ঢাকা, বুধবার 12 November 2014 ২৮ কার্তিক ১৪২১, ১৮ মহররম ১৪৩৬ হিজরী
Online Edition

চোখ জুড়ানো জায়ান্ট পান্ডা

সোহায়লা বিনতে রিদওয়ান :
জায়ান্ট পান্ডা। দেখতে যেন বড় সাইজের খেলনা পুতুল এক একটা। আর তাইতো বাচ্চাদের এত প্রিয়।

 

গায়ে সাদা-কালো রঙের নরম লোম। বেড়ালের মতো তুলতুলে নিরিহ। দেখলেই গায়ে হাত বুলিয়ে আদর করে দিতে ইচ্ছে করে।

সুন্দর ও দূর্লভ প্রাণী জায়ান্ট পা-া। চিড়িয়াখানায় পা-ার ঘরের সামনে তাই এত ভীড় লেগে থাকে। বড় ছোট সবারই ভীষণ পছন্দের প্রাণী এটা। পাহাড়ের উপর ঘন বাঁশের জঙ্গলে পা-াদের বসবাস। আর পৃথিবীর সব জায়ান্ট পা-ার বাস করে পশ্চিম চীনে।

পা-ার চলার গতি খুব ধীর। তবে ডিগবাজী খেতে খুব পছন্দ করে। আবার হাঁটার সময় হঠাৎ থেমে গিয়ে স্থির মূর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে অনেকক্ষণ।

জায়ান্ট পা-ার শরীর এত নরম যে ইচ্ছে করলেই বিভিন্ন দিকে সহজেই শরীরটাকে ঘোরাতে বা দলা পাকিয়ে ফেলতে পারে।

বাঁশ পা-ার প্রিয় খাবার। মূলতঃ বাঁশ খেয়েই পা-া জীবন ধারণ করে। লম্বা বাঁশ বাঁকিয়ে তার আগা থেকে খায়। দিনে প্রায় ষোল ঘণ্টা সময় তারা খাওয়ার পেছনে ব্যয় করে। ঠান্ডা আবহাওয়াই পা-ার পছন্দ। শীতে ওরা কাবু হয় না একটুও। বরং শীতকালে বরফ ঢাকা বাঁশের অরণ্যে ঘুরে বেড়ায় খাবারের সন্ধানে। আবহাওয়া গরম থাকলে পা-াদেরকে বরফের চাই দেয়া হয় চিড়িয়াখানায়। বরফ নিয়ে খেলতে খেলতে বরফের ওপরেই ঘুমিয়ে পড়ে পা-া।

মা পা-া তার সন্তানকে খুব আদর-যতœ করে। বাচ্চার জন্মের পর পা-া তার বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আদর করে। দুধ খাওয়ায়। সন্তানকে আগলে রাখে সতর্কভাবে। বাচ্চার নিরাপত্তার জন্য মা পা-া প্রয়োজন হলে বাচ্চাকে নিয়ে গাছে উঠে পড়ে।

 

মা বেড়ালের মতো করে মা পা-া বাচ্চার ঘাড় কামড়ে ধরে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। জন্মের সময় বাচ্চা পা-ার ওজন থাকে মাত্র ৪ আউন্স। এগারো মাস বয়সে তার ওজন দাঁড়ায় ১২০ পাউন্ডে। তখন থেকে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে পা-া।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ