ঢাকা, বুধবার 12 November 2014 ২৮ কার্তিক ১৪২১, ১৮ মহররম ১৪৩৬ হিজরী
Online Edition

না’গঞ্জের বহুল আলোচিত ৭ খুন মামলার ভবিষ্যৎ কী?

তোফাজ্জল হোসেন কামাল : শিল্পসমৃদ্ধ নগরী নারায়ণগঞ্জের কপালে কলংক তিলক লাগিয়েছে পরিকল্পিত সাত খুনের ঘটনাটি। দেশ-বিদেশের আনাচে-কানাচে সমালোচিত এই খুনের ঘটনাটি নিয়ে শুরু থেকেই ছিল লুকোচুরি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আর গণমাধ্যমের সাহসী ভূমিকার সাথে সৃষ্ট বিতর্কের রেশ টানতে গিয়ে ঘটনার উন্মোচন ঘটে। এই আলোচিত সাত খুনের ঘটনা নিয়ে নানা বিতর্কের মাঝেও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তার সাথে উচ্চ আদালতের নির্দেশে সরকারের পক্ষে তদন্ত করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গঠিত একটি তদন্ত কমিটি। গত ৯ নবেম্বর সরকারের তদন্ত কমিটির প্রধানকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। আর গতকাল মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত এক আদেশে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুনের অনুসন্ধান থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) বাদ দিয়েছে। সাত খুনের ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে বাদীপক্ষসহ বিচারপ্রার্থী দেশবাসী সন্দিহান অবস্থার মধ্যেই দু’দিনের ব্যবধানে দু’টি পদক্ষেপ গ্রহণের পর এখন জোরেশোরে আলোচনার পাদপ্রদীপে উঠে এসেছে ‘সাত খুন মামলার ভবিষ্যৎ কি? জড়িতদের বিচার হবেতো? প্রিয়জন হারানো পরিবারগুলো সঠিক বিচারের মাধ্যমে সান্ত¦নার পথ খুঁজে পাবে কি?’
গত ২৭ এপ্রিল প্রকাশ্য রাজপথ থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই ঘটনার জন্য আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেন এবং র‌্যাবকে দায়ী করে আসছে ভুক্তভোগীদের পরিবার।
প্রাথমিক তদন্ত শেষে নারায়ণগঞ্জ র‌্যাবের সে সময়ের অধিনায়ক আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়ার জামাতা লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ ও দুই কর্মকর্তা এম এম রানা এবং আরিফ হোসেনকে চাকরিচ্যুত করা হয়। দফায় দফায় রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও দেয় ১১ র‌্যাব কর্মকর্তা। এক মাসেরও বেশি সময় পলাতক থাকার পর কলকাতায় আটক হয়েছেন নূর হোসেনও। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে সেখানে বিচার চলছে তার।
মামলার তদন্ত সূত্র জানিয়েছে, এখনো পুরোপুরি গুছিয়ে আনতে পারেনি নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ৭ খুনের মামলাটি। তবে ব্যাপক আলোচিত এই মামলা নিয়ে অনেকদূর এগুতে পেরেছে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ। এরই মধ্যে ১১ র‌্যাব কর্মকর্তা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও দিয়েছে। তবে মামলাটির অভিযোগপত্র প্রস্তুত করার জন্য প্রধান আসামী নূর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি বলে মনে করছে নারায়ণগঞ্জ পুুলিশ। তবে নূর হোসেন ছাড়া যে অভিযোগপত্র দেয়া যাবে না তেমনটাও নয়।
মামলার তদন্ত কাজে নিয়োজিত পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, চার্জশিট তৈরি করার জন্য আরো কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। আর এসব কাজ গুছিয়ে আনার মধ্যে যদি নূর হোসেনকে হাতের নাগালে পাওয়া যায় তাহলে চার্জশিট  তৈরিতে আর কোনো ত্রুটি থাকবে না ।
সর্বশেষ গত ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব সদস্য ল্যান্স করপোরাল রুহুল আমিন ৭ খুনের মামলায় না’গঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম শফিকুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। জবানবন্দীতে অপহরণের পর ৭ জনকে চেতনানাশক স্প্রে করে অজ্ঞান করার কথা স্বীকার করেন তিনি। জবানবন্দীতে তিনি বলেন, আমি কেবল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশেই এ কাজটি করেছি। এর আগে আরো ১০ র‌্যাব কর্মকর্তা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।
আলোচিত এই মামলার তদন্ত করছে একাধিক সংস্থা। পুলিশী তদন্তের পাশাপাশি হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটিও। কিন্তু নূর হোসেনের জবানবন্দী না পাওয়ায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাজও আটকে আছে। যদিও পুলিশ বলছে, নূর হোসেনের বক্তব্য ছাড়াও অভিযোগপত্র দিতে আইনী কোনো বাধা নেই।
নূর হোসেনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের সঙ্গে এরই মধ্যে যোগাযোগ করেছে সরকার। কিন্তু আইনী জটিলতার কারণে সহসাই তাকে দেশে ফেরানো যাবে এমনটি মনে করছে না পুলিশ প্রশাসন। এই বিষয়টিই ভাবিয়ে তুলছে নজরুল ইসলামের স্ত্রী ও মামলার বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটিকে।
বিউটি বলেন, ‘নূর হোসেনকে এখনো দেশে ফিরিয়ে না আনায় আমাদের মধ্যে হতাশা কাজ করছে। আমরা সরকারের কাছে বারবার অনুরোধ করেছি। কিন্তু সরকার এখনো তাকে আনতে পারেনি।’ তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস সরকার শক্ত পদক্ষেপ নিলে নূর হোসেনকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
পুলিশের তদন্তের গতি নিয়েও সন্তুষ্ট নয় স্বজনহারারা। সেলিনা ইসলাম বিউটি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত সেটিও মোটামুটি নিশ্চিত। এ সম্পর্কে র‌্যাবের ১১ সদস্যের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও আছে। কিন্তু তারপরও তদন্ত শেষ হচ্ছে না কেন?’ প্রশ্ন রাখেন তিনি ।
পুলিশের সূত্রগুলো বলছে, তদন্ত অনেকদূর এগোলেও নূর হোসেনের বক্তব্য ছাড়া অভিযোগপত্র দেয়ার সম্ভাবনা কম। এই আসামীকে দেশে ফিরিয়ে আনা অথবা ভারতে গিয়ে তার বক্তব্য পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষার বিষয়ে ভাবছেন এ বাহিনীর কর্মকর্তারা।
জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার মুহিদ উদ্দিন বলেন, ‘সাত খুনের মামলার তদন্তে এ পর্যন্ত যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। অনেকেই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। সব খবর তো মিডিয়ায় আসছে।  প্রধান আসামী নূর হোসেনকে দেশে ফিরিয়ে আনার সব রকম কাজ আমরা করে যাচ্ছি। বাকিটা এখন ডিপ্লোমেটিক ব্যাপার। তবে এই মামলার অভিযোগপত্র প্রস্তুত করার জন্য বেশকিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। আসামী একজন এখনো দেশের বাইরে। দেখা যাক কি হয়। তবে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়ার বিষয়টি দিনক্ষণ দিয়ে বলা যাবে না।’
আদালতে জবানবন্দী
সাত খুনের মামলার দায় স্বীকার করে এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জ আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন র‌্যাবের সাবেক ৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, আরিফ হোসেন এবং এম এম রানা। সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী দিয়েছে আরও ৯ জন। তবে আরও তদন্তের প্রয়োজন বলে দাবি করছে পুলিশ।
ঘটনায় র‌্যাবের সম্পৃক্ততা খুঁজে বের করতে কাজ করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরেকটি তদন্ত কমিটিও। কমিটি এরই মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, প্রত্যক্ষদর্শী, স্বজনহারাসহ অনেকের সঙ্গে কথা বলেছে। গণশুনানিও করেছে। নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসানসহ এ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে তারা কথা বলেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মামুনুর রশিদ বলেন, মামলাটি এখনো তদন্তাধীন। সব আসামী এখনো গেফতার হয়নি। নূর হোসেনকে কবে দেশে আনা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আমরা সব দায়িত্ব পালন করেছি। বাকিটা সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের কাজ। সরকারের অনুমতি পেলে নূর হোসেনকে ফিরিয়ে আনতে ভারতে যাবো। মামলার অভিযোগপত্র দেয়ার মতো যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ হাতে এসেছে। তবে চার্জশিট দিতে আরো দেরি হবেও বলে তিনি জানান।
সন্দেহের তালিকায় র‌্যাবের আরও ২৩ জন
পুলিশ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির সূত্র জানিয়েছে, ৭ খুনের ঘটনায় জড়িত বা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন র‌্যাবের সাবেক ৩ কর্মকর্তা ছাড়াও নাম এসেছে আরো ২৩ জনের। এরা সবাই র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১-এর সদস্য। এদের সবাইকেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৮ জনকে আসামী করা হতে পারে। অন্যরা এ মামলার সাক্ষী হতে পারে।
এই ২৩ র‌্যাব সদস্য হলো-নারায়ণগঞ্জ র‌্যাবে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (ডিএডি) আবদুস ছালাম শিকদার, নৌবাহিনীর এলএস আবদুস সামাদ, এসআই পলাশ গোলদার, নায়েক নাজিম উদ্দিন, নায়েক আবদুর রাজ্জাক, সিপাহী আজম আলী, কনস্টেবল মিজানুর রহমান, এসআই পূর্ণেন্দু বালাম, নায়েক দেলোয়ার হোসেন, নায়েক নাজিম উদ্দিন, ল্যান্সনায়েক হিরা মিয়া, হাবিলদার ইমদাদুল হক, সিপাই আবু তৈয়ব আলী, কনস্টেবল শিহাব উদ্দিন,  সৈনিক আবদুল আলিম, ল্যান্সনায়েক বেলাল, সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সি, ডিএডি সালাম শিকদার, করপোরাল মোহাম্মাদ মোখলেস, ল্যান্স করপোরাল রুহুল আমিন, এলএস আবদুস সামাদ, সিপাহী আজম আলী ও কনস্টেবল মিজানুর রহমান।
এদের মধ্যে পরিদর্শক ছালাম শিকদার ও আবদুস সামাদ ছাড়া অন্য সবাইকে এ ঘটনার পর র‌্যাব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে এই র‌্যাব সদস্যদের সবাইকে আসামী করা হবে না। কারণ তাদের বেশিরভাগই নিজ বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশ অনুসরণ করেছেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছেন, ৩ র‌্যাব কর্মকর্তার স্বীকারোক্তি, প্রত্যক্ষদর্শী, নূর হোসেনের দেহরক্ষী ও ঘনিষ্ঠজনদের স্বীকারোক্তিতে এখন পর্যন্ত ২৬ র‌্যাব সদস্যসহ ৩৮ জনের নাম এসেছে। এই তালিকায় বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মী, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ-প্রশাসনের কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যও আছে। এই তালিকা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।
 জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত এই হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তা ছাড়াও নূর হোসেনের সহযোগী চার্চিল ও আলী মোহাম্মদ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। আর অপহরণ ও খুনের প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে ৯ জন। এরা হলোÑ পথচারী শহীদুল, তার মেয়ে রাবেয়া আক্তার, শাহীনুল ইসলাম, র‌্যাব সদস্য আবদুস সামাদ, আবদুস সালাম, আবদুর রাজ্জাক, আলী আজম, এএসপি শাহরিয়ার আলম ও নায়েক নাজিমউদ্দিন।
যেভাবে খুন
র‌্যাব-১১ সাবেক ৩ কর্মকর্তার জবানবন্দী পর্যালোচনা করে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ থেকে নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণের পর সারা দিন তাদের গাড়িতে রাখেন ওই কর্মকর্তারা। আরিফ প্রথমে এদের সবাইকে নরসিংদী ক্যাম্পে নিয়ে আটক রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এদের রাখতে অপারগতা জানিয়েছিলেন। এরপর নরসিংদীর শিববাড়ী এলাকায় রাস্তার পাশে একটি নির্জন স্থানে তাদের রাখা হয়। অপহরণকারীরা রাস্তার পাশে বসে দুপুরের খাবারও খান। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তারা এদিক-সেদিক ঘোরাফেরা করেন। এরপর ৭ জনকে নিয়ে আসেন কাঁচপুর সেতুর নীচে বিআইডব্লিউটিএর একটি ঘাটের কাছে। ওই ঘাটটি নূর হোসেন নিয়ন্ত্রণ করতেন। রাত ১২টার দিকে ওই ঘাট থেকে সবাইকে নৌকায় তোলা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এক সেনা সদস্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে বলেন, আরিফ হোসেন অপহরণের পর থেকে নূর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। কাঁচপুর সেতুর নীচে আগে থেকে একটি নৌকাসহ তার লোকজন অপেক্ষা করছিলেন। এর আগে নারায়ণগঞ্জের ১ নম্বর ঘাট থেকে র‌্যাবের নৌকাটি সেখানে আনা হয়। এরপর দু’টি নৌকায় ৭ জনের মৃতদেহ তোলা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, শুধু জবানবন্দীকেই প্রমাণ হিসেবে না ধরে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর প্রমাণ নিশ্চিত করা হয়েছে, যেন আদালতে আসামীরা জবানবন্দী অস্বীকার করলে বিচারকের কাছে তথ্য-প্রমাণ হাজির করা যায়। এ কারণে তারা র‌্যাব কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করেছেন।
ওই ঘটনার পর নিহত নজরুলের শ্বশুর শহিদুল ইসলাম এ হত্যার জন্য ৬ কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার যে দাবি করেছেন, এর কোনো প্রমাণ পাননি তদন্ত কর্মকর্তারা। শহিদুল ইসলাম এ নিয়ে এখন আর কোনো কথা বলতে চান না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ