|
|
স্টাফ রিপোর্টার : বিহিত পূজা, প্রসাদ বিতরণ আর আরতির মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী উদযাপন করেছেন দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। আজ সোমবার দুর্গাপূজার তৃতীয় দিনে পালিত হবে মহজা অষ্টমী। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পুরোহিত রঞ্জিত চক্রবর্তী বলেন, রোববার মহাসপ্তমীর সকালে চক্ষুদানের মধ্য দিয়ে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন মন্ডপে দেবীকে আসন, বস্ত্র, নৈবেদ্য, পুমাল্য, চন্দন, ধুসহ ১৬টি উপাচার দিয়ে পূজা করছেন ভক্তরা।
শনিবার ষষ্ঠী তিথিতে মহালয়ার মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের হিসাবে, এবার সারা দেশে প্রায় ৩০ হাজার মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২ হাজার বেশি। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির তথ্যানুযায়ী এ বছর শুধু রাজধানীতেই ২০১টি মন্ডপে পূজা চলছে। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের মূল পূজা মন্ডপের সামনে তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির তত্ত্বাবধানে পূজামন্ডপ ও মন্দিরকে সাজানো হয়েছে নতুন রূপে।
রাজধানীর রমনা কালীমন্দির, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সূত্রাপুরের গৌতম মন্দির, তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার, লক্ষ্মীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মন্ডপগুলোয় সাজ সাজ রব দেখা গেছে। গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা পরিষদ আর্কষণীয় সাজে সাজিয়েছে বনানী পূজা মন্ডপ।
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই দুর্গাপূজা। আলোকসজ্জায় সজ্জিত করে তোলা হয়েছে হলের মন্দির, মাঠ, পুকুরসহ প্রত্যেকটি ভবনে।

