ঢাকা, বুধবার 12 November 2014 ২৮ কার্তিক ১৪২১, ১৮ মহররম ১৪৩৬ হিজরী
Online Edition

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক : মির্জা ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক এশিয়া অঞ্চলের প্রতিটি দেশে অবাধ বাণিজ্যিক বলয় ও আথ-সামজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনীতি পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেজন্য সব দিক দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য সহযোগিতা পূর্বশর্ত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে গণচীনের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩৯ বছর উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। নাজমুল হক নান্নুর সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- চীনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত চু জুয়ানজু, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকতুল্লাহ বুলু, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মাহবুবুল্লাহ প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব যুগ যুগের। দুই দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এ সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, চীনের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের ঐতিহাসিক মিল রয়েছে। চীনারা সব সময় আধিপত্যবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করেছে। তেমনিভাবে বাংলাদেশের মানুষও আজীবন সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের কবল থেকে মুক্তি পেতে লড়াই করেছে। এখনো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করছে। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে অবাধ বাণিজ্য বলয় এশিয়া অঞ্চলের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
মির্জা আলমগীর বলেন, আধুনিক গণচীনের সঙ্গে সর্বপ্রথম কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি প্রথম এই দুটি মহান জাতির মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করেছিলেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান সার্ক প্রতিষ্ঠা করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের সূচনা করেছিলেন। এ অঞ্চলের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এ সম্পর্কের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশর শুধু বন্ধুত্বের সম্পর্কই নয় স্বার্থের সম্পর্কও রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক এ সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ়। তা কখনো ভাঙবার নয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মুক্তির দাবি করে মির্জা আলমগীর বলেন, আজকে চীন-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমি ক্ষোভের সঙ্গে স্মরণ করছি সেই নেতাকে। যিনি চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই নেতাকে আজকে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ