ঢাকা, বুধবার 12 November 2014 ২৮ কার্তিক ১৪২১, ১৮ মহররম ১৪৩৬ হিজরী
Online Edition

ভূঞাপুরে এক পরীক্ষা কেন্দ্রে ৩ সচিব!

টাঙ্গাইল সংবাদদাতা : ভূঞাপুরে এসএসসি ভোকেশনাল নবম শ্রেণী বোর্ড সমাপনী পরীক্ষায় নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৩ ব্যক্তি। মাত্র  ২৭৭ জন পরীক্ষার্থীর ওই কেন্দ্রে ৩ সচিব ইকবাল হোসেন, ওয়াজেদ আলী ও কাজী জহুরুল ইসলামের দায়িত্ব পালন নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। জন্ম দিয়েছে নানা সমালোচনার।
জানা যায়,উপজেলার নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়  কেন্দ্র প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে একজন সচিব ও একজন সহকারি সচিব দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুরাতন দুটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সচিব ও নিকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহকারি সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু বছর তিনেক আগে অর্জুনা মোহসিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী জহুরুল ইসলাম ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আরেকটি সহকারি সচিবের পদ সৃষ্টি করে নেন। কেন্দ্রে শুরু করেন নিজের ক্ষমতার দাম্ভিকতা।  রোববার থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ভোকেশনাল নবম শেণী বোর্ড সমাপনী পরীক্ষায় নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৩ ব্যক্তি। বর্তমানে কেন্দ্রটিতে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইকবাল হোসেন, সহকারি সচিব হিসেবে রয়েছেন নিকলা দড়িপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.ওয়াজেদ আলী ও অর্জুনা মোহসিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী জহুরুল ইসলাম। মাত্র  ২৭৭ জন পরীক্ষার্থীর ওই কেন্দ্রে ৩ সচিবের দায়িত্ব পালন নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করা শিক্ষকদের মাঝে জন্ম দিয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনার। তবে প্রধান শিক্ষক কাজী জহুরুল ইসলাম প্রভাবশালী হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হেলালুজ্জামান সরকার বলেন, বিষয়টি আমি দেখবো।

৩ দোকান ভস্মীভূত
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মাকেশ্বর মোড়ে অগ্নিকান্ডে তিনটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় দশ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দোকান মালিকরা দাবি করেছে।
জানা যায়, গত ৭ নবেম্বর রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে আব্দুল খালেকের মার্কেটে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকান্ডে বীরমুক্তিযোদ্ধা আরশেদ আলীর মুদি দোকান, শাহিনের ওষুধের দোকান এবং আল আমিনের দর্জি দোকান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়। নিকটবর্তী কোন ফায়ার সার্ভিস না থাকায় স্থানীয়রা প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুনের উৎস জানা যায়নি। তবে স্থানীয়রা ধারণা করছে, বিদ্যুতের সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত ঘটতে পারে। গত ১০ নবেম্বর আনেহলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউর রহমান মুক্তা ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে শফিউর রহমান মুক্তা অগ্নিকা-  থেকে অত্র এলাকার জানমাল রক্ষায় নিকটবর্তী ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসটি দ্রুত চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ