ঢাকা, মঙ্গলবার 18 December 2012, ৪ পৌষ ১৪১৯, ৪ সফর ১৪৩৪ হিজরী
Online Edition

শাহেদার হরতালের খবর নেই নগর জুড়ে ছিল তীব্র যানজট

স্টাফ রিপোর্টার : ড. শাহেদার ডাকা হরতালে সাড়া মেলেনি সারাদেশের কোথাও। হরতাল থাকলেও ছিল না কোন পিকেটার। যানবাহন শূন্যতার পরিবর্তে রাজধানীতে ছিল চোখে পড়ার মত জ্যাম। আসলে নগরবাসী জানেই না যে গতকাল হরতাল ছিল।

হরতাল হলে তার আগের দিন যানবাহনে আগুন ও ভাংচুর চালানা হয়। মানুষের মধ্যে নানাভাবে ভয়ভীতি তৈরি করা হয়। হরতাল বিরোধী থাকে মাঠে  তৎপর। থাকে হরতালের সমর্থনে পিকেটার। তার পরেও রাস্তায় দু'একটি গাড়ি চলতে দেখা যায়। অন্যদিকে হরতাল ঠেকাতে মাঠে থাকে হাজার হাজার পুলিশ। গতকালের হরতালে এসব কিছুই দেখা যায়নি। কোন ভয়ভীতি ছিল না মানুষের মধ্যে। রাজধানীর প্রতিটি সরকারি অফিস আদালত ছিল আগের মতই স্বাভাবিক। একইভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেবাকেন্দ্র, বিপণী বিতান, কাঁচা বাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ছিল স্বাভাবিক।

যদিও হরতাল আহবায়ক গড়বো বাংলাদেশের সভাপতি ড. শাহেদা বলেছিলেন, রাজধানীর সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। কোন পরিবারে রান্না বান্না হবে না। কোন পেশাজীবী কর্মস্থলে যাবে না।কোন পরিবহন রাস্তায় নামবে না। কিন্তু রাজধানীবাসী তার সেই ডাকে সাড়া দেয়নি। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আধাবেলা হরতালের ডাক দেন ড. শাহেদা।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার দাবিতে এই হরতালের ডাক দেন তিনি।

তার এই হরতালে প্রমাণিত হয়েছে, দুই নেত্রীকে নয় তাকেই রাজনীতি থেকে অবসর নিতে হবে।

গতকালের হরতাল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পথচারী হাবিবুর রহমান বলেন, হরতাল থাকলে বাসা থেকে সাধারণতঃ বের হই না। আজকের (গতকাল) হরতাল সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। তাছাড়া বের হয়ে দেখি আসলেই কোন হরতাল নেই। তিনি বলেন, এ ধরনের হরতাল যদি প্রতিদিনও হয় তাহলে কোন আপত্তি নেই।

গতকাল রাজধানী জুড়ে কোথাও কোন পিকেটার ছিল না। এমনকি হরতাল আহবায়ক সেই ড. শাহেদাকেও দেখা যায়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ