ঢাকা, বুধবার 12 November 2014 ২৮ কার্তিক ১৪২১, ১৮ মহররম ১৪৩৬ হিজরী
Online Edition

কমলগঞ্জে ১০ মাসে ২০ জনের আত্মহত্যা

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা : কমলগঞ্জ উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে আত্মহত্যার প্রবণতা। নারী-পুরুষ, গৃহবধূ, উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণী, স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে শিশুরা পর্যন্ত বেছে নিচ্ছে আত্মহত্যার পথ। গত ১০ মাসে ১৯ জন গলায় ফাঁস ও কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। সামান্য অজুহাত বা হতাশা থেকে তাদের ভেতর জন্ম নিচ্ছে আত্মহত্যা নামক ভয়ঙ্কর অপরাধের উপসর্গ। এ প্রবণতায় অভিভাবক মহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার, রহিমপুর, পতন উষার, আদমপুর, শমসেরনগর, আলীনগর, কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে আত্মহত্যা। গত ১০ মাসে প্রায় ২০ জন আত্মহত্যা করেছেন, যা প্রতি মাসে গড়ে ২টি। সর্বশেষ ৩১ অক্টোবর শুক্রবার শমসেরনগরের বিএএফ শাহীন কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র শাহরিয়ার হোসেন (১৩) গলায় ফাঁস দিয়ে বাসার ফ্যানে আত্মহত্যা করে। একই দিন দুপুরে আলীনগর ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের থাবা উদ্দিনের যুবতি কন্যা হুসনা বেগম (১৮) বিষপানে আত্মহত্যা করে। এছাড়া গত ১৯ অক্টোবর রাতে বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র তারেক হোসেন খান (১৮) বিমান বাহিনীর কোর্য়াটারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
আত্মহত্যার বিষয়ে শমশেরনগর সুজা মেমোরিয়াল কলেজের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক হারুন অর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, আত্মহত্যা একটি ব্যাধি। জীবনে প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ার কারণেই অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে আত্মহত্যা করে তাকে। এটা সামাজিকভাবে রুখতে হবে। কমলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) বদরূল হাসান বলেন, থানায় অপমৃত্যু দায়ের পর তদন্ত করে প্রেম, হতাশার কারণ পাওয়া যায়। তা রোধ করতে হলে সামাজিকভাবে হত্যার কুফল অবগত করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ