ঢাকা, শুক্রবার 01 September 2017, ১৭ ভাদ্র ১৪২8, ০৯ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition
  • ‘আসমানে ফের ঈদজ্জোহার চাঁদ উঠেছে মুসলেমিন’

    ‘আসমানে ফের ঈদজ্জোহার চাঁদ উঠেছে মুসলেমিন’

    শফি চাকলাদার : ‘ঈদের চাঁদ’। নিবন্ধটি তৈরির শুরুতে চাঁদ নিয়ে সামান্য কথার অবতারণা না করলেই নয়। ‘চাঁদ’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ইসলামে। চাঁদ দেখে মাস গণনা শুরু হয়। চাঁদ দেখে ঈদুল ফিতর দিন নির্ধারিত হয়। চাঁদ ঈদ-উয-জোহার দিন ধার্য হয়। তেমনি আশুরাসহ সকল উৎসবাদির দিন-তারিখও নির্ধারিত হয় এই চাঁদকে দেখে। তাই এই চাঁদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ইসলামে রয়েছে-এটা অনস্বীকার্য। অর্থাৎ হিজরি সন চান্দ্র মাস ... ...

    বিস্তারিত দেখুন

  • শতবর্ষ আগে কোরবানি ও বর্তমানে বাংলাদেশের ঈদ-উল-আজ্হা 

    মোঃ জোবায়ের আলী জুয়েল : মুসলমান জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ দু’টি ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। আমাদের দেশে এই ধর্মীয় উৎসব দু’টি যথেষ্ট ধুমধামের সঙ্গে পালিত হতে দেখা যায়।  উনিশ শতকের শুরু থেকেই যখন রাজনৈতিকভাবে মুসলিম স্বাতন্ত্র্যবাদী আন্দোলন শুরু হয়েছিল তখন থেকেই গুরুত্ব পেয়েছে ঈদ। তবে খানিকটা জাঁকজমকের সঙ্গে দুটো ঈদ পালনের মধ্যে আছে বিত্তের সম্পর্ক। ... ...

    বিস্তারিত দেখুন

  • বিলিয়ে দেয়ার ঈদ আজিকে 

    মোহাম্মদ সফিউল হক : ঈদ মানেই নবজীবনের স্পন্দন, সম্প্রীতির বন্ধন। ঈদ মানেই পশুত্বের ক্রন্দন, মানবিক নন্দন। ঈদ মানেই  যে শক্তি আত্মাকে মহীয়ান করে, সেই শক্তির পরাক্রম। মানুষের আনন্দ আর পশুর আনন্দে ভেদরেখা টেনে দেয় ঈদ, জাহেলিয়াত আর আসমানী হেদায়েতের পার্থক্য জানিয়ে দেয় ঈদ। আত্মপূজারী আর স্রষ্টাপূজারীর ভিন্নতা বুঝিয়ে দেয় ঈদ। আত্মপ্রতারক আর জীবন সাধকের স্বাতন্ত্র জানিয়ে দেয় ঈদ। ... ...

    বিস্তারিত দেখুন

  • নজরুলের কবিতায় কুরবানি ও ঈদ-উল-আযহা

    আমিন আল আসাদ : আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমগ্র সাহিত্যকর্ম আমাদের জাতীয় জীবনের নানাবিধ অধ্যায় ও বৈশিষ্টকে পূর্ণরূপে ধারণ করেছে। কবি নজরুল ইসলাম এমন এক বিস্ময়কর কাব্যমেধার নাম যাকে কোনো দেশ কাল পাত্রের গন্ডীতে সীমাবদ্ধ করা যায় না। তিনি সর্বজনীন ও বিশ্বজনীন। তাঁর কবিতাও গান প্রথমত স্পর্শ করেছে মানবতাকে। দেশাত্ববোধ, স্বজাত্যবোধ, অসাম্প্রাদায়িকতাবোধ সহ সামাজিক ও ... ...

    বিস্তারিত দেখুন

  • কবিতা

    মানুষ ও কাল আবদুল হালীম খাঁ   এক পাখিকে ডাক দিলে পাখি হাতে আসে উড়ে, অথচ মানুষকে ডাক দিলে সরে যায় দূরে।   দুই মহাকালো কাল বসে আছে আমার উঠোনে ফেলে জাল, সরছে না নড়ছে না সে আজ কত কাল!   তিন কোনো কোনো সময় ভীষণ ফাঁকিবাজ, নড়ে না সরে না বসে থাকে ফেলে কাজ। হিংসায় জ্বলে মরে কখনো কোনো কাল সুখের দিনে সে তাড়াতাড়ি দেয় উড়াল।   শৈল্পিক কসরত জয়নুল আবেদীন আজাদ   লিখিনা কেন? এমন পশ্নের নেই ... ...

    বিস্তারিত দেখুন

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ