি) ৪১ দশমিক ... ভাগ, রসুল (দেশী) ৫০ ভাগ, রসুন (আমদানি) ৩৬ দশমিক ৩৬ ভাগ, আদা (দেশী) ৫০ ভাগ, আদা (আমদানি) ২০ ভাগ, এলাচি ১৭ দশমিক ৬৪ ভাগ, জিরা ২২ দশকি ২২ ভাগ পাশাপাশি বেড়েছে ডালের দামও। মুশুর (দেশী ১২ ভাগ, মুশুর (আমদানি) ২২ দশমিক ২২ ভাগ এবং ছোলার ডাল ২২ দশমিক ২২ ভাগ পোলাওর চাল ১০ দশমিক ৫৫ ভাগ।
ক্যাব মনে করে উৎপাদন পর্যায় থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছানো এবং আমদানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে জাহাজ থেকে খালাস হয়ে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছতে মার্কেট ম্যাকানিজমের পরিবর্তন এবং অসাধু ববসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া অসহায় ভোক্তাদের নিস্তার নেই। কাজেই সরকারকে এখন সেই পথেই এগুতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

