ঢাকা, মঙ্গলবার 18 December 2012, ৪ পৌষ ১৪১৯, ৪ সফর ১৪৩৪ হিজরী
Online Edition

সাংবাদিকতায় বাঙালি মুসলিম নারী

অনুপম হায়াৎ : ঊনিশ শতকের দুই দশক থেকে বিশ শতকের দুই শতক পর্যন্ত (১৮১৮-১৯২০) বাংলা সংবাদ ও সাময়িকপত্রের ইতিহাসে বাঙালি মুসলমান নারীর নাম সম্পাদক ও সংবাদকর্মী হিসেবে পাওয়া যায় না। এটা দুঃখজনক হলেও সত্য আমরা জানি, কলকাতায় প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র মাসিক দিগদর্শন ও সাপ্তাহিক সমাচার দর্পণ ১৮১৮ খৃস্টাব্দে (এপ্রিল) প্রকাশিত হয় খৃস্টান মিশনারিদের উদ্যোগে। পরে ওই বছরের জুন মাসে গঙ্গা কিশোর ভট্টাচার্যের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় বাংলা সাপ্তাহিক বাংলা গেজেট। এরপর হিন্দু ও অন্যান্যা সম্প্রদায়ের উদ্যোগে বাংলা গেজেট। এরপর হিন্দু ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের উদ্যোগে বাংলা সাংবাদ ও সাময়িকপত্র প্রকাশিত হতে থাকে কলকাতা, ঢাকাসহ বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। তবে দুঃখজনক হলো যে, এসব পত্র-পত্রিকার মধ্যে বাঙালি মুসলমান সম্পাদিত পত্র-পত্রিকার সংখ্যা ছিল খুবই কম। বাঙালি মুসলমান সম্পাদিত পত্র-পত্রিকার সংখ্যা ছিল খুবই কম। ডক্টর আনিসুজ্জামান ও ডক্টর ওয়াকিল আহমদ এবং অন্যান্য সূত্রে মুসলমান সম্পাদিত বাংলা সংবাদ সাময়িকপত্রের জানা জানা যায়।

বাঙালি মুসলমান সম্পাদিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা সমাচার সভারাজেন্দ্র প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে ৭ মার্চ। এটি ছিল বাংলা-ফারসি দ্বিভাসিক। এর সম্পাদক ছিলেন শেখ আমীমুল্লাহ। ১৮৪৬ খৃস্টাব্দে রজব আলীর সম্পাদনায় বের হয় পঞ্চভাষী সাপ্তাহিক জগদুদ্দীপক ভাস্কর। বর্তমান বাংলাদেশ অঞ্চল থেকে প্রকাশিত বাঙালি মুসলমান সৈয়দ আবদুর রহিম সম্পাদিত বাল্যরঞ্জিকা প্রকাশিত হয় বরিশাল থেকে ১৮৭৩ সালের এপ্রিলে (১ বৈশাখ, ১৮২০)।

অত্যন্ত লক্ষণীয় ব্যাপারে যে, সাপ্তাহিক ঢাকা প্রকাশে এই পত্রিকা সম্পর্কে লেখা হয়, ‘‘পত্রিকা স্ত্রীলোকদের উন্নতির জন্য লেখনি ধারণ করিতে আরম্ভ করিয়াছেন, অত্যন্ত সন্তোষের বিষয়।’’ সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৮-১৯১২) হুগলির চুঁচড়া থেকে তার স্ত্রীর নামে আজীজন নেহার মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন ১৮৭৪ সালে। এ বছরই মানিকগঞ্জ থেকে আনিসউদ্দীন আহমদের সম্পাদনায় বের হয়ে পারিল বার্তাসহ। পরে একে একে প্রকাশিত হয় অর্ধ-সাপ্তাহিক আখরার (১৮৭৭, কলকাতা), সাপ্তাহিক মুসলমান (১৮৮৪, কলকাতা), মাসিক আখবারে এসলামিয়া (১৮৮৪, করটিয়া), মাসিক ইসলাম (১৮৮৫, কলকাতা), পাক্ষিক আহমদী (১৮৮৬, টাঙ্গাইল), পাক্ষিক হিতকরী (১৮৯০, কুষ্টিয়া), সাপ্তাহিক মিহির ও সুধাকর (১৮৯৫, কলকাতা), মাসিক কোহিনূর (১৮৯৮, পাংশা ইত্যাদি। বিশ শতকের শুরু থেকে মুসলমানদের সম্পাদিত পত্র-পত্রিকার সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকে। ইসলাম ধর্মের আলোকে মুসলমানদের আত্মিক ও জাগতিক উন্নতিই ছিল এসব পত্র-পত্রিকার লক্ষ্য।

কিন্তু বাঙালি মুসলমান নারীরা কখন কীভাবে সংবাদ-সাময়িকপত্রে জড়িত হন? সম্পাদক, প্রকাশক, পৃষ্ঠপোষক, সংবাদপত্রের কর্মী, লেখ, পাঠক হিসেবে ‘এদের অবদান বা ভূমিকাই বা কী- এ সম্পর্কে অদ্যাবধি কোনো বিস্তারি গবেষণা হয়নি। কিন্তু বাঙালি মুসলমান নারীরা কখন কীভাবে সংবাদ-সাময়িকপত্রে জড়িত হন? সম্পাদক, প্রকাশক, পৃষ্ঠপোষক, সংবাদপত্রের কর্মী, লেখক, পাঠক হিসেবে ‘এদের অবদান বা ভূমিকাই বা কী- এ সম্পর্কে অদ্যাবধি কোনো বিস্তারিত গবেষণা হয়নি। পত্র-পত্রিকায় নারীরা কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বিষয়বস্তু হিসেবে, কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে তারা প্রতিফলিত হয়েছে, তাদের অধিকার, শিক্ষা, ক্ষমতা, আর্থসামাজিক-রাজনৈতিক-ব্যক্তিক ভাবনাই কী- এসব নিয়ে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষক হয়নি।

বক্ষমান নিবন্ধে বাঙালি মুসলমান নারীদের পত্র-পত্রিকায় সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।

দুই.

নারী সম্পাদিত প্রথম বাংলা পত্রিকা বঙ্গমহিলা প্রকাশিত হয় খিদিরপুর থেকে ১৮৭০ সালের এপ্রিলে। এটি ছিল পাক্ষিক। সম্পাদনায় ছিলেন মোক্ষদায়িনী মুখোপাধ্যায়। এরপর আজমনি দেবীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় মাসিক তানামিনী (১৮৭৫)। তবে মহিলাদের সর্বাঙ্গীয় উন্নতির জন্য, তাদের লেখা প্রকাশের জন্য পুরুষেরাও পত্রিপত্রিকা প্রকাশ করে। এসবের মধ্যে ছিল উমেশ চন্দ্র দত্তের বামাবেধিনী পত্রিকা, দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের অবলাবান্ধব ইত্যাদি। মুসলমান সমাজের নারীরাও এসব পত্রপত্রিকায় লিখতেন। বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে অগ্রণী পদ্য লেখিকা বিবি তাহেরুন্নেসা কলকাতার বামাবোধিনী পত্রিকায় লিখতেন। তার লেখা ১৮৬৫ খৃস্টাব্দে ওই পত্রিকায় ছাপা হয়। কুমিল্লার নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর (১৮৪৮-১৯০৩) লেখা ঢাকা পত্রপত্রিকায় ছাপা হতো। তিনি ছিলেন কয়েকটি পত্রিকার পৃষ্ঠপোষকও । ১৮৭৬ সালে তার রূপজালাল গ্রন্থ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। আজিজননেছা খাতুন (১৮৬৪-১৯৪০) বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লিখতেন। আজিজননেছার একটি অনুবাদগ্রন্থ হারমিট বা উদাসীন ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। খায়রুন্নেসাও (১৮৭০-১৯১২) মুসলমান সম্পাদিত পত্রপত্রিকায় লিখতেন। রোকেয়া খাতুন মিনি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯১২) মুসলমান সম্পাদিত পত্রপত্রিকায় লিখতেন। রোকেয়া খাতুন মিনি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) নামে পরিচিত। তিনি নারী শিক্ষা, গ্রন্থ রচনা ও পত্র-পত্রিকায় লিখে নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন।

বেগম রোকেয়ার বড় বোন করিমুন্নেসা খানমের (১৮৪৫-১৯২৬) আর্থিক সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতায় টাঙ্গাইল থেকে ১৮৮৬ খৃস্টাব্দের জুলাই মাসে প্রকাশিত হয় পাক্ষিক আহমদী। এর সম্পাদক ছিলেন আবদুল হামিদ খান ইউসুফজাই (১৮৪৫-১৯১০)। তিনি বছর পর ‘আহমদী ও নবরত্ন' নামে এটি প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকায় ধর্মের সাথে সমাজের কথাও থাকত। মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৮-১৯১২) এ পত্রিকার সাথে জড়িত ছিলেন মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত পাক্ষিক ত্রিতকরী (১৮৯০) ‘আহমদী যন্ত্রে' টাঙ্গাইল থেকে মুদ্রিত হয়। করিমুন্নেসার বদান্যতায় দুটি পত্রিকায় প্রকাশনা সম্ভব হয়। করিমুন্নেসা সাহিত্যচর্চা করতেন। তার কয়েকটি লেখা ছন্দনামে পত্র-পত্রিকায় ছাপা হয়।

১৮৮৪ সালে কলকাতা থেকে মোঃ রেয়াজুদ্দীন আহমদ সম্পাদিত সাপ্তাহিক মুসলমান বন্ধু প্রকাশিত হয়। কুমিল্লার নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী এ পত্রিকার অর্থদাতা ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। পত্রিকার দশম সংখ্যায় এজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয় (৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮৫)। ফয়জুন্নেসা কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘ইসলাম প্রচারক' (১৮৯১) এরও পৃষ্ঠপোষক এবং অর্থদাতা ছিলেন। এর সম্পাদক ছিলেন মো. রেয়াজুদ্দীন আহমদ।

জলপাইগুড়ির জমিদার রহিমুন্নেসা মিহির ও সুধাকর (১৮৯৫) এবং নবনূর (১৯০৩) পত্রিকায় অর্থ সাহায্য করতেন। মুসলিম-বাংলার সাময়িকপত্রের ইতিহাসে প্রথম নারী সম্পাদক হিসেবে স্মরণীয হয়ে আছেন মাসিক আন্নেসার সাফিয়া সম্পাদক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছেন মাসিক আন্নেসার সাফিয়া খাতুন। আন্বেষা'র প্রথম মুসলমান নারী সম্পাদিত পত্রিকা। মোহাম্মদ আবদুর রশীদ সিদ্দিকী কর্তৃক চট্টগ্রাম থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২১ সালের এপ্রিলে (১৩২৮ বঙ্গাব্দের বৈশাখ)। এতে গল্প কবিতা, প্রবন্ধের পাশাপাশি মহিলা-সংক্রান্ত লেখা ও সংবাদ ছাপা হতো। এই পত্রিকায় মহিলাদের বিষয়ে লেখা প্রকাশিত হলেও নারী স্বাধীনতা প্রশ্নে রক্ষণশীলতার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হতো।

তোহফাতুন্নেসা আজিম (১৯১৬-১৯৮২) ও মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম সম্পাদিত সুনীতি পত্রিকা প্রকাশিত হয় চট্টগ্রাম থেকে। কেউ লিখেছেন : এটি ছিল সাপ্তাহিক, কেউ লিখেছেন অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকার প্রথম প্রকাশ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। কারো মতে, এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খৃস্টাব্দে, কারো মতে, ১৯২১ খৃস্টাব্দে।

১৯২৩ খৃস্টাব্দে (১৩৩৯ বঙ্গাব্দ। জাহানারা চৌধুরী (১৯১৩-১৯৮২) রূপরেখা নামে একটি বার্ষিক পত্রিকা বের করেন। তৃতীয় সংখ্যা হতে ১৩৪২ বঙ্গাব্দে পত্রিকার নাম বদলে রাখা হয় বর্ষবাণী। এটি প্রকাশিত হয় কলকাতা থেকে। প্রকাশক ছিলেন তার বড় ভাই আলতাফ চৌধুরী। পত্রিকাটি ছিল অত্যন্ত উঁচুমানের জাহানারা চৌধুরী সম্পাদিত। এই পত্রিকায় সেকালের প্রখ্যাত কবি-সাহিত্যিকেরা লিখতেন। তাদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, অবনীন্দ্র দাস, প্রমথ চৌধুরী, বনফুল, যতীন্ত্রমোহন বাগচী, জসীমউদ্দীন প্রমুখ লিখতেন। বর্ষবাণীর প্রথম সংখ্যায় ৩৫ জন পুরুষ ও ২৪ জন নারীর লেখা ছাপা হয়।

১৩৪০ (১৯৩৩ খ্রিঃ) সালে কলকাতা থেকে শামসুন্নাহার মাহমুদ ও হাবিবুল্লাহ বাহারের সম্পাদনায় বুলবুল প্রকাশিত হয়। পরে এটি মাসিক হিসেবে বের হয়। শামসুন্নাহার মাহমুদ (১৯০৮-১৯৬৪)-এর জন্ম নোয়াখালীতে। তার শৈশব -কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামে। পরে তিনি কলকাতায় যান এবং বেগম রোকেয়ার সাথে নারীমুক্তি আন্দোলনে জড়িত হন। সাহিত্যচর্চা, অধ্যাপনা ও রাজনীতি ক্ষেত্রে অবদান রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি করেছেন আমৃত্য। ১৯৩০ দশকে তাদের সম্পাদিত বুলবুল উচ্চাঙ্গের সাহিত্যপত্রিকা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। বুলবুল-এর প্রথম সংখ্যায় লিখেছিলেন সুফিয়া কামাল, আদেলা খানম, শামসুন্নাহার মাহমুদ প্রমুখ।

মুসলিম বাংলার নারী সাংবাদিকতার ইতিহাসে সাপ্তাহিক বেগম (১৯৪৭) পত্রিকার প্রকাশের মধ্যেদিয়ে তথ্যজগতে পেশাগতভাবে নারীর প্রবেশ নিশ্চিত হয়। এই পত্রিকার মাধ্যমে অনেক নারী-সাংবাকিদের আত্মপ্রকাশ ঘটে। বেগম প্রথম  প্রকাশিত হয় কলকাতায় ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই। ১৯৫০ সালে ঢাকা থেকে এটি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয় ২০১১ সাল পর্যন্ত সূচনালগ্নে বেগম-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন সুফিয়া কামাল (১৯১১-১৯৯৯) এবং সম্পাদক নুরজাহান বেগম। প্রথম বর্ষের ১২ সংখ্যা থেকে নূরজাহান বেগম এককভাবে সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সচিত্র বেগম পত্রিকা প্রকাশের পেছনে সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনের সক্রিয় অবদান রয়েছে। বেগম-এর প্রথম সংখ্যার লেখকসূচিতে ছিলেন শামসুন্নাহার মাহমুদ, এইচএ হাকাম, জাহানারা মজিদ, কাজী লুৎফুন্নেসা হারুন, মিসেস এ হোসেন আনওয়ারী এম রহমান সৈয়দা ফেরদৌস মহৎ সিরাজী, বদরুন্নেসা আহমদ, নূরজাহান বেগম, ফিরোজা রহমান, সেলিমা পন্নী, রাহেলা খাতুন, জোবেদা খাতুন প্রমুখ। বাঙালি মুসলিম অগ্রণী নারী সাংবাদিক হিসেবে কীর্তিত হয়ে আছেন হুসনা বানু খানম (১৯২৯-২০০৬), জাহানারা ইমান (১৯২৯-১৯৯৪), লায়লা সামাদ ((১৯২৮-১৯৮৯), জাহানারা আরজু, জেবু আহমদ, মাহফুজা খাতুন, মাফরুহা চৌধুরী, রাবেয়া খাতুন, সুলতানা বেগম, ফওজিয়া সামাদ প্রমুখ।

তাদের মধ্যে লায়লা সামাদ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকদের ডিপ্লোমাধারী এবং ১৯৫২ সালে দৈনিক সংবাদ-এ যোগ দেন। তিনি ছিলেন দৈনিক পত্রিকার প্রথম বিভাগীয় নারী-সম্পাদক। পরে মাফরুহা চৌধুরী ছিলেন দৈনিক মিল্লাত-এর বিভাগীয় সম্পাদক।

কালের পরিক্রমায় সাংবাদিকতার ক্ষেত্র ও ধরণ পরিবর্তিত হয়েছে। এখন প্রযুক্তির যুগ। বেতর, টেলিভিশন ও ইন্টারনেট সাংবাদিকতায় নারীরা মুক্ত হয়ে চ্যালেঞ্জিং পেশা হিসেবে দক্ষতা ও প্রতিভার পরিচয় দিচ্ছেন পুরুষদের পাশাপাশি। এ সবই বাঙালি মুসলিম নারীর অগ্রযাত্রা ইতিহাস। -সংকলিত

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ